বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তখনও আমারে মাইয়া মানুষ ঠিক কওন যায়না। বয়স আর কত হইব। আমরা গেরামের মানুষরা তো এত বয়সের হিসাব রাখিনা। তাও মায় বাইচা থাকলে হয়ত রাখত। কিন্তু মা তো মইরা গেছে জন্মের সময়ই। পরে দাদীর কাছে গপ্ হুনসি। পুরা বিছানা ঘর নাকি রক্তে ভাইসা গেসিল। খুব কষ্ট পাইসিল মায়। আমাগো গেরামের থেইকা গন্জের হাসপাতাল বহুত দুরে আছিল। যখন দাই বুঝবার পারছিল যে মার অবস্থা ভালো না তখন বাপরে কইসিল হাসপাতালে নিতে। ভ্যান যোগাড় কইরা হাসপাতালে নিতে নিতে নাকি আমি হইয়া গেসিলাম। আর মা রাস্তার মধ্যেই মইরা গেছিল। সবই মাইনষের মুখে শুনছি। মায়ের একটা ছবি আছে আমার কাছে। কি সুন্দর চেহারা। কি সুন্দর গায়ের রং। আহহারে যদি বাইচা থাকত।
মা মরনের এক মাস পর বাপে আবার বিয়া করসিল। কইসিল নাকি এত ছোড বাচ্চা কেমনে মানুষ করব তাই বিয়া করতে হইব। হায়রে পুরুষ মানুষ। বাচ্চা মানুষ করবার লেইগা নাকি বিয়া করা লাগে। কিয়ের লেইগা যে লাগে তা তো অখন বুঝি। দাদী আমার আছিল বুড়া। এমনে মানুষ ভালো থাকলেও বেশি কাম করতে পারত না। তয় আমারে আগলায় রাখছিল। একদম ছুড বেলার কথা তো মনে নাই কিন্তু যখন একটু বড় হইসিলাম তখন দেখতাম সৎ মা খালি ছুতা খুঁজত আমারে মারার লেইগা আর দাদী আমারে বাচাইত। বুড়ি না বাচাইলে আমি তো গুড়া হইয়া যাইতাম।
আমার সৎমা দেখতে বহুত সুন্দর আছিল। আমি নাকি হ্যার চেয়েও সুন্দর আছিলাম । এইডা মনে হয় তার সহ্য হইত না। সবসময় আমার ময়লা কাপড় পড়ায় রাখত। দাদীর যন্ত্রণায় না খাওয়াইয়া রাখতে পারে নাই। কিন্তু সুযোগ পাইলেই বাসি খাওন দিত। গন্ধ হইয়া যাইত ঐ খাওন। রাইতে আমি ঘুমাইতাম দাদীর লগে। দাদী আমারে কইত, 'মায় মরলে বাপ খালু হইয়া যায় বুঝছস। হারামজাদা টসটসা বৌ পাইয়া মাইয়ার দিকে ফিরাও চায়না। 'আমার বাপ যে খালু হইয়া গেছে তা তো আমি টের পাইতাম। কুনদিন বাড়ি ফিরা আমার কতা জিগায় নাই। আর সৎ মা যা কইত সব চোখ মুইদা মাইনা নিত। দাদীর মতই অখন কইতে মন চায় হারামজাদা ।
যখন আমার বয়স আন্দাজ আট তখন একদিন সকালে আমার দাদী পট কইরা মইরা গেল। আমার পুরা পৃথিবীই য্যান আন্ধার হয়া গেল। এত ছুড থাকার পরেও বুঝলাম আমারে বাচানের আর কেউ নাই। তদ্দিনে সৎ মায়ের ঘরে একটা পুলা হইসিল। আমার কিন্তু ভাইডারে ভালোই লাগত। ফরশা টকটকা গাল। কি সুন্দর। পুরা শরীর ধবধবা খালি প্যাডের কাছে বিরাট একটা কালা দাগ। এইডারে নাকি জন্মদাগ কয়। কি মজা লাগত দেখতে।তিন বছর বয়স তখন ওর। আমারে ডাকত আপা। ওরে আমি অনেক আদর করতাম। অখনও ওর কথা মনে হইলে বুকটা টনটন করে। আমার সৎ মায় আমারে মারত, দুইন্যার কাম করাইত কিন্তু আমার ছুড ভাইডার উপর কুনো সময় রাগ হয় নাই । মাসুম বাচ্চার উপর রাগ করুম কিয়ের লেইগা। দুপুরে সৎ মায় যখন ঘুমাইত তখন আমরা দুইজন মিলা খেলতাম। ওরে গপ্ শুনাইতাম। দিনের ঐ সময়টা খুব ভালা লাগত আমার।
