বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ব্যাচেলরের প্রেম মোহাব্বত
by: Shahadat Hosain Sabbir
(আগের পর্বের পর)
- তা দেখবেন কেন? মেয়ে দেখলে তো আপনাদের স্পিড বেড়ে যায়।
- এটা ঠিক বললেন না। আমি সবসময় নিউট্রাল এ থাকি। তবে এখন আপনার সাথে কথা চালানোর অবস্থায় নেই আমি। খুব খিদে পেয়েছে। ডিম এনে রান্না করতে হবে। চলি টাটা।
- যান যান। আপনার সাথে তর্ক করতে আমার বয়েই গেছে। হুহ...
- বিকালে পারলে ছাদে আসবেন। আমি এনার্জিত হয়ে আসবো। বাই...
রাগে ফোস ফোস করতে লাগলো মেয়েটা।
অবনি হায়দার।
পর্ব: ০২
সন্ধ্যা ৭.৩০। অবনির মনটা খুব খারাপ। সারাটা বিকেল সে ছাদে ছিল। ভেবেছিল দুপুরের ছেলেটা আসবে। কিন্তু না আসে নি।
নিজেকেই থাপড়াতে ইচ্ছে করছে এখন। এত বোকা কেন সে? সে তো জানে যে, ছেলেরা এমনি হয়। মিষ্টি কথায় ওয়াদা করবে আর ভঙ্গ করবে। নাহ নিজেকে শক্ত হতে হবে। যাকে বিশ্বাস করে ভালোবেসেছিল সেইতো ছুড়ে ফেলে দিল। আর এই ছেলে আর এমন কি।
কিন্তু অবনি আবার ভালোবাসতে চায়। কিন্তু জানে সেটা আর হবার নয়।
- কিরে মা কি করস? আসমু? রুমের বাইরে থেকে অবনির মা চুমকি বেগমের কন্ঠ।
-হ্যা মা আসো।
-কিরে! তোর মুখটা এমন লাগতাছে ক্যা? শইল খারাপ লাগে?
-না মা কিছুনা। আচ্ছা মা দুপুরে একটা ছেলে দেখলাম উপর থেকে নামতেছে। নতুন আসছে নাকি?
-নতুন আর কি। এক মাসের মতন হইছে। তোর বাপের লেইগা নাইলে এইসব আবিআইত্যা পোলাপান ক্যাডায় ভাড়া দেয়? এগুলার মতলব ভালানা। ভাড়া নেওনের সময় মেনি বিলাইর মতন থাহে। পরে দেহা যায় বাড়ির ডাঙ্গর মাইয়াগো লগে লটর পটর করে। কিল্ল্যাইগা? তরে কিছু কইছে নি?
- আরে নাহ। সাহস আছে নাকি!! ঠ্যাং ভাইঙ্গা দিমুনা। দুপুরে উঠার সময় দেখলাম তাড়াহুড়া করে নামতাছে। তাই জিজ্ঞাস করলাম।
- থাক তরে কিছু জিগাইলে আমগো কাছে কবি। তর মাতুব্বরি করা লাগবো না। একখানে মাতুব্বরি করতে গিয়া নিজের কি হাল করছস। আর না।
- মা প্লিজ। তোমাকে আমি ওই কথাগুলো বলতে বারন করেছি। অতীত টা আর মনে করিও না তো।
- আইচ্ছা মা। ভুল অইছে। আর শুন, আমগো বুয়ার থেইক্যা শুনছি ওই পোলায় বলে খুব ডিম খায়। নিশ্চই অনেক শক্তি। তুই অর লগে লাগতে যাইস না মা।
মায়ের কথায় ফিক করে হেসে ফেলল অবনী।
-আইচ্ছা যাও লাগবো না। তবে শোন ওই ছেলে যদি ডিম খেয়ে শক্তি বানায় তবে আমিও কিন্তু কম না। তোমার দুধ খেয়ে বড় হইছি না আমি?
-এইটা মা ঠিক কইছস। শঙ্কার ভাবটা কেটে যায় চুমকি বেগমের।
- হুমম। সো, নো টেনশন। এবার আমার জন্য এককাপ চা বানিয়ে আনোতো।
-আইচ্ছা বস, আনতাছি।
অবনী মায়ের গমন পথে চেয়ে রইল। একি!! দুপুরের ছেলেটির চেহারা ভেসে উঠছে কেন?? সে কেন ছেলেটিকে নিয়ে ভাবছে??
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now