বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#আয়না
পর্ব_৩
#Joker
বাকি ২০টাকা তো আফরিনের আমি টাকা পকেটে রেখে দিলাম যেদিন দেখা হবে সেদিন দিয়ে দিব।
|
বেশ নিজের জায়গায় চলে গেলাম।আফরিনকে ধন্যবাদ বলতে পারলাম না।মেয়েটা যে এমন জলদিতে ছিল আমার বলার কিছু ছিল না।
|
ঘরে বসে গান শুনছি।আম্মু আমার জন্য ডিম পোস্ট করছে।প্রথমে আম্মু শাক দিয়ে চালিয়ে দিতে চাইছিল কিন্তু আমি মানা করে দিলাম।
তাই আম্মু বাধ্য সন্তানের মত ডিম পোস্ট করতে হল।
|
আমি গানের মধ্যে মগ্ন।ভাত খাব বলে পা নাড়াতে নাড়াতে গান শুনতে হচ্ছে।হঠাৎ আমার ফ্লোর কাপতে শুরু করলো।
|
--আম্মু নিচে কি হচ্ছে?
--আজকে একটা নতুন ভাড়াটিয়া আসছে তাই সব মালপত্র ঢুকাচ্ছে!
--তাই বলে এত আওয়াজ আমার ঠিক করে বসতে পাচ্ছি না
--তুই আবার কিছু করতে যাস না তোর আব্বু আসলে তোর খবর আছে
|
আমার আব্বুর নাম শুনলে বাতাস চুটে তাই কথা বাড়ালাম না।ভাতের বাসন নিয়ে ডাল নিয়ে ডিম দিয়ে ভাত পেটে পুড়ছি।
বাসনকে চেটেপুটে খেয়ে আম্মু হাতে বাসনটা ধরিয়ে হাত ধুয়ে নিলাম।
|
বিকেলে আবার আমার ঘুম আসে না তাই আমার বেকার বন্ধু আবসারের কাছে যেতে হয়।আবসার আমার একমাত্র কষ্ট বুঝে।আবসারকে প্লেন করছি এ শুক্রবার তো ঘুরতে যাবো।
|
আমার কানে হেডফোন। গান শুনার বদঅভ্যাস কখন থেকে জানি না।কিন্তু গান গাওয়ার শখ ছোট থেকে।
|
গানের একটা একটা বিটে আমি সিডি দিয়ে নামছি।তখনই চেনা চেনা মুখ আমার সামনে ভেসে ওঠলো।আরে এ তো আর কেউ না আমার মানে আফরিন।
|
কার সাথে ঝকড়া করছে?আমি কাছে গিয়ে দেখলাম। মজুরের সাথে ঝকড়া করছে।আরে এ কেমন মেয়ে সবার সাথে রেগে কথা বলে।আমি ঝকড়া সামসল দিতে গেলাম কারন ঝকড়া থামাতে গেলে ওল্টা আমার ওপর তেড়ে ওঠবে যেটা আমি চাই না।
|
সোজা সিডি দিয়ে নেমে চলে আসলাম।কিন্তু তার মুখটা আমার মনে বার বার ভাসছে কেন?
আবসার আমার জন্য চায়ের দোকানে বসে আছে।
|
--তোর অপেক্ষায় আমি চার গ্লাস চা খেয়ে গেলাম
--আচ্ছা আমি তোর চায়ের টাকা দিব
--কি আজ এত খুশি কেন?
--তুই বল!
--মা-বাবা টাকা দিছে!!
--না!!
--নতুন মোবাইল কিনে দিছে!
--আবে না
--তো কি!
--ভাই একটা মেয়ে...
--প্রেমে পড়ে গেছিস?
--আমার কথা শেষ করতে দেয়!
--আচ্ছা বল!
--তোর মনে আছে আমি চকবাজার গেছিলাম
--হুমম!
--সেদিন মেয়েটাকে দেখছি কি একটা অদ্ভুত মেয়েরে বাবা!!যার তার ওপর রেগে যায়। এখন আজ দেখলাম আমাদের নতুন ভাড়াটিয়াও ওই মেয়েটা!
--ভাই তুই সাবধানে থাকিস তোর হিটলার বাবা কিন্তু তোকে জানলে অনেক পেদাবে।
|
আবসার চলে যাচ্ছে।গাড়ির একটা জড়ো বাতাস যেন আমায় আঘাত করে চলে গেল।আমি এসময়গুলোকে ধরে রাখতে চাইছিলাম।কিন্তু সেগুলো হাত থেকে একটা একটা চলে যাচ্ছে।
|
ঢাকার ধুলোবালি আমার নাকে ভরে আছে।তাই কম দামি একটা মাস্ক কিনলাম।মাস্কটা বেশ ধুলো বালি থেকে রক্ষা করছে।
|
আফরিন আমাকে মাস্কে চিনতে পারলো না।আফরিনের পাশে তার মা।আফরিন ঠিক মায়ের মত।জানি না রাগটা কি মায়ের নাকি বাপের।বাপ কে তো দেখছি না?
|
আমি ক্লান্ত ছিলাম বলে আর বেশিক্ষণ দাড়িয়ে না থেকে ওপরে উঠে গেলাম।আমরা দুইতলায় ছিলাম।আর আফরিনরা গ্রাউন ফ্লোরে।আমি ওয়াশরুমে গিয়ে মুখটা ধুয়ে নিলাম।
|
ফ্রেস হয়ে বিছানায় শুয়ে গেলাম কখন যে ঘুম চলে আসলো জানতে পারলাম না।ঘুম থেকে উঠে দেখি আম্মু নেই।তাই ঘর থেকে বের হলাম আম্মু কোথায়?
|
আম্মু আওয়াজ ঠিক আফরিনের ঘর থেকে শুনা যাচ্ছে তাই চটফট একটা নতুন ড্রেশ পড়ে স্প্রে লাগিয়ে নিচে গেলাম।
|
আম্মু আফরিনের আম্মুর সাথে কথা বলছেন।আমিও যোগ দিলাম।কিন্তু আমার চোখ খুজছিল আফরিনকে। তখন নজর গেল বেডরুমে।আফরিন বেডে পা ফেলে ল্যাপটপে কি যেন করছে। হয়তো চ্যাটিং?
|
আমাকে জানতে হবে আফরিনের আইডি!!
তাদের ঘরে বেশিক্ষণ ছিলাম না।
|
কফির খেতে বেশি ভালোবাসি কিন্তু নিজের হাতে। অন্যের হাতের কফি আমি খাই না।এমন কি আম্মু বানালেও।আমি কফি বানাতে মজা পাই।
|
নিজের মধ্যে একটা শান্তি খুজে পাই।কফিটা আবার আরেকটা জায়গায় কাজ করে।সন্ধ্যায় আমার বেশ ঘুম পাই।কফিটা মাস্ট থাকতে হবে।
|
কফির গ্লাস হাতে নিয়ে ভাবছি যদি আফরিনে ফেসবুক আইডি কোথায় পাবো?????
,
,
,
,
,
,
চলবে,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now