বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকাল ৯টা। কাঁথাটা গায়ে চড়িয়ে, ফুল স্পিডে ফ্যান ছেড়ে ঘুমাচ্ছি। হঠাৎ মনে হল রুমে বৃষ্টি হচ্ছে। একটু পর খেয়াল করলাম, আসলে আমার ফোনের রিংটোন ই বৃষ্টির শব্দ ! ক্লান্ত চোখে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকালাম।
.
অবন্তী ফোন দিয়েছে ! প্রায় লাফ দিয়ে বসলাম .বিছানার ওপর। ও যদি জানতে পারে যে এতো বেলা পর্যন্ত ঘুমাচ্ছি, তবে আমার কপালে শনি আছে। তাই কন্ঠটা একটু পরিষ্কার করে রিসিভ করলাম। বললাম-
.
-হ্যা বাবু, বলো
.
-এতো দেরি হলো কেন রিসিভ করতে? ঘুমাচ্ছিলেন সাহেব?
.
-না আমি তো...
.
-থাক, মিথ্যা বলতে হবেনা। কন্ঠ শুনে বুঝেছি। একদম ৪টায় যদি রিভারভিউ এ না পাই,সত্যি বলছি খুন হবা তুমি। তোমায় খুন করে কাঁদতে পারব না, তাই ৪টায় ই আসবা।
.
-ওক্কে জান ! একদম ৩.৫৯ মিনিট এ আমায় রিভারভিউ এ পাবে।
.
-জানা আছে। আজ প্লিজ দেরি করোনা বাবুটা। প্লিজ বাবু।
.
-আচ্ছা বাবু।
.
আজ প্রায় ৪ সপ্তাহ পরে ও দেখা করতে চেয়েছে। এমনিতে ও খুব একটা দেখা করেনা। কিন্তু দেখা করার সময় দেরি হলে আমারর অবস্থা হয় ভয়াবহ। অবন্তীর কন্ঠ শুনে বুঝলাম, দেরি হলে আজ খুন হবার চান্স আছে, তাই সত্যিই ৪টার আগে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু দুপুরে ঘুমাতেই ৩.৪৫ বেজে গেল। তবুও তেমন কিছু হবেনা ভেবে আস্তে আস্তেই তৈরি হচ্ছিলাম।
.
আজ অবন্তীর প্রচন্ড অপছন্দ হলুদ পাঞ্জাবী পরেছি। হলুদ পাঞ্জাবী পরলে ও প্রচন্ড রেগে যায়। আর তখন ওর চোখগুলো আরও মায়াবী লাগে, যার প্রেমে আমি বারবার পড়ি।
.
হেডফোন কানে লাগিয়ে রাস্তায় হাটছি। হঠাত অবন্তীর ফোন-
.
-হ্যা জান, বলো।
.
-৪.১৫ বাজে। আমার কথার কোনোই দাম নাই তোমার কাছে?
.
-না মানে রিক্সা পাইনি। দৌড়ে আসছি এখন।
.
-রাজশাহীতে কোনো কালেই রিক্সার অভাব হয়না।
.
বলেই ফোন কেটে দিল অবন্তী। আমি বুঝে নিলাম, বেশ বড় একটা ধাক্কা আসবে আজ।
.
যখন রিভারভিউ তে পৌছলাম, দেখলাম মহারানী আমার অপেক্ষায় বসে আছেন। আমি একটা ফিছলা হাসি দিয়ে বসতে গেলাম। তখনই ঘটল দুর্ঘটনা। অবন্তী প্রায় চিৎকার করে বলল-
.
-ওঠ শয়তান, আজ সারাদিন তুই আমার সামনে দাড়িয়ে থাকবি।
.
আমি সম্পুর্ন হতাশ হলাম। কারন আজ অবন্তী তুই'করে বলেছে ! এর আগে যতবার এমন হয়েছে, আমি বসতে পারিনি, দাড়িয়ে থাকতে হয়েছে। তাই চুপচাপ দাড়িয়ে রইলাম।ও আবার বলল-
.
-ঐ এইডা কি পরেছেন স্যার, হ্যা? হিমু হতে চাও শয়তান? তুই আজ খুন হবি রে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now