বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বারাক ওবামা যখন ক্ষমতায় আসেন তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরিভাবে দুটি যুদ্ধে জড়িত ছিল।
প্রলম্বিত এই যুদ্ধে ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারসহ ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনার মৃত্যু ঘটে। যুদ্ধ বন্ধ করা ও ইরাক, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা ছিল বারাক ওবামার ক্ষমতায় আসার ম্যান্ডেট।
শত্রু দমন না করে ফিরে আসায় অনেকেই তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তা বিষয়ে আপসকারী মনে করলেও তাঁর আমলে সবচেয়ে বেশি সাধারণ জনগণ হত্যা ও শরণার্থীসংকট হয়। চালকবিহীন অনৈতিক ড্রোন হামলা হয় সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িতে, মসজিদে, স্কুলে, হাসপাতালে, এমনকি বিয়েবাড়িতেও। এসব হামলার প্রকৃত চিত্র কিছু উইকিলিকসের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, আর কিছু হয়তো মার্কিন নথিপত্রে আছে, কিংবা ধ্বংস করা হয়েছে।
যেভাবে ৯/১১ কমিশন রিপোর্টে ২৮ পৃষ্ঠাজুড়ে হামলাকারীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের যে বর্ণনা ছিল, তা মূল রিপোর্ট থেকে কেটে ফেলা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে কখনোই তা প্রকাশ করা হয়নি।
ইরাকের মসুল, সিরিয়া বা নিজেদের ঘোষণা করা ‘খিলাফত’ থেকে আইএস বিতাড়িত হলেই সমস্যার সমাধান হবে, এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।
যেভাবে তালেবান থেকে আল-কায়েদা ও আল-কায়েদা থেকে আইএসের জন্ম, একইভাবে ইরাক ও সিরিয়া থেকে উৎখাত হওয়া আইএস আদর্শের মানুষগুলো কোথাও না কোথাও, কারও না কারও দ্বারা, কোনো না কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতেই থাকবে। বিশ্বরাজনীতি ও বিশ্বব্যবস্থায় ইতিবাচক কোনো পরিবর্তন আসছে—এমন কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না।
বরং উল্টো লক্ষণগুলোই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। উগ্র জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা বেড়েই চলছে। দেশে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বিশ্বব্যাপী সর্বজনীন মানবাধিকার নিশ্চিত বা শোষণ ও আগ্রাসনের অবসান হতে যাচ্ছে—এমন আশাবাদ যেহেতু করা যাচ্ছে না, তাই নতুন কোনো নামে হোক বা ভিন্ন রূপে হোক, এ ধরনের বিভিন্ন দল জন্ম নিতেই থাকবে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now