ঐ দিনডা যে ক্যান আইছিল। ক্যান। আল্লাহ পাকের কাছে অখনও আমি জানতে চাই। দাদী মরনের দুই বছর পার হইছে তখন। বাপ মায় যতই যন্তরনা দেইক আমার ভাই লিটন আমারে খুব ভালা পাইত। মারে ভয় পাইত দেইখা কিছু কইতে না পারলেও ও আমার জন্য মুরগীর রানটা, বড় মিষ্টিটা লুকায় রাখত। আর কইত, বুবু আমি যখন বড় হমু তখন তোমারে কেউ কিছু কইতে পারব না। আহারে ভাইডা আমার।
ঐদিন দুপুর বেলা আমি আর লিটন সৎ মা ঘুমাইলে গেছিলাম বসুদের আম বাগানে। তখন জৈষ্ঠ মাস । পাকা আমের গন্ধে নিশা নিশা লাগে। অল্পক্ষনেই আমরা দুই ভাইবোন আম খায়া প্যাট ভইরা ফালাইসি। তারপর ভাবলাম মা বাপের লেইগা অল্প লইয়া যাই।আমি উঠলাম গাছে আর লিটন দাড়াইল নিচে। আমি উপর থিকা একটার পর একটা আম ফেলতেসি আর লিটন নিতেসে। এত আম দেইখা আমার মাথা খারাপ। হঠাৎ শুনি বুবু বইলা চিক্কুর। নিচে তাকায় দেখি লিটনের পায়ের পাশ দিয়া একটা সাপ চইলা যাইতেসে আর ভাই আমার পা চাইপা ধইরা মাটিতে শুইয়া আছে। আমি পাগলের মত গাছ থেইকা নাইমা ওর কাছে গেসি। ব্যথায় চিক্কুর পাড়তেসে আমার ভাই। মাথা আমার তখন আউলা। আমি আমার ওড়নাডা দিয়া ওর পায়ে বান দিলাম। ওরে কইলাম, ভাই তুই একটু থাক আমি খবর দিয়া আসি। দৌড়াইতে দৌড়াইতে বাড়িত আইয়া খবর দিলাম । এরপর আমার কি যে হইল। কি যে হইল। আমার মনে হইল লিটন আর নাই। আমি একছুটে বাড়ি থেইকা বাইর হইলাম। সেই যে বাইর হইলাম আর বাড়ি ফিরি নাই। আর অখন তো কিছুই মনে নাই যে বাড়ি কই আছিল।
যাউকগা আমার কপাল । বড় রাস্তায় আইসা একটা বাসে উইঠা বসছিলাম। কানতে কানতে কখন যে ঘুমায় পড়ছিলাম জানিনা। যখন ঘুম ভাঙ্গল তখন দেখি চারপাশে ঘুটঘুটা আন্ধার। আশেপাশে কেউ নাই। ভয়ে ভয়ে বাস থিকা নামছিলাম। বুকটা লিটনের জন্য কেমন যে করতাছিল। ইচ্ছা করতাছিল বাড়ি ফিরা যাই কিন্তু কেমনে যামু বুঝতে পারতেছিলাম না। কিছুদুর হাটবার পর হঠাৎ শুনি কয়ডা ব্যাডা কইতেসে, ঐ ধর ধর। আমি দৌড় দিসিলাম কিন্তু বুঝতে পারি নাই সেদিনই পরী মইরা গেছে।
যখন জ্ঞান ফিরছিল তখন দেখলাম আমি একটা ছোট ঘরে আটকা। সারাদিন কেউ আইল না। ভয়ে , ক্ষিদায় আমি শেষ।এরপর রাতের দিকে ইয়া মোডা হাতির লাহান এক বেডি আইয়া আমারে খাবার দিল। আমি তখনও বুঝবার পারি নাই আমি কই আইয়া পড়ছি। বেডি খালি আমারে কইল, তাগো কথা মত চললে ভালো থাকুম নাইলে নাকি এত খারাপ থাকুম যে জীবনেও ভাববার পারি নাই । আমি কিছু না কইয়া চুপচাপ খাইয়া লইসিলাম। এমনে তিনদিন ঐ ঘরে বন্দী আছিলাম। এরপর আমারে সুগন্ধি সাবান দিয়া গোসল করাইয়া নতুন জামাকাপড় পরাইল। আমি এট্টু অবাকই হইসিলাম।
রাতে খায়াদায়া ঘুমায়া পড়ছিলাম। হঠাৎ ঘরের মইধ্যে আওয়াজে ঘুম ভাইঙ্গা গেছিল। চাইয়া দেহি ঘরের মইধ্যে এক ব্যাডা ঢুকসে আমার বাপের বয়সী। কি গন্ধ ব্যাডার গায়ে। আমি লাফ দিয়া বিছানা থেইকা নাইমা গেছিলাম।ব্যাডা দেখি হাসতে হাসতে ল্যাংটা হইয়া আমার কাছে আইতেসে। পুরা ঘর ভইরা দৌড়াইছিলাম আমি। কিন্তু বাঁচতে পারি নাইগো। ঐ রাইতে যত কানছি এত কান্দন মনে হয় সৎ মায়ের মাইর খাইয়াও কান্দি নাই।
