বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আয়াতের আয়নায় — (পর্ব:৩) যে জিনিসটা তুমি প্রাণপণে চেয়েছিলে, আল্লাহ যদি সেটাই তোমার জন্য না রাখেন?

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shariful Islam (০ পয়েন্ট)

X যে জিনিসটা তুমি প্রাণপণে চেয়েছিলে, আল্লাহ যদি সেটাই তোমার জন্য না রাখেন? কিছু কিছু দোয়া আছে, যেগুলোর কথা মানুষ কাউকে বলে না। রাতের অন্ধকারে চুপচাপ চাওয়া হয়। সিজদায় গিয়ে চাওয়া হয়। নামাজের পর হাত তুলে চাওয়া হয়। কখনো চোখের পানি মুছে মুছে চাওয়া হয়। কখনো মনে হয় এবার যদি আল্লাহ এটা দিয়ে দেন, তাহলে জীবনটা ঠিক হয়ে যাবে। হয়তো একজন মানুষ। হয়তো একটা চাকরি। হয়তো একটা ব্যবসা। হয়তো কোনো একটা সম্পর্ক। হয়তো বিদেশ যাওয়ার সুযোগ। হয়তো এমন একটা স্বপ্ন, যেটার পেছনে আপনি বছরের পর বছর ছুটেছেন। আপনি চেয়েছেন। অনেক চেয়েছেন। আল্লাহর কাছে চেয়েছেন। তারপর একদিন দেখলেন সেটা আপনার হলো না। যাকে চেয়েছিলেন, সে অন্য কারও হয়ে গেল। যে চাকরিটার জন্য এত প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, সেটা অন্য কেউ পেয়ে গেল। যে ব্যবসাটা নিয়ে এত স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটাও দাঁড়াল না। যে দরজাটাকে আপনি বারবার ধাক্কা দিয়েছিলেন, সেটাই আপনার সামনে বন্ধ হয়ে গেল। আর সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার কী জানেন? আপনি তখন শুধু জিনিসটা হারান না। আপনি আপনার নিজের একটা ভবিষ্যৎও হারান। কারণ আপনি তো শুধু একজন মানুষকে চাননি। আপনি তার সঙ্গে একটা জীবন কল্পনা করেছিলেন। আপনি শুধু চাকরিটা চাননি। আপনি তার সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ কল্পনা করেছিলেন। আপনি শুধু একটা ব্যবসা চাননি। আপনি ভেবেছিলেন একদিন এটা বড় হবে, মানুষ আপনাকে চিনবে, পরিবারকে ভালো রাখবেন, নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন। তাই যখন জিনিসটা হারিয়ে যায়, তখন শুধু বর্তমানটাই ভাঙে না। ভেঙে যায় আপনার কল্পনা করা ভবিষ্যৎটাও। তখন মানুষ একটা প্রশ্ন করে “আল্লাহ, আমি তো আপনার কাছেই চেয়েছিলাম। তাহলে আপনি দিলেন না কেন?” এই প্রশ্নের ভেতরে অনেক কান্না আছে। অনেক অভিমান আছে। অনেক না-বলা কথা আছে। কখনো কখনো এমনও হয় মানুষ আল্লাহর ওপর রাগ করে না, কিন্তু আল্লাহর সিদ্ধান্তটা বুঝতে পারে না। সে নামাজ পড়ে। দোয়া করে। তবুও বুকের ভেতর একটা প্রশ্ন থেকে যায় “আমি এত চেয়েও কেন পেলাম না?” কুরআন এমন একটা জায়গায় এসে আমাদের খুব কোমলভাবে থামিয়ে দেয়। আল্লাহ বলেন— “হতে পারে, তোমরা কোনো বিষয় অপছন্দ কর অথচ তাতে তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে; আর হতে পারে, তোমরা কোনো বিষয় পছন্দ কর অথচ তাতে তোমাদের জন্য অকল্যাণ রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।” — সূরা আল-বাকারা, ২:২১৬ শেষ কথাটা খুব ছোট। “আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।” কিন্তু এই কয়েকটি