বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিস্ময়কর রাজপুত্র সাফায়্যার– (চতুর্থ পর্ব)

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X সে নিজে কেন বড়শি পাতে না ? : সে বসে থাকতে পারে না। অসু¯থ। পিঠে ব্যথা হয়। আমি তাকে আর্থিক সাহায্য করেছি। এরপর থেকে রিকশিম করবে। রাজা পাশের কক্ষ থেকে সব কথা শুনেছেন। তাদের কাছে এসে রানীকে বললেন, ও যা করেছে ঠিকই করেছে। ওকে উৎসাহ দাও। : জি আচ্ছা, মহারাজ। সাফায়্যার খুব খুশি হল। পরের দিন পাঠশালায় যাওয়ার সময় রানী সাফায়্যারকে বললেন, তুমি তো কথা দিয়ে রাখলে না। তুমি বলেছিলে যে তুমি আর কাউকে সাহায্য করবে না। : আমাকে মাফ করবেন, মাতাজি। অত অল্প সময়ের মধ্যে সেটা চিন্তা করাও সম্ভবপর ছিল না। সাহায্য বলতে আমরা যা বুঝি তা হল ঐ লোকের স্ত্রীকে কবিরাজ দেখানো। সেটা তো আমি রিকশিমকে করতে বলেছি। আপনি আশীর্বাদ করবেন, মাতাজি, আমরা যেন সারা জীবন মানুষের উপকার করতে পারি। রানী কিছুই বললেন না। সাফায়্যার বলল, আমাকে হাসিমুখে বিদায় দিন, মাতাজি। নইলে যে আমার অকল্যাণ হবে। রানীহাসিমুখে বললেন, সাফায়্যার, আমার দুই পুত্র। এক পুত্রের গুনগান প্রজাদের মুখে মুখে। আর এক পুত্রের নাম কেউ জানেও না। মাতা হিসেবে আমার কি মন খারাপ হতে পারে না ? : আপনি কোনো চিন্তা করবেন না, মাতাজি। রিকশিম একদিন অনেক সুনাম আর সম্মান কুড়োবে। আমি ওকে পরামর্শ দেব, মাতাজি। সবাই আমারপ্রশংসা করবে ; ওরটা করবে না সেটা আমারও ভালো লাগে না। আমি সত্যি বলছি। রানী হাসিমুখে সাফায়্যারকে বিদায় দিলেন। রানীআছেন মহাজ্বালায়, কইতেও পারেন না, সইতেও পারেন না। তিনি ভাবেন, সাফায়্যাররাজপুত্র হিসেবে সুনাম কুড়োতে চায়, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। ওকে অন্যরাজ্যে পাঠিয়ে দিলে চুপচাপ পড়াশোনা করবে, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে সাহস পাবে না। তিনি এক দিন রাজাকে বললেন, সাফায়্যার অনেক মেধাবী, অনেক বুদ্ধিমান। ওকে এখন পড়াশোনার জন্য কোনো উন্নত রাজ্যে পাঠানো দরকার। ভ্রমনে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়ে। সাফায়্যার বড় হয়ে একটার পর একটা রাজ্য জয় করতে পারবে। : পড়াশোনার জন্য যখন অন্য রাজ্যে যাবেই তখন দুজনকে একত্রেই পাঠাব। : দুজন একত্রে গেলে আমরা থাকব কী করে ? রাজমহল খা খা করবে। তার চেয়ে সাফায়্যার পড়ে আসুক। তার পরে রিকশিম যাবে। : ভ্রমনে বের হওয়ার বয়স ওর এখনো হয়নি। আর একটু বড় হোক। এখানকার পাঠশালায় যে পর্যন্ত পড়ানো হয় সে পর্যন্ত পড়–ক। এখান থেকে নিয়ে গেলে ওস্তাদরা দুঃখ পাবেন। রানী সেদিন আর কথা বাড়াননি। তিনি জানেন, রাজা যা বলেন ভেবে-চিন্তেই বলেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করেন। তিনি সাফায়্যারকে সব সময় অন্য রাজ্যে গিয়ে পড়াশোনা করার উপকারিতা সর্ম্পকে বোঝাতে লাগলেন। সাফায়্যার এক দিন বলল, আমি দূরে থাকলে আপনার কষ্ট হবে না, মাতাজি ? : হবে, বাছা, অনেক কষ্ট হবে তবুও আমি চাই, তুমি অনেক পড়াশোনা কর, অনেক বড় মাপের মানুষ হও। : বড় মাপের মানুষ কী, মাতাজি ? : যে অনেক বড় মনের মানুষ। : বড় মনের মানুষ হতে হলে অনেক পড়াশোনা করতে হবে কেন ? : জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়বে। : আমার জ্ঞান-বুদ্ধি নেই ? : আছে কিন্তু তুমি তো অনেক ছোট। তুমি বুঝতে পার না কোনটা তোমার জন্য ভালো আর কোনটা তোমার জন্য খারাপ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিস্ময়কর রাজপুত্র সাফায়্যার– (চতুর্থ পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now