বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এখানে আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে পাত্রীর পরিবার রানার সাথে তাকে বিয়ে দিচ্ছিল টাকার লোভে। না না পরিবার বলতে মা বা বাপ চাচারা না। দুঃসম্পর্কের মামারা।
.
উর্মীলা মাছের ভাজী করছে। তাছাড়া ফ্রিজে ফলমূল আছে খাবারের সমস্যা তাদের হয়না। রান্না শেষ করে আসিফকে ডাকতে এল উর্মীলা। আসিফ অবশ্য ফ্রেশ হয়েই আছে। আসিফকে টেবিলে খাবার বেরে দিয়ে উর্মীলা ভয়ে ভয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার ভয় হচ্চে ভাজী ঠিক করে হল কি না। একেবারে পুড়িয়ে ফেলেছে লাগছে উর্মীলার কাছে। আসিফ স্বাভাবিক ভাবেই খেয়ে নিল। উর্মীলা একটু হাতে কৈ মাছের টুকরো মুখে নিল। সে নিজেই ভাবতে পারছেনা এরকম বাজে কেউ রাঁধতে পারে? আর এই খাবার আসিফ প্রতিদিন খায় তবুও কোন ধরনের কথা বলেনা। মন খারাপ করে টেবিলে বসল উর্মীলা। আসিফ হাসছে। বলল ' মন খারাপ করার কি আছে? আজকে পারনি কালকে পারবা। যেটুকু হয়েছে এটুকুই অনেক। আমি তো তোমার ইন্টার্ভিউ নিয়ে বিয়ে করিনি। ' উর্মীলা জবাবহীন। কি বলবে বুঝতে পারছেনা। অবুঝ আর লজ্জা মিশ্রিত চাহনী দিয়ে তাকাল আসিফের দিকে। উর্মীলা বলল ' একটা কথা। এত বড় বাড়ি আর আমি একা থাকি আপনি যাওয়ার পর আমার ভয়ভয় করে ' আসিফ উর্মীলার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলল ' অফিস শেষ হলেই চলে আসব চিন্তা করনা। আর দুপুরে রান্না করে খেয়ে নিও আর ইচ্ছে না হলে ফ্রিজ থেকে কিছু খেয়ে নিও ' উর্মীলা মাথা নাড়াল।
.
আসিফ অফিস যাওয়ার পর উর্মীলার মন উদাস হয়ে যায়। মনে ভয় কাজ করে। যদি মামারা জেনে যায় তাহলে একটা গণ্ডগোল বাঁধবে। সে বাসার রুমগুলো হেঁটে দেখছে। না সে প্রথমবার দেখছেনা। প্রতিদিনই দেখছে তবুও তার কাছে বাসার প্রতিটা রুম নতুন করে আপন মনে হয়। দক্ষিণ দিকের দেয়ালে একটা ছবি টানানো বড় করে। এর আগে উর্মীলা খেয়াল করেনি। কোন পাঁচ ছয় বছরের বাচ্চার ছবি। উর্মীলা সেই কখন থেকে দেখছে ছবিটা তবুও কেন যেন ছবিটা থেকে চোখ সরছেনা। না এটা আসিফের ছবি না। আসিফের বাবার ছবি। ছবির নিচে দেয়া ছবি তোলার তারিখ দেখে বুঝতে পারল উর্মীলা। অনেক আগের ছবি নতুন করে বাঁধানো। উর্মীলা কখনো আসিফের কাছে তার পরিবার সম্পর্কে জানতে চায়নি। আসলে আসিফ মানা করে দিয়েছে একমাত্র পরিবার সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারবেনা একটাই আজীবনের জন্য শর্ত। তার অনেক জানতে ইচ্ছে করে কিন্তু কি আর করা।
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now