শব্দের মধ্যে একজন মুমিনের পুরো জীবনদর্শন লুকিয়ে আছে। কারণ আমরা শুধু বর্তমানটা দেখি। আল্লাহ দেখেন শেষটা। আমরা একটা দরজা দেখি। আল্লাহ দেখেন দরজার ওপাশে কী আছে। আমরা একটা মানুষকে দেখি। আল্লাহ দেখেন সে মানুষটা আপনার ঈমান, আপনার ভবিষ্যৎ, আপনার পরিবার, আপনার অন্তর সবকিছুর জন্য কী নিয়ে আসবে। আমরা একটা সুযোগ দেখি। আল্লাহ জানেন সেই সুযোগটা আপনার জন্য রহমত হবে, নাকি ধীরে ধীরে আপনাকে তাঁর কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবে। এই জায়গাটাই মানুষের জন্য সবচেয়ে কঠিন। কারণ আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করতে জানি। কিন্তু আল্লাহর সিদ্ধান্ত মেনে নিতে কি আমরা জানি? আমরা চাই। অনেক চাই। কিন্তু কখনো কি বলি “ইয়া আল্লাহ, আমি এটা চাই। কিন্তু আপনি যদি জানেন, এটা আমার জন্য ভালো নয় তাহলে আমাকে এটা থেকে ফিরিয়ে দিন।” এই দোয়াটা বলা সহজ নয়। কারণ আমরা আল্লাহর কাছে নিজের ইচ্ছা তুলে ধরতে অভ্যস্ত। কিন্তু নিজের ইচ্ছার ওপর আল্লাহর জ্ঞানকে প্রাধান্য দিতে শেখা এটাই তো তাওয়াক্কুলের একটা গভীর জায়গা। একজন শিশু যদি তার বাবার কাছে একটা ধারালো ছুরি চায়, সে হয়তো সত্যিই সেটা চায়। তার চোখে ছুরিটা একটা খেলনা। সে বুঝতে পারে না, সেটা তার ক্ষতি করতে পারে। বাবা যদি ছুরিটা না দেন, শিশুটি হয়তো কাঁদবে। হয়তো অভিমান করবে। হয়তো ভাববে বাবা আমাকে ভালোবাসেন না। কিন্তু বাবা জানেন এমন কিছু, যা শিশুটি জানে না। শিশুটির কান্না বাবার ভালোবাসার প্রমাণ নয়। আর ছুরিটা না দেওয়া বাবার নিষ্ঠুরতার প্রমাণও নয়। বরং কখনো কখনো ভালোবাসার একটা রূপ হলো, আপনি যা চাইছেন তা না দেওয়া। আমাদের জীবনে আল্লাহর কিছু “না” হয়তো এমনই। আমরা তখন শুধু বন্ধ দরজাটা দেখি। কিন্তু জানি না আল্লাহ হয়তো আমাদের এমন একটা ঘর থেকে বের করে দিচ্ছেন, যেখানে আমরা নিজের অজান্তেই আগুনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। কত মানুষ আছে, যারা আজ ফিরে তাকিয়ে বলেছে “আলহামদুলিল্লাহ, সেটা আমার হয়নি।” যে সম্পর্কটা একসময় ভেঙে যাওয়ার কারণে সে কেঁদেছিল, কয়েক বছর পর বুঝেছে সেটা না হওয়াই তার জন্য রহমত ছিল। যে চাকরিটা না পাওয়ার কারণে সে ভেঙে পড়েছিল, পরে এমন একটা জায়গায় গেছে যেখানে তার জীবন সম্পূর্ণ অন্যরকম হয়ে গেছে। যে শহরে যেতে পারেনি বলে কেঁদেছিল, পরে বুঝেছে সেখানে গেলে হয়তো এমন কিছু হারাত, যা তার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান। কিন্তু একটা সমস্যা আছে। আমরা সাধারণত এই শিক্ষা পাই ঘটনা শেষ হওয়ার পরে। ঘটনার মাঝখানে দাঁড়িয়ে খুব কম মানুষ বলতে পারে “আল্লাহ জানেন, আমি জানি না।” কারণ কষ্টের সময় যুক্তি খুব ছোট হয়ে যায়। চোখের পানি যুক্তির কথা শুনতে চায় না। হৃদয় তখন শুধু বলে “আমি এটা চেয়েছিলাম।” “আমি তো এটার জন্য দোয়া করেছি।” “আমি তো এত চেষ্টা করেছি।” “তাহলে কেন?” হয়তো এই “কেন” প্রশ্নটার উত্তর আপনি আজ পাবেন না। হয়তো পাঁচ বছর পরও পাবেন না। হয়তো দুনিয়াতেও পাবেন