বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X এই শোন!! –বল! –আমাকে কিন্তু অনেক ভালবাসতে হবে। –ওকে। –শুধু ওকে না।আমি যেন কোন কিছু না বলার আগেই পেয়ে যাই। –আচ্ছা ঠিক আছে। –আমাকে সময় দিতে হবে। –অফিসের টাইম ছাড়া বাকি টাইমটুকু তোমার। –মাঝেমাঝে অফিস থেকে ছুটি নিবা।আর প্রত্যেক সপ্তাহে আমাকে নিয়ে রিক্সায় করে ঘুরতে বের হবা। -ওকে মাই ডিয়ার। -আমি রাগ করলে আমার রাগ ভাঙ্গাতে হবে। –আপনার সব শর্ত মেনে নিলাম। . আসলে বিয়ের পর সব স্ত্রীগুলাই তার স্বামীকে অনেকগুলো শর্ত জুড়ে দেয়।আর স্বামীরাও বোকার মত হ্যা বলে দেয়। আর এটাই ভালবাসা। যখন ঘুরতে যাবার জন্যে দুজন কোন দিন ঠিক করে। আর স্ত্রী তার নিজের পছন্দ মত সাজগোজ করে আর ঐদিকে স্বামী তার অফিসের কাজে আটকে যায়।ফিরে রাত ১০ টায়।বাসায় এসে যখন স্ত্রীর সামনে কান ধরে বলে সরি।তখন স্ত্রীর সারাদিনের এত্তগুলা রাগটা একেবারে আগুন জল হয়ে যায়। এটাই ভালবাসা। . স্বামী যখন অনেক রাত করে বাড়ি ফিরে। আর স্ত্রী তখন ক্ষুধার্ত পেট নিয়ে খাবার টেবিলে বসে থাকে। সামনে খাবার থাকা সত্ত্বেও কারন স্বামী আসলে একসাথে খাবে বলে। আর এটাই ভালবাসা। . স্বামী স্ত্রী যখন মার্কেটে যায় মার্কেট করতে। আর স্ত্রী যখন একটা শাড়ি পছন্দ করে যখন দেখে শাড়িটার দাম পাচঁ হাজার টাকা। তখন স্ত্রী যেকোন একটা অজুহাত দেখিয়ে শাড়ি না কিনেই চলে যায়।এটাই ভালবাসা। আর এই শাড়িটাই যখন তার স্বামী পরে সেই মার্কেট থেকে কিনে নিয়ে এসে স্ত্রীকে দেয়। আর স্ত্রী তা দেখে যখন জল ভর্তি চোখ নিয়ে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে এটাও ভালবাসা। . স্বামীর জন্যে যখন টানাটানির সংসার খরচ থেকে অল্প অল্প করে একটা শার্ট আরেকটা প্যান্ট বানিয়ে স্পেশাল কোনদিনে স্বামীকে গিফট করে।এটাও এক প্রকার ভালবাসা। . আসলে ভালবাসার অনেক উপায় হয়। ভালবাসার উপায় বলে শেষ করা যাবে না। ভালাবাসা প্রকাশের জন্য বার ভালবাসি বলতে হয় না। ভালবাসি বোঝানোর জন্য চোখের ইশারাই যথেষ্ট। আর ভালবাসা প্রকাশের জন্য বড় বড় রেস্টুরেন্টে না গিয়ে পার্কের ভিতর গাছের নিচে বসে দুজন মিলে দশ টাকার বাদাম অথবা দুই কাপ চা। আর দুটো বিস্কুট খেয়ে লাঞ্চ শেষ করা এটারও মধ্যে ভালবাসা জড়িয়ে থাকে। আসলে ভালবাসার জন্যে অত টাকা অত অর্থ লাগেনা।। লাগেনা বিলাস বহুল ফ্ল্যাট। লাগেনা দামি গাড়ি। লাগেনা ভরি ভরি গয়না। লাগে সুন্দর একটা মন। যেই মনের ভিতর অফুরন্ত ভালবাসা থাকতে হবে। আর থাকতে হবে দুজন দুজনের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস। থাকতে হবে দুজনের সমঝোতা। আর শত ব্যাস্ততার মাঝেও থাকতে হবে ভালবাসার মানুষটির জন্য অল্প একটু সময়। আর সেই সময়টা শুধু মাত্র তার জন্যই উৎসর্গ করতে হবে। আর এগুলোর মাঝেই লুকিয়ে থাকে অফুরন্ত ভালবাসা। লেখা:- Nasim Ahmmed (ছন্নছাড়া বালক) বিঃদ্রঃ ভুলত্রুটি মার্জনীয়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আবরণ (একটি নিঃশব্দ ভালোবাসার ছোট উপন্যাস )
→ বাবা-মেয়ের অতৃপ্ত ভালোবাসা
→ “ডাটা প্যাকের ভালোবাসা”
→ ভুলের অঙ্কে সঠিক ভালোবাসা
→ ভালোবাসার ধৈর্যের পাঠশালা
→ টুকি বাবুর ভালোবাসা
→ চিরন্তন ভালোবাসা
→ শিমুল তুলার কোলবালিশ: টুকটুকে লাল ভালোবাসা
→ মায়ের প্রতি লুকায়িত ভালোবাসা
→ দুই বন্ধুর পবিত্র ভালোবাসা
→ অপূর্ণ ভালোবাসা-১০
→ অপূর্ণ ভালোবাসা-৯
→ অপূর্ণ ভালোবাসা-৮
→ অপূর্ণ ভালোবাসা-৭
→ অপূর্ণ ভালোবাসা-৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now