বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

চাকরী

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ...হিমাদ্রির মেঘ খাবার টেবিলে বসে আছি। আমার মুখোমুখি অন্য পাশে বাবা! বেকার মধ্যবিত্ত ছেলেদের এই সময়টা খুবই কষ্টের একটা সময়। বাবা আমাকে প্রশ্ন করলেন-চাকুরী ইন্টার্ভিউটা কেমন হলো? আজকেরটা নিয়ে আমার চাকুরীর ইন্টার্ভিউ ১০ নাম্বার! আজকালকার যুগে পরিচিত মানুষ আর টাকা পয়সা ছাড়া চাকুরী পাওয়া আর আকাশের চন্দ্রটা হাতে পাওয়া একই কথা! কিন্তু মধ্যবিত্ত ফেমিলির কতজন মানুষই সে ব্যাপারটা বুঝতে পারবে? আর তাদেরও দোষ দিয়ে কি লাভ? একটা ছেলেকে ছোট থেকে লালন পালন করতে তো কম কষ্ট হয়না! তাদেরও তো জীবনের শেষ সময়টা এসে এমন একটা স্বপ্ন থাকতেই পারে যে…ছেলেটা বড় হবে! ভালো একটা চাকুরী পাবে! সংসারে সুখের দিন ফিরে আসবে! …… ……… আমি বাবার প্রশ্নের উত্তরে জাস্ট এটুকুই বললাম যে…হ্যা বাবা ইন্টার্ভিউ টা ভালো হয়েছে! সুখনো মুখে বাবা একটা হাসি দিয়ে… ব্যাপারটা স্বাভাবিক করলেন! কিন্তু আমিতো জানি,যতই ভালোই ইন্টার্ভিউ দেইনা কেনো…চাকুরী পেতে অবশ্যই টাকা আর পরিচিত মানুষ লাগবে। সুতরাং এই চাকুরীটাও যে হবেনা…তা ভালো করেই বুঝতে পারছি। …… ……… ঘুমোতে গেলে…আমারো স্বপ্ন জাগে মনে… ভালো একটা চাকুরী পাবো…ফেমিলির অভাব গুছাবো! ফেমিলির টানাপোড়া অভিনয় গুলো দেখতে দেখতে যে আমি প্রায় হাপিয়ে উঠেছি। এগুলোর অবসান চাই আমি… কিন্তু দুবছর ধরেতো কম চেষ্টা করছিনা! বাবার পেনসনের টাকা দিয়ে ফেমিলি চলা এখন প্রায় কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে! দিনেদিনে সকল জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলছে! তাছাড়া ছোট ভাই দুটোর পড়াশোনার খরচ চালানো হচ্ছে এই টাকা থেকে! আর আমি ফেমিলির বড় ছেলে হয়ে… পড়াশোনা শেষ করেও কিছুই করতে পারছিনা! ফেমিলির জন্য! ……… …… …… কড়া রোদের মধ্যে হেটে যাচ্ছি…বাহিরে প্রচন্ড গরম! এই গরমেও চেনা শহরটা মানুষের ভীরে কোলাহল পূর্ণ! যার যার গন্তব্যে সবাই ব্যাস্ত! আমি রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি! আজ আরেকটা চাকুরীর ইন্টার্ভিউ! ওই ১০নাম্বার ইন্টার্ভিউ দেওয়া চাকুরীটাও হয়নি! ওরা ৫ লক্ষ টাকা চেয়েছিলো! সবার জন্য নাকি ৭ লক্ষ টাকা শুধু আমার জন্য তারা কমিয়ে ৫ লক্ষ টাকা এনেছে! …… ……… আজকের ইন্টার্ভিউটা ভালো হলেও চাকুরীটা যে হবেনা জানি,তাও ইন্টার্ভিউ দিতে যাচ্ছি! প্রচন্ড রোদে শার্ট ঘামে ভিজে লেপ্টে গেছে! একটু পর পর পকেট থেকে রুমাল বের করে কপাল আর মুখের ঘাম গুলো মুছছি! পকেটে মাত্র ৫০ টাকা আছে। ওইদিন মার কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়েছিলাম! খরচ করতে করতে মাত্র এই টাকাটা আছে! আজকাল বাবার কাছে টাকা চাইতে পারিনা! কেমন জানি মনের মধ্যে খারাপ লাগা কাজ করে। তাই বেশির ভাগই টাকা মার কাছ থেকে চেয়ে নেই! মা তখন অনেক কিছুই শুনিয়ে দেন! ফেমিলি টা অনেক কষ্ট করে টানাটানির মধ্য দিয়ে চলে। কি করবো? .