বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভুতুরে প্রানী

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bishal Dev (০ পয়েন্ট)

X আজ আমি আফখাজিয়া নামক একটি দেশের আকারমারার একটি সত্য ঘটনা বলছি।১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ভেঙে যায় তখন সাতটি দেশের জন্ম হয়।এদের মধ্যে আকারমারার সাথে একটি দেশের ভয়াবহ যদ্ধ হয় যা প্রায় এক বছরের মতো স্থায়ী হয়।এই যদ্ধের পর আকারমারা গ্রামটি প্রায় জনমানবহীন হয়ে পরে।মাত্র ৮-১০টি পরিবার সেখানে ছিল।কিন্তু রাতে বেলা কেও ভয়ে বারি থেকে বের হতো না।১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক থেকে কয়েকজন রিসার্চারদের পাঠানো হয় সেখানে।তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বাংলাদেশী।তাদেরকে বলে দেওয়া হয় তারা যেন সেখানে রাত্রি না যাপন করে।কিন্তু সেখানকার পথ ছিল খুবই খারাপ।তাই তারা ভাবলেন প্রতিদিন তারা এত পথ পারি দিতে পারবে না।তাই তারা তাদের সাথে পাঠানো গার্ডকে অনেক কষ্টে রাজি করায় যে তারা সেখানে রাতে থাকবে।গার্ডক রাজি হলেও তাদের বলে রাতে যেন তাবুর বাইরে খুব প্রয়োজন না হলে বের না হতে।কারন সেখানে নাকি অনেক সময় অদ্ভুত কিছু প্রানী দেখা যায় যা দেখতে ভয়ংকর এবং অনেকে এইটা দেখে ভয়ে মারাও যায়।তারা ব্যাপারটা সিরিয়াস ভাবে নেয় না।তারা ভাবে সারাদিন অনেক প্রানী সেখানে তারা দেখেছে।তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।তবুও নিজেদের সুরক্ষার্থে তাবুর চারপাশে তারা আগুন জ্বালিয়ে রাখে।রাতে সবাই দেখতে পায় তাবুর কাছে ছাগলের মত কিছু একটা এসেছে আবার মনে হচ্ছে একটা শিং।তারা এটা স্বাভাবিক ভাবে নিল।পরেরদিন সকালে গার্ড তাদের রাতে কিছু দেখেছে কিনা তা জিজ্ঞেস করে।তারা রাতে যা দেখেছে তা বলে।গার্ড তাদের বলে তারা যেন বাইরে ভুলেও না বের হয়।এই কথা শুনে সেখানে রাশিয়ান এক লোকের একটু আগ্রহ জাগলো যে সে বিষয়টা দেখবে।রাতে সে আবারো আগের রাতে যা দেখেছিল তা দেখতে পায়।সে তাবু থেকে বের হয়ে দেখতে পায় প্রানীটা নেই।তবুও সে টর্চ নিয়ে একটু জঙ্গলের দিকে গেলো কিছুক্ষণ হাটার পর হঠাৎ তার মনে হলো কিছু একটা তার পেছন দিয়ে দৌড়ে চলে গেছে।পেছনে টর্চ দিয়ে দেখলো সাদা চামরার কোনো একটি প্রানীকে দৌড়াতে দেখলো।কিছুক্ষণ এইভাবে চলতে থাকলো।হঠাৎ সে কিছু প্রানী দেখলো যাদের শরীর পুরোটা ছাগলের মত কিন্তু শিং একটি এবং মাথাটা মানুষের মত।এইটা দেখে সে প্রচন্ড ভয় পেয়ে দৌরাতে লাগলো।কিন্তু সে ত সেখানকার পথ চেনে না তাই যে দিকে পারছে সেই দিকে সে দৌরাচ্ছে।একসময় দৌরাতে দৌরাতে সে সেন্সলেস হয়ে পরে গেলো।পরের দিন জঙ্গলে খুজে অনেক কষ্টে পাওয়া যায়।জ্ঞান ফিরলে সবাইকে সব বলে কিন্তু কেও এটা বিশ্বাস করে না।এই ঘটনা শুনে তাদের মধ্যে যে বাঙালি লোকটা ছিল তার আবার আগ্রহ জাগে ব্যাপারটা নিয়ে।সে রাতে জঙ্গলের দিকে যায় প্রানীটাকে খুঁজতে।কিন্তু খুঁজতে খুঁজতে একসময় জঙ্গল শেষ হয়ে যায়।সে তখন একটি লেকের কাছে এসে পৌছায় এবং কয়েকটা নৌকা দেখতে পায়।সে ভাবলো আজ সেই প্রানীগুলো দেখা যাবে না।এই ভেবে যেই না ওনি পেছন ঘুরলো তিনি দেখলেন অসং্খ্য ওই রকম প্রানী সেখানে দাড়িয়ে আছে।সে তখন লেকে বেধে রাখা নৌকাগুলোর কাছে গিয়ে একটি নৌকায় ওঠে পরে এবং নৌকা নিয়ে লেকের মাঝখানে চলে আসে।কিন্তু একসময় সে দেখে প্রানীগুলো জলে নামতে শুরু করেছে।সে তখন ভাবলো তার মৃত্যু এখন অনিবার্য।হঠাৎ তার মাথায় একটি বুদ্ধি আসলো।সে জোরে জোরে আযান দেওয়া শুরু করলো এবং দেখলো প্রানীগুলো জলে নামলেও নৌকার কাছে আসতে পারছে না।সে আযান শেষ হলে আবার দিতে লাগলো।এইভাবে চলতে চলতে একসময় ফজরের আযান সে শুনতে পেল এবং দেখলো প্রানীগুলো আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল।এরপর সে তাবুর কাছে ফিরে আসে এবং সবাইকে সব বলে।এবার সবাই এটা বিশ্বাস করলো এবং স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে জানতে পারলো সেখানে রাতে বেলা কেও ঘর থেকে বের হয় না কারণ তারাও কিছু অদ্ভুত প্রানী দেখতে পায়।এরপর রিসার্চাররা সেখান থেকে চলে যায়।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভুতুরে প্রানী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now