বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকালে কলেজ থেকে ফিরে দেখি দাদি খুব আসুক হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে। প্রথম দিন ভয় পেলাম। ভয়ে চুপ হয়ে গেলাম।
গাড়িতে বসে ভাবছি কপাল টা আমার খারাপ। যাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসলাম তাকে আজ এতো কষ্ট পেতে দেখে খুব কষ্ট হচ্ছে আমার। কোন দিন কষ্ট পেতে হয় নি। কারণ পরিবারের একমাত্র মেয়ে আমি। দাদি কে খুব ভালোবাসি আজ যদি উনার কিছু হয় তাহলে খুব একা হয়ে যাবো। এসব মনে মনে ভাবতে ভাবতে হঠাৎ দাদি আমাকে নাম ধরে ডাকে।
আন্নিকা দাদু, আমার একটা কথা রাখবি দাদু?
দাদি তুমি যা বলবে তাই করবো, কিন্তু এখন তুমি কথা বললে
তোমার কষ্ট হবে তাই আগে ঠিক হয়ে যও। ( কান্না করে বলতে বলতে )
না দাদু আগে আমায় কথা দেয় তুই আমার মরার আগে বা পরে একজনকে বিয়ে করবি ?
ঠিক আছে তুমি যাকে বলবে তাকে বিয়ে করতে রাজি আছি আমি।
নাম টা বলতে গিয়ে দাদি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।
দাদির চলে যাওয়া পর থেকে আমার জীবনের একটি কালো মেঘ চলে আসে। কলেজে ফাইনাল পরীক্ষা শেষ। আর মা বাবা
বিয়ে ঠিক করে দিলেন। বিষের দিন দেখি যার সাথে বিয়ে হচ্ছে সে হলো সায়েম ভাইয়া। আমার থেকে ৩ বা ৪ বছরের
বড়। উনি আমাকে দেখতে পারেন না , আর আমি উনাকে দেখতে পারি না। উনাকে দেখে আমি হা করে তাকিয়ে আছি
উনি কিন্তু আমার দিকে তাকিয়ে চুপ চাপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
আমার মনে হচ্ছে যদি দাদি থাকতো তাহলে আমি দাদির কাছে
কান্নাকাটি করে বিয়ে টা ভেঙে দিতাম। কান্না করার ইচ্ছা করছে। সায়েম ভাইয়া হলেন আমার বাবা মামাতোবনের ছেলে।
আমার খুব রাগ হচ্ছে। আর উনি চুপ চাপ হয়ে আছেন।(মনে মনে বলতে লাগলাম )
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now