বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
বিদঘুটে নিকৃষ্ট
"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান rk rayhan (০ পয়েন্ট)
X
#প্রথম_পর্ব
টিভিতে একটা ব্রেকিং নিউজ দেখে আঁতকে উঠে ফাহাদ!
কারন নিউজটার হেডলাইন ছিলোঃ "চারবন্ধুকে নিজের বাসায় ডেকে এনে নৃশংসভাবে ৩ জনকে হত্যা করেছে পাষন্ড এক যুবক। একজন গুরুতর আহত!"
টিভির স্ক্রিনের ইনসেটে খুনির ছবি দেখে আঁতকে উঠে ফাহাদ! আরে যে ছেলেটাকে খুনি বলা হচ্ছে সে ছেলেটা তারই ফ্রেন্ড রাজকুমার। আর যারা খুন হয়েছে তাদের নাম মিলি, সাইয়ান, রুহি ও জিসান। তাদের নাম টিভির স্ক্রিনে ভেসে উঠতেই ফাহাদের চিনতে মোটেও ভুল হয়নি। কারন তারাও ফাহাদের ভার্সিটির স্টুডেন্ট এবং একই ব্যাচের। ভয়ে শিউরে উঠে ফাহাদ! কারন ঘটনার দিন রাতে ফাহাদ রাজকুমারের সাথেই ছিলো এমনকি রাজকুমারের বাসায় যেতে চাইছিলো একটা নোটের জন্যে কিন্তু সে যায়নি কারন রাজকুমার তখন ফাহাদকে বলেছিলো আজকে ভালো লাগছে নাহ তুই তোর বাসায় চলে যা কালকে ক্লাসে নোট দিয়ে যাবোনে। তাই আর রাজকুমারের বাসায় যাওয়া হয়নি ফাহাদের।
টিভিতে নিউজ দেখে ফাহাদের ভাবনা বাড়তেই থাকে সে যদি ওদের বাড়িতে ডেকে এনে মারতে পারে তাহলে ফাহাদ কে কেনো মারলো নাহ! কেনোইবা সামান্য অজুহাত দেখিয়ে আমায় বিদায় করে দিলো? নাকি আমায় মারার প্ল্যান সফল হবে না বলে বিদায় করে দিলো?? ভাবতে ভাবতে ফাহাদ এর মনে হাজারটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিলো যার কোনো সুরাহাই করতে পারলো নাহ সে।
ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলো ফাহাদ হয়তো সব কিছু মাথা থেকে ঝাড়তে কিংবা ঘটনার বিস্তারিত কিছু জানা যায় কিনা সেজন্যে!
ক্যান্টিনের পাস দিয়েই যাচ্ছিলো ফাহাদ। ফাহাদ কে দেখেই ক্যান্টিনের মালিক জমির ভাই ডাক দিলো ফাহাদ কে! ফাহাদের সাথে জমির ভাইয়ের সখ্যতা রাজকুমারই মাধ্যমেই গড়ে উঠে। রাজকুমার আর জমির ভাইয়ের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়াতে। সে সুবাদে জমির ভাই রাজকুমারকে ফ্রিতেই খাওতাইতো। ছোট ভাইয়ের মতোই দেখতো ওরে।
যাইহোক জমির ভাই রাজকুমারের প্রসঙ্গ তুললে ফাহাদ জমির ভাইকে বলে আমি বেঁচে গেছিরে ভাই নাহলে সাইকোটা আমাকেও মেরে ফেলতো!
জমির ভাই ফিক করে হেসে দিয়ে বললো "তোমায় মারলে তো ওগো লগেই মারতো মিয়া সামান্য অজুহাত দেখিয়ে তোমায় বিদায় করতো নাকি?? এই চিনলা মিয়া রাজকুমারকে?"
ফাহাদ ভাবনায় পড়ে গেলো জমির ভাই জানে কেমনে রাতের কথা?
এই প্রশ্নটা জমির ভাইকে করার আগেই জমির ভাই ফাহাদের উদ্দেশ্যে বলে "কি মিয়া ভাবনায় পইড়া গেলা নাকি? আরে রাজকুমার ঘটনার পর রাতেই আমার কাছে আইছিলো কিছু নোট নিয়া এইগুলো তোমায় দিতে বলছে এর লাইগাই তোমায় ডাকছি মিয়া! আর হুনো ওর কথায় যা বুঝলাম ওর বেস্ট ফ্রেন্ড বলতে তুমিই ছিলা নাকি আর তুমি মিয়া আজ এই কথা কও! এই নাও রাখো এইগুলা"
ফাহাদ ওখান থেকে বেরিয়ে আসছে...
আর জমির ভাই আপন মনে তার কাজ করছে আর বিড়বিড় করে বলতেছে "পোলাডারে কত্তো কইরা কইলাম ভাইগা যা! ভাইগা যাহ! হুনলো নাহ!!"
ফাহাদ বেরিয়ে এতোক্ষনে বাসায় আসলো ভেতরটা তার ফেটে যায় যায় অবস্থা নোট গুলো আর খোলে দেখার সাহস হলো নাহ!
আসল সত্যিটা কি সেটা ভাবতেই চোখ আন্ধার হয়ে যাচ্ছে ফাহাদের...
আসল সত্য কি বিস্তারিত জানার জন্যে রাজকুমারের সাথে দেখা করে সে। রাজকুমারকে দেখেই কৌতুহলি হয়ে ওর দিকে তাকায় সে...
রাজকুমার তখন মুচকি হাসি দিয়ে ফাহাদ কে বলে "দোস্ত জানি হয়তো খারাপ ভাবছিস আমায়, জানি তোর মনে হাজারটা প্রশ্ন কেনো আমি এসব করলাম?? তোর সবকয়টা প্রশ্নের উত্তর আমি দিয়ে রেখেছি জমির ভাইয়ের কাছে রাখা ডায়রিতে"
ফাহাদ তখনি বুঝতে পারে ঐ নোটগুলার সাথে একটি ডায়রিও ছিলো সেটা ও বুঝতেই পারেনি!
রাজকুমারের সাথে দেখা শেষ করে বাসায় ফিরেই ডায়রিটা খোঁজে বের করেই পড়তে শুরু করে দেয়.....
#চলবে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now