আমার ভাগ্যটাই যে খারাপ! নাহলে এতোগুলো চাকুরীর ইন্টার্ভিউ এর পরেও একটা চাকুরী কি হয় না? …… …… ভেবেছিলাম ইন্টার্ভিউ টা দিতে রিকশা দিয়ে যাবো…যেহেতু বাহিরে অনেক গরম! কিন্তু চিন্তা করলাম এখন টাকাটা খরচ করলে…পরের দিনগুলো চলতে অনেক কষ্ট হবে! তাই এই কাট ফাটা রোদে হেটে হেটেই যাচ্ছি চাকুরীর ইন্টার্ভিউ দিতে! মাঝখানে একটা টং দোকানে ঢুকে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিলাম। …… ………… …… চাকুরীর ইন্টার্ভিউ দিয়ে আসলাম! ভালোই হয়েছে ইন্টার্ভিউটা। কিন্তু জানি ওরা আমাকে ডাকবে আর টাকা চাইবে জয়েন করার জন্য! হাত ঘড়ি টার দিকে তাকিয়ে দেখলাম… বিকাল ৪ টা! পেটেও অনেক খিদা! সেই সকালে বাসা থেকে নাস্তা খেয়ে বেড়িয়েছি! তাই পেটে কিছুই পরেনি! ভাবলাম বন রুটি আর কলা খেয়ে নেই! তাহলে হয়তো খিদাটা কিছু কমবে! কিন্তু পরক্ষণেই ভাবলাম,না থাক! টাকাটা খরচ করা ঠিক হবেনা! তাই টাকাটা পকেট থেকে বের করে হাতে নিয়ে আবার পকেটে রেখে দিলাম! এই ৫০ টাকাটাই যে অনেক মূল্যবান আমার কাছে! …… ……… ……… বাসায় গিয়ে দেখলাম…ছোট ভাইটা মার সাথে ঝগড়া করছে! খাবার নিয়ে! প্রায়ই নাকি শুধু ডাল আর আলুবাজি দিয়ে তার খেতে ভালো লাগেনা! মা তাকে অনেক বুঝালো …যে বাবার পেনসনের টাকার উপর সংসারটা টিকে আছে। আর তো ইনকামের সর্স নাই। সেজন্যই এ অবস্থা! তখনই কেনো জানি আমার মনে কেমন ঝড় বয়ে গেলো। আসলেই তো! আর তো ইনকাম সোর্স নেই। এতো বড় ছেলে হয়ে আমিও তো ফেমিলির জন্য কিছুই করতে পারছিনা! …… …… আজ বাসা থেকে হাটতে হাটতে অনেক দূর চলে এসেছি। একটু পর হঠাৎ করেই বৃষ্টি নামলো আর শহরটাকে ভিজিয়ে দিলো। এমন এক বৃষ্টির দিনে "অহনাও" আমাকে দুচোখের অশ্রু জলে ভিজিয়ে গিয়েছিলো! তখন আমি অনার্স 2nd এয়ার এর ছাত্র ছিলাম। আমি যখন অনার্সে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাই…তখনই অহনার সাথে আমার পরিচয় হয়! ওর সিট আমার পিছনেই পড়ছিলো! পরীক্ষার সময় অনেক গুলা নৈব্যত্তিক ও পারতোনা…যেগুলো আমি বলে দিয়েছিলাম! তারপর পরীক্ষা শেষে যখন আমি বের হয়ে চলে যাচ্ছিলাম…তখনই ও পিছন থেকে আমাকে ডাকলো…! এরপর পরিচয় পর্ব শেষে কি জানি মনে করে ও আমার মোবাইল নাম্বারটা নিলো! …… …… তারপর থেকে প্রায়ই আমাকে ফোন দিতো.! আর ওর জীবনের কথাগুলো শেয়ার করতো! ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট দেওয়া পর দেখা গেলো…আমরা দুজনই চান্স পেলাম…তাও একই সাবজেক্ট এ! এরপর থেকে আমাদের ঘনিষ্টতা আরো বেড়ে গেলো! শেয়ারিং কেয়ারিং ভাবে দিনগুলো চলে যাচ্ছিলো ভালোভাবেই! …… ……… একদিন হঠাৎ সে বললো একটা ছেলে তাকে প্রপোজ করেছে! কথাটা শুনে খারাপ লাগলেও ও কে বলেছিলাম ভালোই তো! চালিয়ে যা! কিন্তু ও বলেছিলো আমি তো আরেকজন কে পছন্দ করি!! আমি বললাম কাকে ? সে বললো যদি বলি তকে ? আমি বললাম ফান বাদ দে চল বাসায় যাই! কিন্তু ও বললো সত্যিই তকে আমি অনেক ভালোবেসে ফেলেছি