বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ পাউলো কোয়েলো
অনুবাদকঃ অনুপ সাহা
প্রকাশনীঃ ঐশী পাবলিকেশন্স
পৃষ্টা সংখ্যাঃ ১২৪
মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০টাকা
অসাধারন একটা বই। বইটা থেকে
শিখার অনেক কিছু আছে। তবে বইয়ের
অনুবাদে কিছু প্রবলেম পরিলক্ষিত
হয়েছে। তবে নিঃসন্দেহে বইটা
পড়ে ফেলতে পারেন।
রিভিউঃ যুবকের নাম সান্টিয়াগো।
সে এক রাখাল ছেলে। মেষ চরানো
এবং তাদের নিয়ে ভ্রমন করাই তার
কাজ। তবে সে শিক্ষিত বই পড়তে
ভালবাসে এবং রাত্রিতে সেই
বইকেই বালিশ বানিয়ে ঘুমায়।
সান্টিয়াগোর পিতা মাতার স্বপ্ন
ছিল তাদের সন্তান পুরোহিত হবে
এবং সে জন্যই তাকে স্কুলে পাঠিয়ে
ল্যাটিন, স্প্যানিশ, ধর্মতত্ত্বের
শিক্ষা দিয়েছিল। তবে
সান্টিয়াগো ছোট থেকেই ঈশ্বর ও
মানুষের পাপ সম্পর্কে জানার চেয়ে
জগৎ জানার প্রতি বেশী আকর্ষন ছিল
তাই এক অপরাহ্নে সান্টিয়াগো তার
মা বাবাকে বলে সে পুরোহিত না
ভ্রমনকারী হবে আর তারই সূত্র ধরে আজ
সে হয়ে গেল শিক্ষিক রাখাল। সে
প্রতি রাত্রে একই স্বপ্ন দেখে
যেখানে সে দেখতে পায় একটা
ছোট বালক তাকে ধরে টেনে
মিশরের একটা যায়গায় নিয়ে যায়
এবং বলে এখানে গুপ্তধন আছে কিন্তু
যখনই ছোট বালকটা থাকে গুপ্তধনের
প্রধান যায়গাটাই নিতে চাই তখনই
তার স্বপ্ন ভেঙে যায়। একদিন সে এক
বুড়ির সন্ধান পায় যে কিনা স্বপ্নের
ব্যাখ্যা করতে পারে এবং সে বুড়ি
তার কাছে সেই গুপ্তধনের ১০ ভাগ
চেয়ে বসে তখন সান্টিয়াগো বুড়ির
কাছে থেকে ফিরে আসে।
পরবর্তীতে তার দেখা হয় এক বৃদ্ধের
সাথে যে নিজেকে সালেমের
রাজা ব্যক্ত করে এবং সে
সান্টিয়াগোর সম্পর্কে সব কিছু
জানে। সে সান্টিয়াগোর গুপ্তধন
সম্পর্কে জানে বলেও ব্যক্ত করে আর
তার সাথে সান্টিয়াগোর মেষ গুলির
দশমাংশ মেষ বৃদ্ধ ছেয়ে বসে, সে
বলে মেষগুলি দিলেই আমি
তোমাকে গুপ্তধন সম্পর্কে সম্পূর্ণ বলব।
পরেরদিন সে ৬টা মেষ নিয়ে আসে
বৃদ্ধের জন্য তারপর সান্টিয়াগো
জিজ্ঞেস করল তাহলে এখন আমার
গুপ্তধনের সঠিক স্থানটা বল? বৃদ্ধের
উত্তর ছিল মিশরে তখন সেন্টিয়াগো
বলল এটাতো আমিই জানি। তারপর বৃদ্ধ
বালক কে একটা কাহিনী শুনাল এবং
পরবর্তীতে ২টা পাথর দিল যা দিয়ে
সেন্টিয়াগো ভাল মন্দের বিচার
করে মিশরে পৌছতে পারবে।
পরবর্তীতে শুরু হয় তার মিশর ভ্রমন আর
তার সাথেই আলকেমিস্ট এর সাথে
সাক্ষাৎ হয় সান্টিয়াগোর, এভাবেই
এগোতে থাকে কাহিনী।
পরবর্তী বই রিভিউ "বাইতুল্লাহর মুসাফির"
লেখকঃ আবু তাহের মিছবাহ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now