বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মা মারা যাবার পর কিছুতে মন বসছিল না।একটা শূন্যতা আমাকে পেয়ে বসেছিল।বাবার অবস্থা ছিল শোচনীয়। কিছু মনে থাকত না,ভুলে যেত প্রায় কাজ।দিন আর কাটতে চায় না।স্মৃতিগুলো কি সহজে ভোলা যায়?মাঝে মাঝে যখন মনে পরত তখন আর কিছুতে মন বসত না।খেলাধূলা থেকেও মন উঠে গেছিল।
ভারতে আমাদের নিজস্ব বাড়ি আর বাংলাদেশে আমাদের পূর্বপুরুষের বাড়ি।ভারতের বাড়িতে আমাদের আর থাকা হয়ে উঠল না।বাবা বাংলাদেশে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিলো।বাংলাদেশে আমি ক্লাস এইটে ভর্তি হলাম।সকলের সমবেদনা আমার উপর।মানসিকভাবে ভেঙে পরলাম আমি,কোনো উপায় খুঁজে পেলাম না মনে।জ্যাঠাদের বাড়িতে থাকি আর জেঠিমার রাঁধা খাই।আমি তখন বাবাকে ঠিকমত চিনতে পেরেছিলাম।যে মানুষটা নিজের জামা প্যান্ট পর্যন্ত নিজে ধোয়নি সে কিনা এখন অন্যের জামা কাপড় ধুতেও দ্বিধা করে না।জ্যাঠার দুই ছেলে এক মেয়ে। বড় ছেলের নাম তরুন,ছোটো ছেলের নাম সঞ্জয় আর মেয়ে সবার ছোটো নাম শিখা।
অন্য দেশ,অন্য রকম পরিবেশ,ভিন্ন সংস্কৃতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা।অন্যদিকে পড়াশুনার চাপে একরকম দিশেহারা অবস্থা।বাংলাদেশটা প্রথম প্রথম খারাপ লাগলেও আস্তে আস্তে ভালো লেগে যায়।এদেশের আন্তরিকতা আমার অন্তর ছুঁয়ে যায়।এরকম আন্তরিকতা সমগ্র বিশ্বের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
চলবে…………………
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now