যাক বহুত দিন হইয়া গেছে। নিজের কপাল মাইনা নিসি আমি। না মাইনা কি করতাম। অখন এই বেশ্যা বাড়িতে আমি হইলাম সবচেয়ে প্রিয় সব কাস্টোমারের। আমার লইয়া কাড়াকাড়ি পরে । পড়ব না ক্যান।আমার মতন গায়ের রং , লাল ঠোঁট, সুন্দর বুক আর কারও আছে নাকি। অন্য মাগীগুলা জইলা পুইড়া মরে আর আমি মনে মনে হাসি।জ্বলুক আমার কি। পারলে আমার মতন সুন্দর হইয়া দেখা। কিছু আছে আমার বান্ধা কাস্টোমার আবার কিছু আসে নতুন। যে আমার কাছে একবার আসে আর অন্য কারো কাছে যাইবার চায়না। কিন্তু আমিও আবার সবসময় সবার লগে যাইনা। মানে এট্টু দাম বাড়াই।
আশেপাশের সব মাগী পেট বান্ধাইসে আবার খালাস ও করসে। আমি অখন পর্যন্ত বান্ধাই নাই। আমার জীবন নিয়া আমার আর কোন আফসোস নাই । কি করুম আফসোস কইরা। এই যে আইজকা নতুন কাস্টোমার আইব। কতদিন ধইরা ঘুরতাসে আমার লগে বইবার লেইগা । আমি সময় দিতে পারি নাই। আইজ কা দিসি। এত দাম আমারে কে দিত বাইরে। যাউকগা অখন রেডি হইতে হইব। ব্যাডা আসবার সময় হইসে। লাল ব্লাউজটা পরুম আইজকা। গলাটা বেশ বড়। অনেক ভিতরে দ্যাখো যায়। যে কোন পুরুষ মানুষের মাথা নষ্ট করবার পারে। আর আমার গায়ের রংয়ে লাল রং অনেক ভালা লাগে। স্টার পেলাসের এক নাইকারে দেইখা বানাইসিলাম।
রেডি হইয়া বইয়া রইসি। দরজায় আওয়াজ শুইনা বিছনায় হেলান দিয়া বইলাম। নয়া কাস্টোমার। ব্যাডায় মনে হয় এই কামে নতুন। ভালা হইসে যারা নতুন থাকে হ্যারা বেশি জ্বালায় না। পুরান হইলেই এইডা কর ঐডা কর। ধুত্তোর একেক নকড়াবাজি।
- দরজাডা লাগায় দ্যান, মিহি সুরে বলি আমি।
ব্যাডায় দরজা আস্তে কইরা লাগায়। বয়স তো বেশি না। ঠিক ঠাহর করতে পারিনা। বিছনা থেইকা উঠতে গিয়া আচলডা ফালায় দিলাম। ব্যাডা দেহি চোখ তুইলা চাইতে পারেনা। আরে ব্যাডা দ্যাখ। এমন জিনিস জীবনে দ্যাখসস?আমিই আগায় গিয়া হাত ধইরা লইয়া আসি। নানা কথাবার্তা কই। ব্যাডায় বেশি কথা কয়না।খালি ইতিউতি চায়। কি বিপদ। এ দেহি পুরাই বলদ।
এত সময় তো আমি দিবার পারুম না। আমার অন্য কাস্টোমার ও আছে।
- বাত্তি জ্বালান থাকব?
ব্যাডা মাথা নাইড়া হ কয়। ইস এমনে শরমের শেষ নাই আবার বাত্তি জ্বালায় রাখব।মিজাজটা এমুন খিচড়ায়।
- বেলাউজ খুলমু?
ব্যাডা এইবার চোখ তুইলা তাকায় । আমার বুকডা ক্যান জানি ধ্বক কইরা উঠে। বুঝবার পারিনা কিয়ের লেইগা।কি জানি মনে পড়বার চাইয়াও পড়েনা।
- আফনে আগে শার্ট খুলেন।
ব্যাডা আস্তে আস্তে দাড়ায় শার্ট টা খুলে। আমি ব্লাউজের হুকে হাত দিয়াও আটকায় যাই। ব্যাডা পুরা ধবধবা সাদা শুধু প্যাডের কাছে একটা কালা দাগ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now