বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিয়ে

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আলি এরশাদ (০ পয়েন্ট)

X ______________ বিয়ে ____________ . লেখক: আলি এরশাদ _____________ পর্ব: ৪র্থ___________ ঘারের নিকট দন্তের স্পর্শ পেতেই হঠাৎ মায়া জেগে উঠলো। .......এই দুষ্ট সারা রাত দুষ্টুমি করেও মন ভরেনি হু, .......তুমারে পেয়েছি সখি মনের অভিলাষে, অসময়ে অবেলায় তুমার আগমনে জীবনের টানাপোড়ন,। অকালের ভালোবাসা হৃদয়ে না আসে এই অভাগারে প্রিয় করিও মার্জন! ........বাহ গান্ডুস টা যে কবি তা যানতাম না; " মায়া খুব শক্ত করে আমায় জড়িয়ে ধরলো, আমিও মায়াকে বুকে চেপে ধরলাম, কোন এক অজানা কারনে আমার অশ্রুর বারি ধারা বর্ষিত হতে শুরু করলো,,, অশ্রুর ফোটা মায়ার উপর পরতেই মায়া আমার চোখের দিক তাকিয়ে নিজেও কান্না জুড়ে দিলো.... .........এই গান্ডুস কান্নার কি হলো, তুমার চোখের পানি আমি সহ্য করতে পারবনারে আমি তুমায় কোনদিন কষ্ট দিব না... আমি মনে মনে বললাম মায়া কুমিরের চোখের জল দেখে উতলা হয়ো না, এটা যে কুমিরের কান্না .......মায়া অনেক রাত হয়েছে এসো সোনা ঘুমিয়ে পড়ি এখন,,,, মায়া আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরলো,কিন্তু আমি ঘুমোতে পারলাম না আমি মনের সাথে নিয়তির সাথে যুদ্ধ করেই যাচ্ছি। বুকে যে নিষ্পাপ মেয়েটা জগতের সবচেয়ে সুখের আর নিরাপদ স্থান মনে করে ঘুমিয়ে আছে তার নিকট আমি যে মীর জাফর, ভয়ানক শত্রু সে হয়তো তা কোনদিন জানবেও না। চোখ বুঝি খুলা রাখতে পারছিনা ঘুম দেবতা চেপে বসল হয়তো...... সকাল সকাল মায়ার টানাটানিতে ঘুম ভাঙল। ......এই কুত্তা উঠো, বেলা হয়ে গেলো, নাস্তা করো এখনি... বের হবো আজ সারাদিন ঘূরপাক খাবো আমরা প্রেমের খেলায়, .......সোনাপাখি আরেকটু ঘুমোতে দেওনা, বিয়ের পরই অত্যাচার শুরু করে দিলে,,, .......হু রাতে যেমন কারো অত্যাচার সহ্য করতে হয় তেমন দিনে কেও আমার অত্যাচার সহ্য করবে .......এটা ঠিক না মায়া .......এটাই ঠিক,, উঠতে বলসি কিন্তু আমি!! ........আরে উঠছি . , এই কুত্তি আর কতো সময় লাগবে তুমার সাজতে এক ঘন্টা পার হয়ে গেলো,, .........তোতাপাখি আর একটু অপেক্ষা করো এই শেষ প্রায়,, রুম থেকে সেজে যখন মায়া বের হলো আমি যেন জগতের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীকে আমার সামনে দেখছি,, নীল রং এর শাড়ী,খোপায় রক্ত জবা ফুল গোজানো আর খোপার বেনী গাধা ফুলে মোরানো, যেন আমার ফুলকুমারী ........এই কেমন লাগছে আমায়? ........বোটানিক্যাল গার্ডেন! ........চুপ বেয়াদব . বাসা থেকে বের হয়ে মায়াকে নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাসে গেলাম। মুন্নী সরনী রাস্তার ধারে দীঘির পারে বসলাম। মায়া আমার কাধে মাথা রেখে হেলে পড়লো।। ........সৈকত জানো এই জায়গাটা আমার খুব প্রিয় এখানে আসিফ এর সাথে আমার প্রথম দেখা হয়.... ..........হুম্ম ভালো; " পিশাচ হয়েও মনুষ্য জাতির হিংসা কিভাবে ভেতরে প্রবেশ করলো বুঝতেই পারলাম না, হয়তো এ জন্যই আমাদের পিশাচ সমাজে ভালোবাসা পাপ" .......