বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের কথা। সে সময় স্বাধীনতা আন্দোলনের দলে সর্বকনিষ্ঠ যিনি ছিলেন, তিনি বিপ্লবী নেতা ক্ষুদিরাম বসু। ১৮৮৯ সালের ৩রা ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত মেদিনীপুর জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মা লক্ষীপ্রিয় দেবী-এর দুই পুত্র আগেই মৃত্যুবরণ করায়, তিনি ক্ষুদিরাম বসুকে তখনকার সমাজের নিয়ম অনুযায়ী তার বড় বোনের কাছে তিন মুঠি খুদের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। খুদের বিনিময়ে ক্রয়কৃত হওয়ার কারণেই পরবর্তীকালে তাঁর নাম হয়ে যায় ‘ক্ষুদিরাম’। অপ্রাপ্ত বয়সেই ক্ষুদিরাম তৎকালীন বিপ্লবী দলগুলোর সাথে গোপন পরিকল্পনা করেন, এমনকি বিপ্লবে যোগদানও করেন। মেদিনীপুরেই মূলত তাঁর বিপ্লবী জীবনের অভিষেক হয়।
১৯০২ সালে মেদিনীপুরে গড়ে ওঠা একটি গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠনে তিনি যোগদান করেন। ব্রিটিশবিরোধীদের এই সংগঠনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬ বছর বয়সে ক্ষুদিরাম ইংরেজ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে পুলিশ স্টেশনের কাছে বোমা পুঁতে রাখেন। একের পর এক বোমা হামলার দায়ে তাকে আটক করা হয়। শুধু তাই-ই নয়, বোমা ছুঁড়ে তিনজনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ক্ষুদিরামের বিচার শুরু হয় ১৯০৮ সালের ২১শে মে। তবে রায় শোনার পরে ক্ষুদিরামের মুখে হাসি দেখা যায়। এমনকি তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময়ও তিনি হাসিমুখেই ছিলেন। ১৯০৮ সালের ১১ই আগস্ট ভোর ছয়টায় সাহসী এই নেতার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর ৭ মাস ১১ দিন। (১১ আগস্ট ১৯০৮)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now