বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূত দর্শন

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X ভূল বলে, সবাই ভূল বলে।যাক বাদ দাও। একটা গল্প শুনবা? -আইচ্ছা কন। -বেশ কিছুদিন আগে এই জায়গাটায় রাতের বেলাতেও মানুষ আসতো। প্রচন্ড গরমে একটু ঠান্ডা বাতাস খাওয়ার জন্য আসতো। কিন্তু, এখন দিনের বেলায় আসলেও রাতে আর কেঊ এইখানে আসে না।বলে এখানে নাকি সন্ধ্যের পরভূত দেখা যায়। এইতো গত সপ্তাহে আমাদের পাশের বাসার লিয়াকত খান এসেছিলো। লোকটা খুব লোভী। নিজের একটা কারখানা আছে। নিজ কারখানায় চাকরী দেবার নাম করে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেয়; তারপর চাকরীও দেয়না আর টাকাওফেরত দেয়না। এই খানে ভূতে নাকি তাকে এক ধাক্কায় নদীতে ফেলে দিয়ে ছিলো। কথাটা বলে রঞ্জন অট্ট হাসিতে ফেটে পড়ল। তারপরই বললঃ -ঠিকই আছে, ব্যাটার আচ্ছা শাস্তি হয়েছে। -তার পরে কি হইলো স্যার। -ও! আসলে এইখানে একটা যুবক ছেলে নদীতে ডুবে আত্মহত্যা করেছিলো। বেকার ছেলে। ভালো রেজাল্ট, অনেক ডিগ্রী। তারপরও চাকরি পায়নি। সংসারে অভাব। তার ওপর দেনা। সবার কাছে খারাপ ছেলে হয়ে গিয়েছিলো সে। এখনো মনে আছে ছেলেটা যেদিন ম্যাট্রিক পরীক্ষায় , ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় ফার্স্ট ডিভিশনে পাস করলো তখন বাসার মানুষ, প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজন কত না আদর করেছিলো তাকে। কত প্রশংসাই না করেছিলো। অথচ ছেলেটা যখন চাকরী পাচ্ছিলো না, বেকার বসেছিলো দিনের পর দিন; তখন ওই মানুষ গুলোর কাছে সে খারাপ হয়ে গেলো, অপদার্থ হয়ে গেলো। সমাজের কটাক্ষ আরসহ্য করতে না পেরে ছেলেটা মারাই গেলো। বেচারা!! ঠিকই তো করেছে সে। কি বল মোতালেব? - হ স্যার তাইলে লেখা পড়া কইরা কি লাভ!! এমনেই তো তাইলে ভালা আসি। কিন্তু, স্যার। পোলাডা কি আপনার বন্ধু আসিলো? ওরে নিয়া এতো কথা আপনি জানেন কেমনে? প্রচন্ড হাসিতে ফেটে পড়লো রঞ্জন। সে এমন ভাবে হাসছে যেনো মোতালেব তাকে মহা নির্বোধের মত কোনো একটাপ্রশ্ন করে বসেছে। - আমি কিভাবে জানি! এখানে আসার সময় আমি তোমাকে প্রথম যে প্রশ্নটা করেছিলাম মনে আছে? তোমাকে যে জিজ্ঞেসকরলাম তোমার পা উল্টা নাকি মনে আছে? -হ আসে ক্যান? -দ্যাখোতো আমার পা দুটো। মূহুর্তেই মোতালেব ভূত দর্শন করলো। সামনে জলজ্যান্ত উল্টা পায়ের একটা মানুষ, না না ভূত। হ্যা, ভূত। - চা এর ফ্লাক্স আর আনুষঙ্গিক জিনিস পত্র হাতে নিয়ে গলা ফাটিয়েভূত! ভূত! চিৎকার করতে করতে উর্ব্ধশ্বাসে দৌড়ে পালিয়ে গেলো মোতালেব।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভূত দর্শন
→ ভূতুড়ে জাহাজে ভূত দর্শন
→ ভূত দর্শন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now