বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসা এমনিই হওয়া উচিত

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X চোখে জল আসার মতো গল্পটি পড়ার অনুরুধ,, . মেয়ে:hello,আমি কী আপনার সাথে ৫ মিনিট কথা বলতে পারি? ছেলে:মাথা নিচু করে বললো।হে বলেন। মেয়ে:আপনি কী আমার সাথে একটু শপিংয়ে যাবেন?plz না বলবেন না। ছেলে:আমি যেতে পারবো না।দোকানে অনেক কাজ পড়ে আছে বাবাকে হেলপ করতে হবে। মেয়ে:ওকে বাই। ছেলে:হুম বাই। (পরের দিন Universityতে) মেয়ে:আজ যেতে পারবেন কী? ছেলে:না।আমাকে কেন যেতে হবে?versity তে কী কোনো বান্ধবী নাই? মেয়ে:না।আর আপনি এত প্যাচান কেন? আগামীকাল অবশ্যই যেতে হবে। ছেলে:দেখি। মেয়ে:দেখি না।বলেন যাবো।আর শুনেন আজ থেকে তুমি করে বলবা। ছেলে:না এটা হয় না। মেয়ে:তুমি করে না বললে কিন্তু......।আপ নার মাথার সব চুল ছিড়ে নিবো। ছেলে:আচ্ছা ওকে।বলবো মেয়ে:এখন বলো ছেলে:বাই। মেয়ে:বাই বলতে বলি নাই।তুমি বলতে বলছি ছেলে:আচ্ছা আগামীকাল অবশ্যই শপিংয়ে যাবো।এখন বাই। মেয়ে:বাই (পরের দিন University ছুটির পর) মেয়ে:গাড়িতে ওঠেন ছেলে:ইয়ে মানে...... মেয়ে:আজ কোনো মানে টানে হবে না। (যাখ তারা মেয়টার প্রাইভেট গাড়িতে করে শপিং এ আসলো) মেয়ে:দেখি তো এটা তোমার গায়ে কেমন মানায়।.......................... ছেলে:আরে এইগুলো আমার সাইজের কিনতাছো কেন? তোমার ছেলে বন্ধুটা কী একধম আমার মত? মেয়ে:হে তোমার মত।তোমার সাইজের হলে হবে। ছেলে:ওওওওওওওওও (অনেক কেনাকাটা করার পর তারা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলো।খাওয়া দাওয়া করার পর তারা বেরিয়ে পড়লো) ছেলে:আমি যাবো গা। মেয়ে:এইগুলো নিয়ে যাও।(সাথে একটা ফুলের বোকেট সহ ঐখানে একটা চিঠি ছিলো) ছেলে:এসব আমাকে কেন দিচ্ছো? মেয়ে:এইগুলো সব তোমার জন্য।আমার কোনো ছেলে বন্ধু নাই।তুমি আমার একমাত্র ছেলে বন্ধু। ছেলে:না আমি এইসব নিবো না। মেয়ে:তাহলে ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছি। ফুলের বুকেট টা সহ। ছেলেgjorry আমি নিবো না। মেয়ে:আমি কিন্তু গাড়ির নিচে পড়ে মরবো। ছেলে:আরে না না না।এসব কিধরনের পাগলামী? মেয়ে:তাহলে নাও। ছেলে:আচ্ছা দাও।আর কখনো এমনটা করবা না। মেয়ে:এই তো good boy ফুলের বুকেটটাও নাও। ছেলে:ওওকে মেয়ে:গিফট box টা বাসায় গিয়ে খুলবা। ছেলে:ওকে বাই। (দুইজন বাসায় চলে গেল) (তারপর দুইদিন University তে কেউ কারো সাথে কথা বলে নাই) মেয়ে:অই দাঁড়া।তুমি আমাকে কিছু বলতেছোনা কেন? ছেলে:এটা কখনো সম্ভব না।আমার সাথে তোমার কখনো হবে না।কোথায় কী?ভাবতেই অভাব লাগে। মেয়ে:দেখো আমি যেটা বলছি।সেটা অনেক চিন্তা করে বলছি।আমি তোমাকে চাই।