বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জামাই আদর দিয়ে ভাইকে ভিতরে নিয়ে গেল, সাথে আমাদেরকেও। এত এত আনন্দের মাঝখানে বিদ্যুৎ চলে গিয়ে আনন্দটা মাটি করে দিল। অতি গরমে ঘামতে শুরু করলাম। তাই বেয়াইনকে ডেকে বললাম:
- এক মগ ঠাণ্ডা পানি আর একটা পাখা নিয়ে আসেন। সাথে লেবুর শরবত হলে আরো ভাল হয়।
- মানে?
- মানে আমার ভাইয়া আপনার দুলাভাই গরমে ঘেমে ঘেমে শরীরের লবণ পানি সব বের হয়ে একদম দূর্বল হয়ে গেছে।
- তো?
- এখন যদি ঠাণ্ডা পানি আর একটা পাখা দিতেন তাহলে ভাইটা আমার গরম থেকে রক্ষা পেত।
- আর লেবুর শরবত?
- সেটা শরীরকে তাজা করার জন্য।
- তা এসব কথা আপনার ভাই না বলে আপনি বলছেন কেন? আপনার ভাইয়ের কি মুখ নেই নাকি কথা বলতে পারেনা।
- আপনি দেখি বাচ্চাদের মত কথা বলেন। আরে ওনি নতুন জামাই না। লজ্জা পাচ্ছে তাই বলতে পারছেনা।
- তার মানে কি আপনি নির্লজ্জ?
- ধুরু! আমি কি সেইটা বলছি নাকি!
- আচ্ছা! বুঝলাম। আমাকে বলতে না হয় লজ্জা লাগে, নিজের বউকে বলতে কিসের লজ্জা?
- আমিতো এখনো বিয়ে করেনি। বউ পাব কোথায়?
- ঐ আমি কি আপনার কথা বলছি!
- তাইলে কার কথা বলছেন?
- আপনি আসলেই একটা ভেজাল। অপেক্ষা করুন, আমি সব ব্যাবস্থা করে ঘরে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
রাগ দেখালেও কাজটা যে আদায় করে নিতে পারছি সেটাই অনেক। লেবুর শরবত আর ঠাণ্ডা পানি খেয়ে শরীরটা চাঙ্গা হয়ে গেল। এত উপকার করল তাই সকালবেলা বেয়াইনকে ডেকে এনে ধন্যবাদ দিয়ে দিলাম। বেয়াইনকে ধন্যবাদ দিতেই অবাক হয়ে গেল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now