বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসার

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Lamiya Akther (০ পয়েন্ট)

X ভালোবাসার গল্প লেখক: জুনিয়ার ইউসুফ আমি ইউসুফ , আমি অনেক দিন পর মাচায় বসে ব্ন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম হটাৎ যান্ত্রিক ফোনটা বেজে উঠলো ফোনটা রিসিভ করার সাথে সাথে অবাক হলাম ওপাস থেকে একটি মেয়ে বলে উঠলো,,, মেয়ে: হ্যালো আপনি কি জীবন সাহেব আমি: একটু মজা নেওয়ার জন্য বল্লাম জী আমি জীবন,,, আপনি? মেয়ে: আমি সাদিয়া। বলে ফোনটা কেটে দিল। আমি কিছুটা অবাক হলাম তার পর বাসায় গিয়ে খাবর খেয়ে সেদিন কার মত ঘুমিয়ে পরলাম। পরের দিন রাতে আগের দিনের সেই একি সময় ফনটা বেজে উঠলো ফোনটা হতে নিয়ে দেখি সেই নাম্বারে আবার কল। ফোনটা রিসিভ করে কথা বলতে লাগলাম কারন মেয়েটার কন্ঠটা ছিলো অনেক মধুর তাই তার ফোনটা কাটতে পারলাম না। অনেক্ষন কথা বলার পর মেয়েটি আমাকে গুড নাইট জানিয়ে ফোনটা কেটে দিল। তারপর আমি সারা রাত ওর কথা ভবতে লাগলাম এই ভেবে যে একটি মেয়ের কন্ঠ এত সুন্দর হতে পারে কি ভাবে। সে কি মেয়ে না পরি এসব ভাবতে ভাবতে সকাল হয়ে গেল।তার পর থেকে মেয়েটির সাথে প্রতিদিন একই সময় কথা হতো। আমিও মেয়েটির প্রতি আস্তে আস্তে দুরবল হয়ে পড়ি। তাই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম যে মেয়ে টিকে সত্য কথা বলে দেব। তাই সেদিন রাতে তার ফনের অপেক্ষা করতে লাগলাম,,, রাত যখন ১১:১০ ঠিক তখন ওর নাম্বার থেকে মিস কল আসলো। আমি ফোন বেক দিলাম এবং মেয়ে টিকে বল্লাম আমি তোমাকে একটি কথা বলতে চাই তুমি যদি কিছু না মনে কর। মেয়ে: বলেন। আমি: আসলে আমি জীবন না। মেয়ে: সেটা আমি যানি ( আমি কিছুটা অবাক হয়ে জিঙ্গাসা করলাম) আমি: মানে? মেয়ে : মানে আমার নাম ও সাদিয়া না।আমার নাম সারমিন,আর আমার ডাক নাম বেলি আমি: ওর ডাক নাম টা সুনে হা হা হা করে হেসে দিলাম। মেয়ে : হাসছেন কেন আমি : এমনি মেয়ে : আপনার নামটি বল্লেন নাতো আমি: আমার নাম জুনিয়ার ইউসুফ । কিন্তু আপনার বাসা কথায় আর আমার নাম্বার পেলেন কথা থেকে? মেয়ে:আমার বাসা কানসাট ।01775960552 আপনার নাম্বার টা আমি নিজে একটা নাম্বার বানিয়ে কল দিছিলাম আর ভাগ্য ক্রমে কলটা আপনার কাছে গেছে। আমি: ভালোতো। সব কিছু আল্লাহর ইচ্ছে। মেয়ে: আপনার বাসা কথায়? আমি: চরধরম পুর গ্রামে। মেয়ে: অবাক হয়ে বলে উঠলো এত কাছে হয়ে যাবে বুঝতে পারি নি। যাই হক সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছা। এভাবে কথা চলতে থাকে। তারপর আমি এডমিসন পরিক্ষা দেওয়ার জন্য রাজশাহী যাব তার আগের দিন আমি সারমিন কে ফোন দিলাম। এবং সব খলে বল্লাম।আর মেয়েটিকে বল্লাম আমিতো ওখানে পড়াশুনাই বেস্ত থাকবো তাই সেমন কথা হবে না। আর হলে রাত ১২:০০ টার পর। সেদিন মেয়েটি অনেক কেদেছিল।যানি না কেন। তারপর আমি পরের দিন সকালে রৌনা দিলাম রাজশাহীর উদ্দেশে । তারপর ওখানে পৌঁছে সেদিন রেস্ট নিয়ে পরের দিন পড়াশুনা তে মনযোগি হলাম। রাত যখন ঠিক ১২:০০ টা হটাৎ দেখি সারমিনের ফোন। আমি ফোনটা রিসিভ করে কথা বলাম, কিছুক্ষণ তারপর ঘুমিয়ে পড়লাম।