বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বসন্তর প্রজাপতি

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Riyad Hasan (০ পয়েন্ট)

X বসন্তর প্রজাপতি???? লেখক: হোসাইন মাহমুদ কুয়াশা মোড়া সকাল থেকে শুরু হয়েছিল। শেষ হয়েছিল নীরব এক বিদায়ে। মাঝখানে ছিল শুধু দুটো চোখ, কিছু কল্পনা, আর অজস্র দোয়া। এই গল্পটা সেইসব মানুষের জন্য, যারা কখনো কাউকে বলেনি, তবুও সারাজীবন মনে রেখেছে। পড়ে কমেন্টে জানাও, তোমার প্রজাপতির গল্পটা কী? ০১.কুয়াশা মোড়া সকাল, যেখানে লজ্জা আর সংকোচ দিয়ে শুরু: গ্রামের সকালগুলো তখনো কুয়াশার চাদরে মোড়া থাকত। মাটির সরু পথ ধরে শিশিরভেজা ঘাসের উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে আমি স্কুলে যেতাম। আমার নাম আবু হোসাইন। বয়স খুব বেশি ছিল না—মাত্র কয়েকটা বছর। কিন্তু সেই ছোট্ট বয়সেই বুকের ভেতর জন্ম নিয়েছিল এক অদ্ভুত সংকোচ, এক অকারণ লজ্জা। আমার শৈশবটা ছিল রূপকথার মতো সরল। দুপুরবেলা বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে দৌড়ঝাঁপ করতাম, বর্ষার জলে কাগজের নৌকা ভাসাতাম, আর সন্ধ্যা নামলে মায়ের ডাকে ঘরে ফিরতাম—এই ছিল আমার ছোট্ট পৃথিবী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমার ভেতরের পৃথিবীটা কেমন যেন বদলে যেতে লাগল। স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমি অন্যরকম হয়ে গেলাম। ক্লাসের ছেলেদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করতে পারতাম, কিন্তু কোনো মেয়ের সামনে গেলেই বুকের ভেতরটা ধড়ফড় করে উঠত। মনে হতো, একটা কথা বললেই সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে। এই ভয়টা আস্তে আস্তে এমনভাবে আমাকে গ্রাস করল যে, মেয়েদের দিকে তাকিয়েও কথা বলতে পারতাম না। প্রাইমারি স্কুলের ছোট্ট ক্লাসরুমটায় জানালার ধারে বসতাম আমি। স্যার যখন পড়াতেন, মন দিয়ে খাতায় লিখে যেতাম। কিন্তু পাশের বেঞ্চ থেকে মেয়েদের হাসির শব্দ কানে এলে বুকের ভেতর কেমন অস্থিরতা শুরু হতো। মাথা আপনাআপনিই নিচু হয়ে যেত। কেন এমন হতো, আজও জানি না। তবুও জীবন তো আর থেমে থাকে না। প্রয়োজনে দু-একটা কথা বলতেই হতো। কখনো খাতা চাওয়ার জন্য, কখনো কলম। কিন্তু সেই সামান্য কথাটুকু বলার সময়ও গলার ভেতরটা কেঁপে উঠত। কথা শেষ করে যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচতাম। একদিন দুপুরবেলা ক্লাস শেষে স্কুলের মাঠে একা দাঁড়িয়ে ছিলাম। আকাশে তখন হালকা বসন্তের রোদ। গাছের পাতার ফাঁক গলে বাতাস এসে মুখে লাগছিল। ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা মেয়ের গলা ভেসে এলো— “এই আবু, তোমার খাতাটা কি একটু দিবা?” কণ্ঠটা কানে যেতেই বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। খাতাটা শক্ত করে দুই হাতে চেপে ধরলাম। মনে হচ্ছিল, পুরো মাঠের সবাই যেন আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। নিঃশ্বাসটা আটকে আসছিল। তারপর কাঁপা কাঁপা হাতে খাতাটা সামলে নিয়ে, বুকের ভেতরের সমস্ত সাহসটুকু জড়ো করে আমি ধীরে ধীরে মাথা তুলে তার দিকে তাকালাম। সে আমার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল, হাতে একটা নীল রঙের কলম। মুখে হালকা হাসি। চোখে কোনো ঠাট্টা ছিল না, ছিল শুধু সরল একটা অনুরোধ। আমার গলা তখনও কাঁপছিল। তবুও কোনোমতে বললাম, পুরো গল্পটা পড়ু: https://www.facebook.com/share/p/1GRKV83BNJ/


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বসন্তর প্রজাপতি
→ বসন্তর প্রজাপতি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now