না। কিন্তু একজন মুমিনের ঈমানের সৌন্দর্য এখানেই উত্তর না পেলেও সে রবের ওপর ভরসা করতে পারে। কারণ সে জানে আমার জ্ঞান সীমিত। আল্লাহর জ্ঞান সীমাহীন। আমি আজকের একটা মুহূর্ত দেখি। আল্লাহ আমার পুরো জীবন জানেন। আমি একটা সিদ্ধান্তের ফল দেখি না। আল্লাহ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জানেন। আমি শুধু চাই কী আমাকে আনন্দ দেবে। আল্লাহ জানেন কী আমাকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাবে। আর একজন মানুষ যদি সত্যিই তার রবকে ভালোবাসে, তাহলে একসময় তাকে একটা কঠিন শিক্ষা শিখতে হয় আল্লাহর কাছে শুধু নিজের ইচ্ছা পূরণ করানোই সম্পর্ক নয়। কখনো কখনো সম্পর্ক হলো “আমি বুঝতে পারছি না, তবুও আমি আপনাকে বিশ্বাস করছি।” “আমি কাঁদছি, তবুও আপনাকে ছেড়ে যাচ্ছি না।” “আমি চেয়েছিলাম অন্য কিছু, আপনি দিয়েছেন অন্য কিছু তবুও আমি বিশ্বাস করি, আপনি আমার চেয়ে ভালো জানেন।” এই জায়গায় এসে দোয়ার অর্থও বদলে যায়। দোয়া তখন শুধু “ইয়া আল্লাহ, এটা আমাকে দিন।” থাকে না। দোয়া হয়ে যায়, “ইয়া আল্লাহ, আমার জন্য যা কল্যাণকর, তা নির্ধারণ করুন। আর আমার হৃদয়কে আপনার সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট করে দিন।” কারণ সব চাওয়া পূরণ হওয়া রহমত নয়। কখনো কখনো চাওয়া পূরণ না হওয়াটাও রহমত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— “মুমিনের ব্যাপারটি আশ্চর্যজনক। তার সব ব্যাপারই তার জন্য কল্যাণকর—এটি মুমিন ছাড়া আর কারও জন্য নয়। তার কাছে আনন্দের কিছু এলে সে শুকরিয়া আদায় করে, আর তা তার জন্য কল্যাণকর। আর তার কাছে দুঃখের কিছু এলে সে সবর করে, আর তা তার জন্যও কল্যাণকর।” — সহিহ মুসলিম, হাদীস ২৯৯৯ খেয়াল করুন হাদীসটি বলেনি, মুমিনের জীবনে শুধু ভালো ঘটনাই ঘটবে। বরং বলেছে তার ভালো এবং খারাপ—উভয় অবস্থাতেই কল্যাণের রাস্তা থাকতে পারে। সুখ এলো সে শুকরিয়া করল। কষ্ট এলো সে সবর করল। এই দুই অবস্থার মাঝখানেই একজন মুমিন ধীরে ধীরে আল্লাহর দিকে এগিয়ে যায়। তাই আপনার জীবনে আজ যদি কোনো “না” থেকে থাকে, একটু থামুন। হয়তো আপনি এমন একটা উত্তর পেয়েছেন, যেটা আপনি চাননি। হয়তো আপনার কোনো প্রিয় মানুষ আপনার জীবন থেকে চলে গেছে। হয়তো কোনো সুযোগ আপনার হাতছাড়া হয়েছে। হয়তো আপনি যে দরজার সামনে বছরের পর বছর দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেটি আপনার জন্য খুলল না। আপনি কাঁদতে পারেন। কষ্ট পেতে পারেন। মন খারাপ হওয়াও অপরাধ নয়। ইসলাম আমাদের পাথর হয়ে যেতে শেখায় না। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজেও প্রিয়জন হারিয়ে কেঁদেছেন। কিন্তু কষ্টের মাঝেও এমন কিছু কথা আছে, যেগুলো একজন মুমিনকে ধরে রাখতে হয়। “আল্লাহ জানেন, আমি জানি না।” এই একটি বাক্য হয়তো আপনার হৃদয়ের অনেক যুদ্ধকে ধীরে ধীরে শান্ত করে দিতে পারে। কারণ আপনি যখন স্বীকার করেন “আমি জানি না” তখন আপনি নিজের সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করেন। আর যখন বলেন “আল্লাহ জানেন” তখন আপনি তাঁর জ্ঞানের ওপর ভরসা করেন। এটাই তো বান্দার সৌন্দর্য। সে সবকিছু বুঝে আল্লাহকে বিশ্বাস করে না। সে আল্লাহকে বিশ্বাস করে বলেই সবকিছু না বুঝেও শান্ত থাকার চেষ্টা করে। আজ আপনার যে কষ্টটা অসহনীয় মনে হচ্ছে, একদিন হয়তো সেটার দিকে তাকিয়ে আপনি বলবেন “আল্লাহ আমাকে তখন বাঁচিয়েছিলেন, আমি শুধু বুঝতে পারিনি।” হয়তো যে মানুষটা আপনাকে ছেড়ে গেছে, সে আপনার জন্য ক্ষতি ছিল। হয়তো যে দরজাটা বন্ধ হয়েছে, সেটা আপনাকে অন্য দরজার দিকে ঠেলে দিয়েছে। হয়তো যে স্বপ্নটা ভেঙেছে, সেটা আপনাকে এমন একজন মানুষ বানিয়েছে, যে আগের আপনি হতে পারতেন না। আর হয়তো কিছু কিছু “না” আপনার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর “হ্যাঁ”-এর শুরু ছিল। কিন্তু একটা কথা ভুলে যাবেন না। এই আয়াতকে নিজের ইচ্ছামতো ব্যবহার করে প্রতিটি ব্যর্থতাকে “আল্লাহর ইচ্ছা” বলে বসে থাকা ঠিক নয়। আল্লাহ আমাদের চেষ্টা করতে বলেছেন। দোয়া করতে বলেছেন। হালাল পথে চেষ্টা করতে বলেছেন। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চিন্তা করতে বলেছেন। তারপর ফল তাঁর হাতে ছেড়ে দিতে বলেছেন। তাওয়াক্কুল মানে বসে থাকা নয়। তাওয়াক্কুল মানে আমি আমার দায়িত্ব পালন করব, কিন্তু ফলাফলকে আমার রবের হাতে ছেড়ে দেব। আমি চেষ্টা করব। আমি দোয়া করব। আমি পরামর্শ নেব। আমি সঠিক পথ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করব। তারপর যদি ফল আমার ইচ্ছামতো না-ও হয়, আমি আমার রবকে দোষী বানাব না। কারণ আমি জানি “আল্লাহ জানেন, আমি জানি না।” হয়তো আজ আপনার জীবনে এমন কোনো একটা বিষয় আছে, যেটার জন্য আপনি এখনও কাঁদেন। কেউ জানে না। কেউ বুঝতেও পারে না। আপনি হয়তো বাইরে স্বাভাবিকভাবে জীবন কাটাচ্ছেন, কিন্তু ভেতরে এখনও একটা প্রশ্ন আছে “কেন এটা আমার সঙ্গে হলো?” আজ সেই প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমি দিতে পারব না। কেউই হয়তো পারবে না। কিন্তু কুরআন আপনাকে একটা আশ্রয় দিতে পারে। আল্লাহ জানেন। আপনি জানেন না। আপনি পুরো ছবিটা দেখছেন না। আপনি শুধু একটা অংশ দেখছেন। আর যিনি পুরো ছবিটা দেখছেন, তিনি আপনার রব। তাই হয়তো আজ আপনার সবচেয়ে সুন্দর দোয়াটা হবে “ইয়া আল্লাহ, আমি যে জিনিসটা চাই, যদি তা আমার জন্য ভালো হয়, তাহলে আমাকে তা দিন। আর যদি তা আমার জন্য ভালো না হয়, তাহলে আমার হৃদয়কে তা থেকে ফিরিয়ে দিন। আমার জন্য যা উত্তম, তা নির্ধারণ করুন। আর আপনার সিদ্ধান্তে আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন।” পরের "আয়াতের আয়নায়" তাই আমরা তাকাব শুকরিয়ার দিকে। একটা ছোট্ট আয়াত আমাদের জিজ্ঞেস করবে “তোমরা যদি কৃতজ্ঞ হও, আমি অবশ্যই তোমাদের আরও দেব।” কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা কি সত্যিই কৃতজ্ঞ? নাকি আল্লাহর দেওয়া হাজারটা নিয়ামত ভুলে গিয়ে শুধু একটা না-পাওয়া জিনিসের জন্য সারারাত কাঁদি? আয়াতের আয়নায় চতুর্থ পর্বে আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now