এভাবে প্রতিদিন রাতে আমরা পড়া শেষে কথা বলতাম।আমাদের কথা বলা দেখে বন্ধুরা একদিন বল্লো সোন তাসবির তোকে মেয়েটা কেমন ভালোবাসে তার একটা পরিক্ষা নেব আর তুই যদি পরিক্ষায় যিতিস তাহলে আমি তোকে ২০ টাকা ফ্লাক্সি দিয়ে দেবে। কিন্তু একটা সর্ত আছে। ৫ মিনিট কথা বলতে হবে। আমি রাজি হয়ে গেলাম আমার বন্ধুদের কথায়।তারপর আমি ওকে ফোন দিলাম তখন প্রায় ২:৩০ বাজে ঠিক ফোনটা যখন কেটে যাবে সেই মুহুর্তে ফোনটা রিসিভ কররলো। আমি: হ্যালো। ঘমিয়ে পরেছিলে নাকি। সারমিন: হ্যা বলো। আমি : তাহলে ঘুমাও সারমিন: না আর ঘুম আসবেনা তুমি কথা বলো আমি সুনি ।এভাবে ৩ মিনিট কথা বলার পর ফোনটা কেটে গেলো। তখন আমি বন্ধুদের বল্লাম যা টাকা শেষ।তখন আমার বন্ধুরা বলে উঠলো যে মেয়ে এত রাতে ঘুম থেকে উঠে বলে যে তুমি কথা বলো আমি শুনি সে সত্যি কারের ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু না।তাই বন্ধুরা আমাকে ৫০ টাকা ফ্লাক্সি দিয়ে দিলো কথা বলার যন্য। এভাবে দেখতে দেখতে রোযার ঈদ চলে আসলো, আমি বাড়িতে আসলাম। ঈদের আগের দিন দেখি হটাৎ করে ফোনে ১০০ টাকা ফ্লাক্সি আমি অবাক হলাম এবং ভাবতে থাকলাম কে ফ্লাক্সি দিতে পারে। ভাবতে ভাবতে সারমিনের ফোন, সারমিন:তোমার ফোনে টাকা গেছে আমি:হ্যা কিন্ত তুমি টাক দিছ কেনো এগুলা আমার পছন্দ না। সারমিন: তোমার তো অনেক বন্ধু বান্ধব আছে তাদের সাথে কথা বলার জন্য দিলাম। কিছু মনে করোরো না প্লিজ। সেদিন আমি ওর কথা শুনে সত্তি অনেক অবাক হয়। কেননা মেয়ে টা আমাকে কত না ভালোবাসে।তারপর রাতে আবার সারমিনের ফোন।। ফোনটা রিসিভ করে দেখি ওর ছোট বোন ফোন দিয়েছে ,, অপাস থেকে বলে উঠলো ভাইয়া আপনি মেহেদি হাতে দিয়েছেন। ,,,,,না ,,,,,,দেন না ভাইয়া ভালো লাগবে অনেক। ,,,,,,তোমার আপুু কি হাতে মেহেদি দিয়েছে ,,,,,,, হ্যা ,,,,,,,, তোমার আপু দিলেই তো আমার দেওয়া হয়ে গেলো তাই বললে ফোনটা রেখে দিলাম। তারপর ঈদের দুই দিন পর আমার ফুফু ফোন করে ওনাদের বাসায় যেতে বল্লেন,,,তার পর ফুফু দের বাসায় যাওার আগে সারমিনকে ফোন দিলাম কারন ফুফুদের বাসাও ওদের এলাকায়। তারপর সারমিন আমার সাথে দেখা করতে চাইলো। আমিও রাজি হয়ে গেলাম কারন এত দিন শুধু ফোনে কথা বলেছি,,,,কেও কাওকে দেখিনি,,,,,,, তারপর দুজোনের অনেক স্বপ্ন নিয়ে,,দুজনে বাড়ি থেকে বের হলাম,,,,,, ,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালোবাসার ধৈর্যের পাঠশালা
→ ভালোবাসার কোন কারন থাকেনা
→ ভালোবাসার শেষ পরিণতি
→ ভালোবাসার আসল মানে...
→ ইসলামিক ভালোবাসার গল্প
→ ভালোবাসার বং বদলায়
→ গরীবের মেয়ে আর ধনীর ছেলের ভালোবাসার গল্প
→ অন্যরকম ভালোবাসার গল্প
→ ভালোবাসার ঘুড়ি
→ ভালোবাসার বাংলাদেশ!
→ ভালোবাসার সম্পর্ক
→ ভালোবাসার উপকারিতা
→ বাস্তব ভালোবাসার কাহিনী,যা হয়তো সচরাচর দেখা যায়!
→ ভালোবাসার অনুভূতি
→ ভালোবাসার শেষ পরিনতি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now