বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশ্বজুড়ে নারী

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X বিশ্বজুড়ে নারী কিংবা অভিবাসী বিষয়ে সমালোচিত বা কুখ্যাত হলেও আইএস বিষয়ে তাঁর পদক্ষেপ স্পষ্ট। তি নি রাশিয়ার ওপর এই বৈশ্বিক শত্রু নির্মূলের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান। ওবামা সরকারের কাছে আইএস নির্মূলের চেয়ে কার্যত সিরিয়া থেকে আসাদ সরকার বিদায়ের বিষয়টিই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আসাদবিরোধীদের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে প্রশিক্ষিত করে তুলতে ২০১৪ সালের জুনের মধ্যে কংগ্রেসের কাছে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চেয়েছিলেন। এই ঘোষণার ছয় মাসের মাথায় তাঁরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ বাইডেন স্বীকার  করেন যে আসাদবিরোধী শক্তিগুলো আসলে আইএস ও আল-নুসরা দ্বারা পরিচালিত। ২০১৪ সালের গ্রীষ্মে আইএসের মসুল দখলের আগে, ইউরোপীয় বিমান তাদের বাগদাদযাত্রা বন্ধ করে দেয়। কারণ, তাদের ভয় ছিল যে জঙ্গিগোষ্ঠীর হাতে বিমানবিধ্বংসী মিসাইল আছে, যা আসাদবিরোধীদের দেওয়া হয়েছিল। ওবামা চরমপন্থী আইএসের বিরোধিতা করলেও তাঁর সময়েই আইএসের উত্থান ও বিস্তার হয়। অপর দিকে ট্রাম্পের কাছে সিরিয়া যুদ্ধে মার্কিন সম্পৃক্ততার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাঁর মতে, আসাদকে অপসারণ করে ভিন্ন কোনো সরকারকে ক্ষমতায় বসানো সমস্যার সমাধান নয়। কারণ, নতুন সেই সরকার যে মার্কিন মিত্র হবে তা বলা সম্ভব নয়। উল্টোটাও হতে পারে। সিরিয়ার পরিণতি ইরাক, লিবিয়া বা মিসরের মতোও হতে পারে। তাই তিনি এই যুদ্ধে আর কোনো ধরনের বিনিয়োগের পক্ষপাতী নন। এমনকি তিনি ক্ষমতায় আসার পর, জানুয়ারিতে সিরিয়াসংকট সমাধানে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উচ্চপদস্থ কাউকে পাঠাননি। কাজাখস্তানের মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।   ইরাকি বাহিনী মসুলের পূর্বাঞ্চল থেকে আইএস বিতাড়িত করার পর এখন পশ্চিমে অগ্রসর হচ্ছে। বিপদের দিক হচ্ছে, ওই সব অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক জনগোষ্ঠী রয়েছে। আইএসের দখল করা ইরাকি অঞ্চলগুলো মুক্ত করাই কেবল এই যুদ্ধের বিজয় নয়। বিপদ হচ্ছে আইএস আদর্শে যারা উদ্বুদ্ধ হয়েছে, যারা নিজেদের বা মুসলমানদের ওপর বিশ্বব্যাপী ঘটে যাওয়া অন্যায়-অবিচার ও নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং তারা প্রতিশোধের আগুনে পুড়ছে। এরা সামরিক অস্ত্র ব্যবহার ও রণকৌশলে পারদর্শী এবং তারা ছড়িয়ে আছে বিশ্বজুড়ে। আইএস তাদের নৃশংসতার জানান দিতে যে ভিডিও বার্তা ছাড়ে, তাতে ২১ জন মিসরীয় খ্রিষ্টানের শিরশ্ছেদের চিত্র ছিল। এই মিসরীয়রা ছিল কমলা রঙের জাম্পস্যুট পরা ও পেছনে কয়েদিদের মতো হাত বাঁধা। এমনই কমলা রঙের জাম্পস্যুট পরা ও হাত বাঁধা কয়েদিদের ওপর আমেরিকানদের নির্মম অত্যাচারের ছবি দেখা গেছে ২০০৪ সালে। এই আবু গারাইবের অত্যাচারিত বন্দীদের কথা ভুলে গেলে বা উপেক্ষা করলে আইএসের উদ্দেশ্য ও নৃশংসতা সম্পর্কে বোঝা যাবে না। আইএসের অনেকেই আবু গারাইব  বা ক্যাম্প বুকা থেকে মুক্তি পাওয়া বন্দী। বলা যায়, ক্যাম্প বুকায় আমেরিকার চোখের সামনে বন্দীরা আইএসের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। একই জায়গায় চরমপন্থী ও সাধারণ বন্দীদের রাখা হয়েছিল। এই ক্যাম্পেই বাগদাদি আটক ছিলেন, ছাড়া পাওয়ার পর তিনি তাঁর ক্যাম্পের সহযোগীদের দলে ভেড়ান।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিশ্বজুড়ে নারী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now