বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূত

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shadin jion (০ পয়েন্ট)

X মাঠের ঠিক মাঝ খানে একটা মাথা ভাঙা তেতুল গাছ ছিল।ওখানে যেতেই একটা বিড়ালের ডাক মিও।আমি ও খগেন আগে পিছে চলেছি আইল ধরে।হতাৎই কে বলে উঠলো।বাবু মাছ দুটো কত নিল।আমি ও খগেন চমকে উঠলাম।আমি খগেনকে বললাম তুমি কি আমাকে কিছু বলেছো।খগেন বললো না তো দাদা।এরপর আবার তবে একটু ভারী কন্ঠে এই একটা মাছ আমাদের দিয়ে যা।আমিও খগেন ঝপকরে দাড়িয়ে গেলাম।খগেন আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললো বাবু মেছো ভূতের পাল্লাই পড়েছি আমরা।ভয় পাবেন না আমার কাছে খুর কেওচি আছে ওরা সাহস পাবেনা কিছু করতে। এরপর আমি ও খগেন অতি ধীরপদে আইল ধরে আবার চলতে শুরু করলাম।এবার শুনতে পেলাম কিছু দুরে বাচ্চাদের কান্নার শব্দ তাঁরা কাঁদছে আর বলছে আমরা মাছ খাবো।আমরা ওদিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে গেলাম।মাঠের মধ্য রাতে কালো বিড়াল,কাক আর কত কিসের উৎপাত সহ্য করেছিলাম সেটা আর নাই বললাম।মাঠ শেষে আমরা খগেনের গ্রামে প্রবেশ করলাম।খগেন অনেক পীড়াপীড়ী করলো তাঁর বাড়িতে থেকে যেতে।আমি তাঁর কথায় কর্ণপাত না করে বাড়ির পথে রওনা দিলাম।খগেন একটা ছোট লোহার টুকরা দিয়ে বললো,বাবু রাস্তায় যে যা বলুক তুমি তোমার মত চলবে কেউ তোমার ক্ষতি করতে পারবেনা।এটা মুঠ করে রাখবে।আমি আর কিছু না বলে রওনা দিলাম।আমার গ্রাম ওখান থেকে দেড় মাইল দুরে।এবার গ্রামের মেঠো পথে চলতে লাগলাম।রাস্তার পাশে একটা তালগাছ আছে ওখানে যেতেই তালপাতার খসখস শব্দে গা কাঁটা দিয়ে উঠলো।এবং মনে হলো কে তাল গাছ থেকে নামছে আর বলছে ওদাদা ও দাদা আমাকে একটা মাছ দাও।আমি না থেকে নিজের বাড়ির পথেই চলতে লাগলাম।হতাৎ লক্ষ করলাম একটা সাদা কাপড় পরা বুড়ি রাস্তা পার হচ্ছে।আর বলছে ও বাবু আমাকে একটা মাছ দাও।কি যন্ত্রনা আজ মাছটা কিনেও বুঝি ভূল করলাম।তবুও সাহস না হারিয়ে বাড়ির দিকে চললাম।মাঠ শেষে একটা ছোট কানা পুকুর পরে।ওটার পরেই একটা বাঁশ বাগান তাঁরপর আমার গ্রাম।আমি ক্রমেই কানা পুকুরের দিকে চলেছি।আর পিছনে শুনছি বড় ছোট ১০ থেকে ১২ জন আমার কাছে বলছে। ও বাবু একটা মাছ দাও আমি মাছ খাব।কানা পুরের ঢিবির উপরে উঠতেই ওদের চিল্লাচিল্লি বেড়ে গেল। ওবাবু একটা মাছ দাও আমি মাছ খাব।কিন্তু একটা বিষয় লক্ষ করলাম,ওরা আর সামনে আসছে না।ওখানে দাঁড়িয়েই চিল্লাচ্ছে।এবার একটা ভারী কন্ঠ শুনতে পেলাম পুকুর ধারের লেবু গাছ থেকে ভেসে এলো।বাবু দা কি হয়েছে।আমি বললাম এই যে বাদামতলীর ভুতেরা আমার কাছে মাছ চাইছে।আমার এলাকায় ভূতের কি আকাল পড়েছে।এবার শুনতে পেলাম সেই ভারী কন্ঠ বলে উঠলো,তবেরে এই ছক্কু ,ঘিয়ে ,পক্কু,খিলো ধর শালাদের আমার এলাকায় ঢুকেছে?আমি অবাক হয়ে শুনতে পেলাম বাঁশ বাগানে কঞ্চি ভাঙার শব্দ এবং শা শা করে কয়েকটা বাতাস আমার পাশ দিয়ে উড়ে গেল।আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই শুনতে পেলাম ওরে বাবারে মরে গেলাম।ছেড়েদে আর কখনো আসবোনা।মাপ করে দে।আর শিশু বৃদ্ধা এবং যুবকের আহাজারি।আর বললো আমাদের কহেকাপের কছম আর কখনো আপনার তল্লাটে আসবোনা।এরপর সব ঠান্ডা।আবার ঐ ভারী গলাটা বলে উঠলো বাবুদা আপনি চলে যান।আমি মুছকি হেঁসে বাড়ির দিকে রওনা হলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভূত-মুক্তি প্রজেক্ট
→ তালগাছের ভূতের কাহিনী
→ |জিজেসদের দুঃসাহসিক ভূতুরে অভিযান| পর্ব-২
→ |জিজেসদের দুঃসাহসিক ভূতুরে অভিযান| পর্ব-১
→ ৪ ভূতুড়ে
→ ভূতের সঙ্গে পরীর বিয়ে
→ রোবট ভূত
→ একটি ভয়ঙ্কর ভূতের গল্প
→ ভূতের গল্প
→ আমি ভূত
→ পদ্মা নদীর ভূতুরে কাহিনী
→ পদ্মা নদীর ভূতুরে কাহিনী
→ ভূতের অস্তিত্ব আছে, কি নেই,সমাধান দিল বিজ্ঞান
→ বোকা ভূত
→ অদ্ভূত ভূত

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now