বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটি একটা লাশের সাথে।একরাতে আমাদের গ্রামের মতিন মিয়া যাত্রী নিয়ে রিক্সা চালাচ্ছেন।যখন শ্রীপুরের কাছককাছি চলে এসেছে তখন নাকি তিনি ও তার যাত্রী দেখতে পেল রাস্তায় একজন লোক শুয়ে আছে।তখন তিনি রিক্সা থামিয়ে দেন।তখন রিক্সায় থাকা যাত্রী নেমে মানুষটার কাছে গিয়ে দেখল সে মৃত।তখন তিনি লাশটার মুখ থেকে কাপড় সরান এবং দেখেন লাশটার দুচোখ নেই।চোখ থেকে রক্ত পড়ছে।দেখে মনে হয় স্মপ্রীতি তার চোখ কে যেন তুলে ফেলেছে।তিনি একটু ভয় পেলেন। তখন মতিন ভাইকে বললেন লাশটাকে রিক্সায় করে নিয়ে মসজিদে নিয়ে ইমাম সাহেবকে ডেকে দাফন কাফনের ব্যবস্থা করতে।মতিন ভাই রাজি হননি।তিনি বললেন তারা ভাড়া দিয়ে দিতে।তখন যাত্রী বলল তোমাকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে আরো ১০০ টাকা বেশি দেব।তখন মতিন ভাই রাজি হলেন।কিন্ত একটা শর্ত দিলেন যে লাশটা তিনি উঠাতে পারবেন না।যাত্রী এই শর্ত মেনে নিল।যখন তিনি লাশের কাপড় সরিয়ে লাশটাকে উঠাতে যাবেন তখন তিনি দেখেন লাশটার শরীরে খুব বড় বড় একেকটা পশম।যা মানুষের পশম নয় মনে হয় যেন ভেড়ার পশম।তিনি ভয়ে চিৎকার করেন।মতিন ভাইও ভয়ে দৌড় মারেন।পরদিন মতিন ভাই সবাইকে সব খুলে বললেন।তখন সবাই সেই জায়গায় গেল গিয়ে দেখেন তার রিক্সা সেখানে রয়েছে।কিন্ত তার যাত্রী কোথায় গেল।মতিন ভাই দেখেন লাশটাও নেই।তখন তাদের মধ্যে একজন চিৎকার করে ভয়ে কাদতে লাগলেন।লোকজন সবাই তার কাছে গেল।সে তাদের খালের মধ্যে তাকাতে বলল। তারা দেখল খালের মধ্যে একটা লাশ।মতিন ভাই এগিয়ে দেখে এই লাশটাই তার যাত্রী ছিল গতকাল রাতে।তাকে মারল কে তখন সবাই লাশটাকে খাল তুলে আনল।তারা দেখে লাশটার গায়ে কামড়ের দাগ,গলায় খামচার দাগ রয়েছে।তারও চোখ নেই।কে যেন উঠিয়ে রেখেছে।তখন মতিন ভাই কাদতে কাদতে বলল ঐ ভয়ানক লাশটাই বোধহয় তার যাত্রীকে এরকম করেছে।তারপর লোক খুজঁ নিয়ে তার স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করল। এই আমার ঘটনা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now