বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফাঁড়া যে কাটে নাই তা বুঝলাম পরদিন পুলিশের ডাকে ঘুম ভাঙাতে।পুলিশ কেন এসেছে তার কারণ বুঝতে আর বাকি রইলো না।তাড়াতাড়ি হাত মুখ ধুয়ে বাইরে বেরিয়ে দেখি ইয়াসিন ভাই,হামিদ ভাই,বাবুল এর সাথে সন্নাসি বাগদি ও আছে।
পুলিশ আর বাবা কে বুঝাতে বেশি সময় লাগলো না,আর বাগদির মুখ বাবা আগেই টাকা দিয়ে বন্ধ করে রেখেছে।সে দেখলাম মহা খুশি।বললো "আমার বউ এর হাড় দিয়ে ছোটকর্তা ডাক্তারি পড়বে,এ তো অনেক সৌভাগ্যের কথা"
তারপর বাসে পুলিশ কে কিছু টাকা খাইয়ে বুঝিয়ে,সবার চোখ বাচিয়ে কিভাবে ঢাকায় বাসায় ফিরলাম সে কথা আর না বলি।টাকা পয়সার সমস্যা না থাকায় কয়জন বন্ধু মিলে উত্তরায় ফ্লাট ভাড়া নিলাম।মেডিকেলে পড়ার অনেক চাপ।সারাদিন পড়া নিয়েই পরে থাকি।একদিন বন্ধুর বাসা থেকে ফেরার পথে মনে হলো বাসে হামিদ ভাই কে দেখলাম।কিন্তু হামিদ ভাই গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় কেন আসবে?আরো মনে হলো সে যেন আমাকে দেখেই তড়িঘড়ি বাস থেকে নেমে গেল।ভাবলাম তা হলে হ্য়তো হামিদ ভাই নয়।তবুও মনের খচখচানি না যাওয়ায় বাড়িতে খবর নিয়ে জানলাম,হামিদ ভাই ঘেরের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় কি জানি ব্যবসা করে যার জন্য তাকে ঢাকায় আসতে হয়।
হামিদ ভাই এর চিন্তা মাথা থেকে প্রায় ঝেড়ে ফেলেছি এমন সময় তাকে আবার দেখলাম,তাও আমাদের মেডিকেল কলেজে।পালানোর আগে প্রায় হাতে নাতে ধরলাম।এক কর্মচারীর সাথে হাড়ের লেনদেন চলছিল।হামিদ ভাই কে ক্যান্টেনে ডেকে নিয়ে বসি্যে কড়া গলা্য বললাম"তাহলে এখন ঘেরের কাজ ছেড়ে দিয়ে হাড় বিক্রির ব্যবসা ধরেছো?"
হামিদ ভাই কাচুমাচু মুখে বললো "না,মানে ছোটভাই একটা সুযোগ এসে গেলো,গরীব মানুসের লাশ..."
কড়া গলায় বললাম "ওসব ধান্দাবাজি ছেড়ে বলো কবে থেকে এই ব্যবসা করছো?গ্রামের কতোগুলা কবর খুড়ে লাশ বের করে বিক্রি করছো?"
"এই নিয়ে মোট দুইবার এই কাজ করছি ছোটভাই।"
"এই রকম আরো কত দুইবার আছে তা আল্লাই জানে।লাশ কি কবর খুড়ে তুলছো?"
"হু"
"কেউ জানতে পারে নাই"
"না।তবে পুলিশ সন্দেহ করছে।আপনার দোহাই লাগে ছোটোভাই আপনে কাওরে জানা্য়েন না"
"ঠিক আছে আমি কাওকে জানাবো না।তবে এই ব্যবসা ছেড়ে দাও।লাশের আত্মার অভিশাপ লাগে"।
হামিদ ভাই কি বুঝলো কে জানে।শুধু মুখ গম্ভীর করে উঠে গেল,আমার অনেক অনুরোধ সত্তেও আমার বাসায় গেলো না।
বাসায় ফিরে দেখি আরেক কান্ড।রুমমেট হাসান বাড়ি থেকে ফিরেছে সাথে রয়েছে ছোট তবে বেশ ভাল একটা ভিডিও ক্যামেরা।যা সামনে পায় তাই ভিডিও করে।মেডিকেলের একঘেয়ে পড়া থেকে মুক্তি পেতে হাসানের সাথে ফিল্মের একটা সর্ট কোর্সে ভর্তি হয়ে গেলাম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now