বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আয়াতের আয়নায় — (পর্ব ১) হৃদয়টা এত অস্থির কেন?

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shariful Islam (০ পয়েন্ট)

X আয়াতের আয়নায় — পর্ব ১ হৃদয়টা এত অস্থির কেন? কখনো কি এমন হয়েছে আপনার জীবনে আসলে খুব বড় কোনো সমস্যা নেই, অথচ মনটা শান্ত নেই? সবকিছু মোটামুটি ঠিকঠাক। আপনার হাতে একটা ফোন আছে। মাথার ওপর ছাদ আছে। খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিছু মানুষ আপনাকে ভালোবাসে। সামনে কিছু স্বপ্নও আছে। প্রতিদিনের মতো আজও সূর্য উঠেছে, রাত নামবে, আপনি ঘুমাতে যাবেন। তবুও কোথাও যেন একটা অদৃশ্য শূন্যতা। কী যেন নেই। কিন্তু কী নেই, সেটা আপনি নিজেও ঠিক করে বলতে পারেন না। তখন আমরা সাধারণত কী করি? আমরা মনে করি, হয়তো আরও কিছু দরকার। আরও টাকা হলে ভালো থাকব। আরও ভালো একটা চাকরি হলে ভালো থাকব। একটা ভালো সম্পর্ক হলে মনটা পূর্ণ হবে। একটা নতুন ফোন কিনলে আনন্দ পাব। মানুষ আমাকে একটু বেশি চিনলে ভালো লাগবে। আমার কাজটা যদি সবাই প্রশংসা করত! আমার পোস্টে যদি আরও মানুষ লাইক দিত! আমার জীবনটা যদি অন্য মানুষটার মতো হতো! তারপর আমরা একটার পর একটা জিনিসের পেছনে ছুটতে থাকি। একসময় যেটা চেয়েছিলাম, সেটা পেয়ে যাই। কিন্তু কিছুদিন পর আবার সেই পুরোনো অস্থিরতা ফিরে আসে। যে মানুষটা ভেবেছিল, “টাকাটা পেলেই শান্তি পাব” টাকা পাওয়ার পর সে আরও বেশি টাকার চিন্তায় পড়ে যায়। যে ভেবেছিল, “এই মানুষটা আমার জীবনে এলে আমি সুখী হব” মানুষটা আসার পরও তার ভেতরে অন্য এক ভয় জন্ম নেয়। যে ভেবেছিল, “একদিন সবাই আমাকে চিনবে” সবাই চিনতে শুরু করার পরও সে রাতে একা হয়ে যায়। তখন একটা অদ্ভুত সত্য ধীরে ধীরে সামনে আসে। আমরা হয়তো জীবনের অনেক কিছু ঠিক করার চেষ্টা করছি, কিন্তু জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটার খবরই নিচ্ছি না। সেটা হলো আমাদের হৃদয়। আমরা শরীরের যত্ন নিই। চেহারার যত্ন নিই। ক্যারিয়ারের যত্ন নিই। ব্যাংক ব্যালেন্সের যত্ন নিই। নিজের পরিচিতির যত্ন নিই। কিন্তু হৃদয়টা কোথায় আছে সেটা নিয়ে কতবার বসে ভাবি? হৃদয়টা কার কাছে পড়ে আছে? কিসের ওপর নির্ভর করছে? কাকে হারানোর ভয় সবচেয়ে বেশি? কার প্রশংসা পেলে আপনি খুশি হন? কার অবহেলা আপনাকে ভেঙে দেয়? কোন জিনিসটা না পেলে আপনার মনে হয় জীবনটা ব্যর্থ? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর হয়তো আমাদের নিজেদের সম্পর্কেই অনেক কিছু বলে দেয়। কুরআন আমাদের এমন এক জায়গায় নিয়ে যায়, যেখানে আমরা নিজের ভেতরটাকে নতুন করে দেখতে বাধ্য হই। আল্লাহ বলেন, “যারা ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়—জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।” — সূরা আর-রাদ, ১৩:২৮ আয়াতটা খুব ছোট। কিন্তু কখনো কখনো ছোট আয়াতের ভেতরেই