এই কুত্তা রাগ করলে, তোতাপাখি আর হবেনা তো, এই কান ধরছি!! মায়াকে বুকে জরিয়ে নিলাম, কেন নিলাম জানিনা........... , এভাবেই কেটে গেলো চারটি মাস, খুব সুখের মাঝে যে দিন কাটে তা খুবই দ্রুতগামী হয়। জানিনা এত সুখ কপালে সইবে কিনা। মোবাইলে ভূতের আসর পেইজ এর গল্প গুলো পড়ছি,হঠাৎ মায়া কাধে হাত রাখলো..... ..........সৈকত একটা কথা ছিল .......কি? ; "ভয় পেয়ে গেলাম,মায়া সব যেনে ফেললো নাতো"" .........সৈকত তুমি বাবুর আব্বু হবে!!!!! জগতের সমস্ত সুখ যেন আমাকে ঘিরে ধরেছে,মনে হচ্ছে দুনিয়াটা আমি পেয়ে গেলাম,মায়াকে কোলে উঠিয়ে ঘুরাতে লাগলাম....সবাই এরপর যেনে গেলো...সবাই খুব খুশি, এরপর সাতটি মাস কেটে গেলো আজ সকাল সকাল মায়ার প্রসব বেদনা জাগ্রত হলো,আমরা মায়াকে হাসপাতাল নিয়ে গেলাম। অপারেশন থিয়েটার এ ঢুকার আগে মায়া আমার হাত খুব শক্ত করে চেপে ধরল, ........সোনাপাখি ভয় পেওনা আমিতো আছি সব ঠিক হবে, .......আমার কিছু হলে তুমি আরেকটা বিয়ে করবে তাই না? ........এই কুত্তি কি সব ফালতু কথা বলছো!!তুমার থাকব আমি সারাজীবন . দুই ঘন্টা পর খবর আসলো আমার একটা ফুটফুটে ছেলে বাবু হয়েছে, নরমাল ডেলিভারি হয়েছে, মা এবং সন্তান দুজন সুস্থ আছে। কিছুক্ষন পর যখন মায়াকে বেডে নেয়া হলো আমি মায়ার কাছে গেলাম। কপালে চুমু দিলাম মায়ার এরপর বাবুকে কোলে নিলাম। হঠাৎ মনে হলো আমার বাবুটাও আমার মতো পিশাচ কিন্তু আমি তা চাই না। বাবুকে সবার আরালে নিয়ে আঙুলে কামর দিয়ে পিশাচের অস্তিত্ব ওর মাঝ থেকে তুলে নিলাম। আমার মতো যাতে আমার ছেলের ভাগ্য না হয়। এর একদিন পরই মায়াকে বাসায় আনা হলো, আমাদের বাবুর নাম রাখা হলো মাহিন।সুন্দর কাটছিল আমাদের দিনগুলো। একদিন আমি বারান্দায় বসে মাহিনের সাথে খেলা করছি পেছন থেকে কারো হাতের স্পর্শ অনুভব করলাম।পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখি আমার ছোট ভাই শাওন,,,,,,,, আমি ভয় পেয়ে গেলাম দেখে,,,,, .........ভয় করিস না ভাইয়া,বাবা কিছুই জানেনা তবে এখনি তোকে বাবার কাছে যেতে হবে বাবার হুকুম। পিতার আদেশ অমান্য করার সাহস আমার নেই। আমি মাহিন কে ঘরের ভিতর মায়ার কাছে দিয়ে শাওন এর সাথে বাবার কাছে আমাদের জগতে গেলাম। মায়া শাওন কে দেখতে পায়নি। ,জানিনা আবার মায়ার কাছে সন্তানের কাছে ফিরে আসতে পারবো কিনা!!!!!!,,,,,,,, , ___________চলবে___________


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিয়ে দর্শনের বিদ্যাপাঠ
→ মেয়েদের অতীত দেখেশুনে বিয়ে করবেন,সাবধান!!
→ ছোট গল্প বিয়ে
→ আমার বিয়ে
→ বিয়ে বাড়ির প্রেম
→ গেদি আপার বিয়ে
→ দ্বিতীয় বিয়ে
→ বিয়ে হয়েও হইলো না, বিয়ে!
→ ছোট মামার বিয়েতে!!
→ ভালবাসার বিয়ে।
→ জোর করে বিয়ে
→ "আমি তো বিয়েই করি নি"
→ ধর্ষণ রুখতে বিয়ে সহজ করুন, ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করুন : আজহারী
→ সাফার বিয়ে
→ ২২ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে না হলে মেয়েদের ৭ টি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now