আমি তোমাকে ভালবাসি i love you ছেলে:এটা কখনো সম্ভব না।এটা হয় না। মেয়ে:কেন? ছেলে:তোমার বাবর মত আমি তোমাকে দামি গাড়িতে ঘুড়াতে পারবো না,ভাল কাপড় চোপড় দিতে পারবো না,এক কথায় luxury জীবন যাপন দিতে পারবো না। মেয়ে:আমি এসব চাই না।তোমাকে চাই। আমি তোমার সাথে থাকতে চাই।বাড়ি,গাড়ি,ভ াল কাপড় চোপড়ের সাথে নয়।plz i love you.Accept my propose.এই বলে মেয়েটা ছেলেটাকে জড়িয়ে ধরল। ছেলে:সত্যিই ভালোবাসা আমায়। মেয়ে:হুম ছেলে:আমিও।I love you too. (এরপর থেকে তাদের প্রেম শুরু।তারা প্রায় সময় University বিভিন্ন স্থানে দেখা করত।ফোনে কথা বলত।এইভাবে কেটে গেল ৩ বছর।তাদেরও MBA শেষ) ছেলে:মেয়েটাকে ফোন দিয়ে বলল,জান Dhaka Bank এ আমার চাকরি হয়ে গেছে। মেয়ে:wow what a surprise. ছেলে:আজ park এ ঘুড়তে যাবো।বিকাল 4 টায় আসিও। মেয়ে:অবশ্যই। (এইভাবে কেটে গেল আরো ৬ মাস) ছেলের মা:বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গেলে। মেয়ের বাবা:মেনে নেয় নি। মেয়ে:বাবা আমি আকাশকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করব না।প্রযোজনে বিয়েই করবো না.......... মেয়ের বাবা:পরের দিন।ছেলের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের সব কথা সেরে আসলো। (তাদের বিয়ে ঠিক হল।এপ্রিল মাসের ১০ তারিখ।বিয়ের সব আয়োজন শেষ।মেহেদি রাতেও তাদের প্রেম চলতেছে.......) বিয়ের দিন ১০ তারিখ মেয়ে:ফোন দিলো।তুমি কতটুকু এসেছো? ছেলে:আমি এবং বরযাত্রীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে পৌছে যাবো।ফোনা কথা হচ্ছে হচ্ছে হঠাৎ লাইন কেটে গেল। মেয়েটা ভাবলো হয়ত কেটে দিয়েছে। কিছুক্ষন পর মেয়ের বাবা মোবাইলে ফোন আসলো। বাবা:hellow কে বলতেছেন? ছেলের মামা:কান্না কান্না কন্ঠে বলতে লাগলো,সব শেষ সব শেষ। বাবা:কী হয়েছে? ছেলের মামা:আপনার হবু জামাইয়ের গাড়ি Accident করছে।বেঁচে থাকার সম্ভবনা একধম নেই। মেয়ে এই কথা শুনে বউয়ের সাঁজে ঢাকা মেডিকেলে চলে এলো।v তখনো ছেলেটা বেঁচে ছিলো। মেয়ে:তুমি আমাকে ছেড়ে যেতে পারো না।তুমি কথা দিয়েছিলে তূমি আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবে না? ছেলে:আমি যাচ্ছি না।আমি তোমার মনের ভিতরে সারাজীবনের জন্য চলে যাচ্ছা। (এই বলে ছেলেটার পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলে) তারপর ৫বছর পর মেয়েটাকে একটা কলেজের ভিসি হিসাবে দেখা যায়।পরে জানা গেলে মেয়েটা এখনো বিয়ে করে নাই। পরের ঘটনা কি হতে পারে এটা আমার জানা নেই। ভালবাসাএমন হওয়া উচিৎ।.


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালোবাসা এমনিই হওয়া উচিত

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now