রে! কখন যে এই বন্ধুত্ব থেকে তোর প্রতি দুর্বল হয়ে গেলাম! নিজেও জানিনা! প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিস না! ওইদিন আমি ওকে ফিরিয়ে দিতে পারিনি! তারপর থেকে দিনগুলো কেমন জানি রঙ্গিন হয়ে উঠলো! তার শেয়ারিং আর কেয়ারিং এ দিন গুলো জেনো স্বপ্নের মতো মনে হতো! …… ……… অনার্স 2nd এয়ার এ যখন আমরা দুজন! হঠাৎ একদিন ফোন দিয়ে বললো দেখা করতে…কি জানি এম্পোর্টেন্ট কথা আছে। প্রতিদিনের মতো আজো ওর সাথে দেখা করতে যাওয়ার সময় একটা গোলাপ ফুল আর কেটবেরি চকলেট কিনলাম! কেটাবেরি চকলেট ওর খুব ফেবারিট! বাহিরে আকাশটা কালো মেঘাচ্ছন্ন! মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে! অহনা যখন আসলো আমার সাথে দেখা করতে তখন ফুটাফুটা বৃষ্টি পড়তে লাগলো! ওইদিন ওর মুখটাও কেমন ভার ভার ছিলো! হাসিমাখা আগের মতো মুখটা সেদিন ছিলোনা! ওর মুখটা দেখেই বুঝছিলাম কিছু একটা হয়েছে! ……আর আমার বুঝাটাই ঠিক হলো! বাসা থেকে নাকি ওর বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলে অনেক ভালো,ইঞ্জিনিয়ার! বিয়ের পরও নাকি ওকে পড়াবে! তাই অহনার ফেমিলি রাজি বিয়ে দিতে। ছেলেপক্ষ নাকি একবার এসে দেখেও গেছে…যা আমাকে শুনায় নি অহনা! ওইদিন অহনাকে বলেছিলাম…প্লিজ তুমি তোমার ফেমিলি কে বুঝানোর চেষ্টা করো! আমি তোমাকে ছাড়া কিভাবে থাকবো? ও বলেছিলো ওর কিছুই করার নাই! তাছাড়া আমার চাকরি বাকরিও নাই! বিয়ে করে ওকে কি খাওয়াবো! ও বলেছিলো আমি জেনো ওকে ভুলে যাই আর নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবি … ফেমিলি নিয়ে ভাবি! …ফেমিলির বড় ছেলে যে আমি! ভালো একটা চাকরি পেলে নাকি একটা সময় ওর চেয়েও ভালো একটা মেয়ে পাবো! কথা গুলো বলেই অহনা চলে যাচ্ছিলো! অহনা যখন চলে যাচ্ছিলো.…বৃষ্টিটাও অনেক বেড়ে গেলো! আর সে তখন ওর ব্যাগ থেকে ছাতা বের করে মাথায় দিয়ে হেটে যাচ্ছিলো! আমারো তখন চোখ দিয়ে বৃষ্টি শুরু হলো! যার কারনে ওর চলে যাওয়াটা ঝাপসা ঝাপসা দেখা যাচ্ছিলো! ওইদিন ওর জন্য আনা কেটবেরি আর গোলাপ ফুলটা দেওয়া হয়নি! দুটো জিনিসই রাস্তায় বৃষ্টিতে ভিজেছে! আমিও ওইদিন প্রচন্ড বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে বাসায় গিয়েছিলাম! এরপর ওর জন্য অনেক কান্না করেছি! বিয়ের দিন ওর হাতটা অন্য একজনের হাতে তুলে দিলো যখন ওর বাবা মা …তখন চোখ থেকে বেশি পানি পড়েছিলো! … …… মাঝে মাঝে রাস্তায় ওকে দেখা যেতো গাড়ির পিছন ছিটে ও ওর হাসব্যান্ড যাচ্ছে! গাড়ির গ্লাসটা খুলাই থাকতো! দেখতে পেতাম ওর হাত টা ওর হাসব্যান্ড এর হাতে আটকানো! …… ……… সময়ের সাথে সাথে ওকে তেমন মনে পরেনা আর! মনে পড়লেও আর চোখ থেকে টলমল করে পানি আসেনা! …… আজ এই বৃষ্টির দিনে হটাৎই ওর কথা মনে পড়ে গিয়েছিলো! ……… ………… খাবার টেবিলে বসে আছি! মুখোমুখি ওপর প্রান্তে বাবা বসা! জীবন থেকে এরই মধ্যে আরো একটা বছর চলে গেলো! বাবার দিকে তাকিয়ে দেখলাম…ওনার চুল আর দাড়িগুলোও পেকে কেমন সাদা হয়ে গিয়েছে! হাত আর শরীর এর চামড়াগুলোও জেনো কেমন জানি হয়ে গিয়েছে! বুকের ভিতর কেমন জানি ধুক্ করে উঠলো! প্রত্যেকটা মানুষই একটা সময় এভাবে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যাবে! …… .