বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালবাসা বুঝি এমনি হয়

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X "ভালবাসা বুঝি এমনি হয়" . লেখা: Jisanur Rahman Alvi . _স্বপন!! এই স্বপন !! ঘুম থেকে উঠো ! আমার না বড্ড ভয় করছে! _কেনো, তুলি? কি হয়েছে (ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে) _দেখছো বাহিরে কত্তো জোড়ে জোড়ে বিদ্যুৎচমকাচ্ছে!? _জানালা গুলা বন্ধ করে দিয়ে ঘুমিয়ে পড় লক্ষি! _না স্বপন ! আমি পারবোনা। আমার খুব ভয় করে। _আরে যাও তো।বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়(ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে রাগি কন্ঠে) . কথাটি বলে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছে স্বপন একদম মনে নেই।হঠাৎ তুলির চিৎকারে স্বপনের ঘুম ভেঙ্গে গেলো। স্বপন খেয়াল করে দেখলো তুলি কানে হাত দিয়ে চিল্লাইতেছে। বিছানা থেকে সোজা লাফ দিয়ে তুলির নিকটে চলে যায়।মেয়েটা যে এতো ভয় পাবে একদম খেয়ালি করেনি। . _তুলি.! এই তুলি ! আমি স্বপন, চোখ খুলে দেখো?! মেয়েটা জড় সড়ো হয়ে গুটিয়ে বসে আছে ভয়ে। চোখ খুলছেই না।বিদ্যুৎ চমকানো তে মেয়েটা বড্ড ভয় পেয়েছে।আমি ওকে দাড় করিয়ে বিছানার দিকে আনতেই আরেকটি বিজলি পরাতেই তুলি শক্ত করে আমায় জড়িয়ে ধরলো।ঠিক যেনো ছোট বাচ্চাদের মতো। . তুলি কে জড়িয়ে নিয়েই বিছানা অবধি গেলামা।ওকে বিছানায় রেখে জানালা গুলো বন্ধ করে দিয়ে আসলাম যেনো পাগলিটা ভয় না পায়। রাত গভীর হচ্ছে।বৃষ্টি এখনো শেষ হয়নি।বৃষ্টি পড়ার টপ টপানি শব্দ কানে এসে এক অন্যরকমের ভালো লাগা জোগান দিচ্ছে। , আবার দেখলো বিদ্যুৎ চমকালো তাই তুলি ভয় পাওয়ার আগেই বিছানায় শুইলাম আর চাদরটা তুলির গায়ে জড়িয়ে দিলো। স্বপনের নড়াচরা দেখেই ,তুলি শক্ত করে জড়িয়ে ধরে গভীর ঘুমে ঘুমাচ্ছে। ভারি মায়াবি লাগছে মেয়েটাকে।মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকানোর আলো গুলো তুলির মুখে পরে তুলির রুপ যেনো দিগুন করে দিয়ে মুক্তার মত তার মুখশ্রী টা জ্বলছে। . মেয়েটির চোখে একটু পানি দেখলেই যেনো স্বপনের শরীর থেকে রক্ত ঝড়ছে এমন মনে হয়। সেই কবে মেয়েটা বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসেছিলো স্বপন এর কাছে। আসার পর থেকে স্বপন কে ছেরে একটা দিনো অন্য কোথাও কাটায়নি। এসব পুরোনো দিনের নানা কথা ভাবতে ভাবতে কখন যেনো ঘুমিয়ে গেছে।হঠাৎ তুলির ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো- . _স্বপন, এই স্বপন!(তুলি) _হ্যা লক্ষি বলো? _দেখো ফজরের আযান দিচ্ছে।তারাতারি উঠে ফ্রেশ হয়ে নাও ফজরের নামাজ পড়তে হবে। _আচ্ছা বাবুনি! একটু অপেক্ষা করো আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি? _ঠিক আছে বাবুনি . তারপর দুই জনে এক সাথে ফজরের নামাজ পরে নিলো। আগামিকাল তাদের বিবাহ বার্ষিকি।তারা প্লান করেছে তাদের এই বিবাহ বার্ষিকী টা আশ্রমে অসহায় লোকদের সাথে কাটিয়ে দিবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালবাসা বুঝি এমনি হয়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now