বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসা মানে আবেগের পাগলামী

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X ভালোবাসা মানে আবেগের পাগলামি "প্রেম এবং আধুনিকতা" (অতিমাত্রায় খাটি বাংলাভাষায় লিখীত পোস্ট,সমাজের বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলেছি,যাদের সত্যি কথা শুনললে চুলকানী হয় তারা আসবেন না) স্টেপ ১: পরিচয় হতে পারে স্কুলের সামনে, কলেজের সামনে অথবা রং নম্বরে।প্রথমে পরিচয় ঘটবে তার পর নিজের ভালো লাগা খারাপ লাগা সকল বিষয়ে বিস্তারিত দুজন, দুজনকে জানাবে। স্টেপ ২:তার পর শুরু হবে ফোনে কথা বলা।তার পর একজন আরেকজনকে বোলবে তুমাকে আমি মোম বাতীর মতো ভালোবাসি, বেলুনের মতো ভালো বাসি ইত্যাদি। স্টেপ ৩: শুরু হবে ডেটিং রমনায় অথবা চন্দ্রিমায় কিংবা চিপায় চাপায়।আস্তে আস্তে শুরু হবে হাতের কাজ, হালকা একটু টিপা টিপি।সাথে লিপ কিস আরো অনেক কিছু। স্টেপ ৪: দিস ইসদা ইনিশিয়াল স্টেজ।ফোনে শুরু হবে বাশের দৈর্ঘ্যপ্রস্থ মাপা,ফুটবলের সাইজের মাপ ও কিভাবে ৩ নম্বর ফুটবল ৫ নম্বর বানানো যায়।তার পর একে অন্যের গাইনী এএক্সপার্ট হয়ে যাবে।কুয়াতে কতো ঘভীর বাশ ফেললে কুয়ার পানি উঠানো যাবে ইত্যাদি। শেষে থাকতে না পেরে বন্ধুর ফ্লাটে অথবা কোনো হোটেলে তাদের সকল কাজ সফল ভাবে সম্পাদন করবে। স্টেপ৫: ফাইনাল স্টেজ দুজনেই শারিরীক চাহিদা মেটাতে মেটাতে ক্লান্ত পরিস্রান্ত হয়ে পরে।তার পর মেয়েটি বলে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে অথবা তোমার সাথে আমার আন্ডাসস্টান্ডিং হচ্ছে না।আর ছেলেটি, ফ্রি ফ্রি মধু কে না খায়। পরিশেষে দুজনে ১০-১৫ টা চিচিং ফাক গেম খেলার পর বিয়ের পিরিতে বসে এবং দুজনে দোয়া করে আল্লাহ তা আলার কাছে "আমার স্ত্রী জেনো সতী সিদ্ধি হয়,আমাকে ছারা যেনো অন্য কিছুই বোঝে না" আর মেয়েটি"আমার হাজবেন্ডের জীবনে যেনো আমিই যেনো হৈ প্রথম নারী " আহ কি সুন্দর তাদের চিন্তা ধারা।এটাই আমাদের প্রজন্মের প্রেম কাহিনী যেটা ঘটছে স্কুল,কলেজ,অফিসে। ধিক জানাই এই প্রেম কে। আপনি জানেন প্রতিমাসে ৩৭০০০ হাজার ভ্রুন হত্যা হয় বাংলাদেশে। প্রতি ঘন্টায় ১৪-৩০ বছরের ২১৭ জন মেয়ে সতিত্তো নষ্ট করে নিজের ইচ্ছায়, না না বিয়ের পরে না বিয়ের আগে।এই সমাজ আধুনিকতার নামে সকল খারাপ কাজ প্রশ্রয় দিচ্ছে।ঢাকা শহরের এলিট এলাকা দিয়ে যখন হেটে যাবেন দেখবেন শিক্ষার আলোয় আলোকিত পতিতারা উদর বক্ষে, কোমর দুলিয়ে হাটছে। কতদিন আপনি আপনার নজর কে হেফাজত কোরবেন।খুব জানতে ইচ্ছা করে একটি সন্তান যখন তার মায়ের ভিডিও ক্লিপ দেখবে তার কি অবস্থা হবে।থু থু আধুনিকতাকে,থু থু মারি প্রেমের মুখে।আমি ক্ষ্যাত হয়ে জীবন পার করে দিতে চাই।ছোট একটি ঘটনা দিয়ে লেখা শেষ করছি "আমি তখন ছোট ক্লাশ ফাইবে পরাশোনা করি।বিকেলে ক্রিকেট খেলছিলাম, সাথে কিছু বরোভাই ও ছিলেন।একবার বল ঝোপের পাশে যায় তার পর বলটি আনতে যান জুয়েল নামের একজন বরো ভাই।তিনি খুব জোরে একটা চিতকার দেন।আমরা সবাই সেখানে গিয়ে যা দেখলাম, ফুলের মতো টুকটুকে একটা শিশু,তার পেটের নার ও কাটা হয় নি।মুখের ভিতর থেকে বিশাল এক কাপর বের করা হলো আর লবন।লাল টুকটুকে ঠোট দিয়ে যখন রক্ত পরেছিলো কাদতে দেখেছিলাম দারিয়া থাকা সব গুলো লোককে।" মাঝে মাঝে সপ্নে এখনো আমাকে প্রশ্ন করে বাচ্চাটি, কে দায়ী তার পরিনীতির জন্য,তার কুমারী বাবা-মা না সমাজ। উত্তর আজো পাইনি______________??? Photo: কাঁদবে কি তখন ? চির নিদ্রায় ঘুমাবো যখন .. মনে রাখবে কি তখন ? না ফেরার দেশে চলে যাবো যখন .. ডাকবে কি তখন ?? তোমার ডাকে সাড়া দিবনা যখন ..............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালোবাসা মানে আবেগের পাগলামী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now