… জীবনে কতগুলো চাকুরীর ইন্টার্ভিউ যে দিলাম…তার হিসেব নেই! কিন্তু একটা চাকুরীও আমার কাছে এসে ধরা দিলোনা! …… ……… রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি…অনেক রোদ! জীবন টাকে আজকাল অবিশাপ অবিশাপ মনে হয়! মনে হয় যদি পৃথিবীর মুখটা না দেখতাম তাহলেই অনেক ভালো হতো ! আজো এই রোদের মধ্যে হেটে যাচ্ছি… চাকুরীর ইন্টার্ভিউ দিবো বলে! যদিও এসব মিছেমিছি দেওয়া! …… …… বাসার পরিস্তিতি খুব খারাপ অবস্থানে দাড়িয়েছে! ফেমিলি চালাতে গিয়ে আশেপাশে অনেক ঋন ও করা হয়েছে! যার কারণে প্রায়ই অনেক মানুষ কথা শুনিয়ে যায়! আমার বাসায় যেতে মন চায় না! রাস্তায় রাস্তায় সময় কাটিয়ে দিতে মন চায়! ……\ ………… একটা চাকুরির ইন্টার্ভিউ দিয়েছিলাম ওখান থেকে আজ আমাকে ডেকে পাঠিয়েছে! জানি টাকা চাইবে জয়েনিং করিয়ে দেওয়ার জন্য! ফলে এ চাকুরীটাও হবেনা! ……… অফিসের ভিতরে ঢুকলাম! রুমের ভিতরে ৩ জন বসা! ওনারাই হয়তো বস! আমাকে বললো আপনার রেজাল্ট অনেক ভালো! আমরা আমাদের কম্পানির জন্য নিষ্ঠাবান কাউকে চাই! যে এ কম্পানিটাকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারবে! তাই আমরা নতুন কাউকে সুযোগ দিতে চাই! সে হিসাবে আপনার চাকুরীটা হয়ে গেছে! কালই আপনি জয়েন করবেন! আপনি এখন তাহলে বাসায় যান! কাল অফিসে দেখা হচ্ছে! কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছে আমি কোনো ঘোরের মধ্যে কিংবা স্বপ্নের মধ্যে আছি। আমার চাকুরীটা হয়ে গেছে বিশ্বাসই করতে পারছিনা ! অফিস থেকে বের হয়েই ভাবছি বাসায় ফোন দিয়ে জানাবো…বাবা আর টেনশন নেই! আমাদের সুখের দিন শুরু! ভাবতেই খুশিতে চোখে জল এসে গেছে! ঠিক এই মুহুর্তেই আম্মার নাম্বার থেকে ফোন আসলো! রিসিব করতেই কান্না জরিত কন্ঠে মা বললো ওপাশ থেকে…তোর বাবা স্ট্রোক করেছে!!!! তুই তাড়াতাড়ি হাসপাতালে চলে আয়! বলেই মা ফোনটা কেটে দিলো! আমিও তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠে হাসপাতালে যাচ্ছি! মনে মনে বলছি…বাবা কাল থেকেই আমাদের নতুন দিন শুরু! আর আমাদের ঘরে কোন অভাব থাকবেনা! ছোট ভাই দুটাও মার সাথে খাবার নিয়ে ঝগড়া করবে না! ঋনের জন্য কেউই আর কথা শুনাতে আসবেনা! আমাদের স্বপ্নের দিন যে শুরু বাবা! বাবা প্লিজ তুমি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠো! ……… ……… হাসপাতালের জানালার কাছে দাড়িয়ে আছি! ভিতরে মা আর ভাইগুলো! চাকুরীর খবরটা এখনো কাউকে জানাতে পারিনি! জানালা দিয়ে শুধু বাবা কে দেখছি! ভিতরে একবার গিয়েছিলাম! এখন বাহিরে দাড়িয়ে আছি জানালার পাশটায়!!! ………


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ চাকরী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now