মানুষের পুরো জীবন লুকিয়ে থাকে। খেয়াল করুন, আল্লাহ বলেননি টাকা থাকলে হৃদয় শান্ত হবে। বললেন না, মানুষ তোমাকে ভালোবাসলে হৃদয় শান্ত হবে। বললেন না, তোমার সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে হৃদয় শান্ত হবে। তিনি বললেন “আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।” আমাদের একটা বড় ভুল হলো, আমরা অনেক সময় জীবনের সমস্যাকে হৃদয়ের সমস্যার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি। আমরা ভাবি, সমস্যাটা বাইরে। অথচ কখনো কখনো সমস্যাটা বাইরে নয়। সমস্যাটা হলো ভেতরের মানুষটা তার রব থেকে দূরে সরে গেছে। একটা ছোট গল্প বলি। একজন মানুষ ছিল। সারাদিন কাজ করত। তার স্বপ্ন ছিল নিজের একটা বাড়ি হবে। অনেক কষ্ট করে সে বাড়ি বানাল। বাড়ি হলো। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার বাড়ি হওয়ার পরও তার ভেতরের অস্থিরতা গেল না। সে ভাবল, এবার গাড়ি দরকার। গাড়ি হলো। তারপর ভাবল, আরও ভালো একটা চাকরি দরকার। চাকরিও হলো। তারপর ভাবল, মানুষ তাকে যথেষ্ট সম্মান করছে না। আরও পরিচিতি দরকার। পরিচিতিও হলো। একদিন গভীর রাতে সে নিজের ঘরে বসে ছিল। চারদিকে সবকিছু ছিল। শুধু শান্তিটা ছিল না। তার চোখ হঠাৎ নিজের ঘরের একটা পুরোনো কুরআনের দিকে গেল। অনেকদিন খোলা হয়নি। সে কুরআনটা হাতে নিল। কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকল। তারপর একটা প্রশ্ন তার নিজের কাছেই ফিরে এলো “আমি এতদিন জীবনের সবকিছু ঠিক করতে চেয়েছি, কিন্তু আমার রবের সঙ্গে সম্পর্কটা ঠিক করার চেষ্টা কবে করেছি?” প্রশ্নটা খুব সাধারণ। কিন্তু কিছু প্রশ্ন মানুষের ঘুম কেড়ে নেয়। কারণ উত্তরটা আমরা অনেক সময় আগে থেকেই জানি। আমরা আল্লাহকে চাই, কিন্তু আল্লাহর কথা মনে রাখার জন্য সময় চাই না। আমরা শান্তি চাই, কিন্তু সালাতকে জীবনের কেন্দ্র বানাতে চাই না। আমরা বিপদে পড়ে বলি, “আল্লাহ আমাকে সাহায্য করুন।” কিন্তু বিপদ চলে গেলে আবার এমনভাবে জীবন কাটাই, যেন তাঁকে আমাদের আর প্রয়োজন নেই। আমরা চাই আল্লাহ আমাদের কথা শুনুন। কিন্তু আমরা কি কখনো থেমে তাঁর কথা শুনি? এই জায়গাটাতেই “যিকর” শব্দটার গভীরতা আছে। আল্লাহকে স্মরণ করা শুধু মুখে কিছু শব্দ উচ্চারণ করা নয়। যিকর হলো এমন এক অবস্থান, যেখানে মানুষ তার জীবনের কেন্দ্র থেকে আল্লাহকে হারিয়ে ফেলতে চায় না। আপনি বাজারে থাকতে পারেন। অফিসে থাকতে পারেন। ডিজাইন করতে পারেন। ব্যবসা করতে পারেন। বাসে বসে থাকতে পারেন। একলা ঘরে থাকতে পারেন। মানুষের ভিড়ের মধ্যেও থাকতে পারেন। তবু আপনার হৃদয়ের কোথাও যদি এই অনুভূতিটা থাকে “আমার একজন রব আছেন, তিনি আমাকে দেখছেন, আমি তাঁর কাছেই ফিরব” তাহলে আপনার জীবন আর আগের মতো থাকে না। আপনার সিদ্ধান্ত বদলে যায়। আপনার ভয় বদলে যায়। আপনার আনন্দ বদলে যায়। এমনকি আপনার দুঃখও বদলে যায়। কারণ তখন আপনি জানেন আমি একা নই। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের এমন একটি হাদীসও জানিয়েছেন, যেখানে কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর স্মরণের মজলিসের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে এবং পরস্পর তা অধ্যয়ন করে, তাদের ওপর প্রশান্তি নেমে আসে, রহমত তাদের ঢেকে নেয়, ফেরেশতারা তাদের ঘিরে রাখে এবং আল্লাহ তাদের কথা তাঁর নিকটবর্তীদের মাঝে উল্লেখ করেন। (সহিহ মুসলিম, হাদীস ২৬৯৯) ভাবুন তো। আমরা কত মানুষের কাছে নিজের নাম পৌঁছাতে চাই। কত follower চাই। কত মানুষ যেন আমাদের চিনে সেটা নিয়ে চিন্তা করি। অথচ এমন এক রব আছেন, যিনি তাঁর নিকটবর্তী ফেরেশতাদের মাঝে আপনার কথা উল্লেখ করতে পারেন। আমরা দুনিয়ার মানুষের attention পাওয়ার জন্য কত কিছু করি। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্য কতটা করি? এই প্রশ্নটা একটু কঠিন। কারণ আমরা অনেক সময় ধর্মকেও নিজের জীবনের আরেকটি “task” বানিয়ে ফেলি। আজ কিছু যিকর করলাম। আজ কিছু কুরআন পড়লাম। আজ একটা পোস্টে ইসলামিক কথা লিখলাম। আজ কাউকে ভালো কথা বললাম। তারপর মনে হলো কাজ শেষ। কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক কোনো checklist নয়। এটা সম্পর্ক। আর সম্পর্কের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো আপনি একা থাকলেও যাকে মনে রাখেন, তিনিই আপনার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছে। মানুষ যখন আপনাকে দেখে না, তখন আপনি কী করেন? কেউ প্রশংসা করবে না, জেনেও কি আপনি ভালো কাজ করেন? কেউ জানবে না, জেনেও কি আপনি কোনো হারাম কাজ ছেড়ে দেন? কেউ বাহবা দেবে না, জেনেও কি আপনি নামাজে দাঁড়ান? কেউ ছবি তুলবে না, জেনেও কি আপনি কাউকে সাহায্য করেন? কেউ আপনার পোস্টে “মাশাআল্লাহ” লিখবে না, জেনেও কি আপনি আল্লাহকে স্মরণ করেন? হয়তো এখানেই আসল পরিবর্তন শুরু হয়। কারণ মানুষকে দেখানোর জন্য করা কাজ মানুষের কাছেই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু আল্লাহর জন্য করা কাজ মানুষ না জানলেও আল্লাহর কাছে হারিয়ে যায় না। আর হয়তো এ কারণেই আমাদের হৃদয়ের শান্তিও মানুষের হাতে রাখা হয়নি। মানুষ আপনাকে ছেড়ে যেতে পারে। আপনার প্রিয় মানুষ বদলে যেতে পারে। আপনার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আপনার চাকরি চলে যেতে পারে। আপনার পরিকল্পনা ভেঙে যেতে পারে। আপনি যাকে নিজের ভবিষ্যৎ ভেবেছিলেন, সে আপনার অতীত হয়ে যেতে পারে। যে স্বপ্নটার জন্য দশ বছর পরিশ্রম করেছেন, সেটাও একদিন অর্থহীন মনে হতে পারে। কিন্তু আপনার রব? তিনি আপনার সঙ্গে আছেন। আপনি তাঁকে ভুলে গেলেও তিনি আপনার অস্তিত্বের বাইরে নন। আপনি তাঁর দিকে এক কদম এগোলে আপনার জীবনের দিকটাই বদলে যেতে পারে। তবে এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি দূর করা জরুরি। আল্লাহকে স্মরণ করার অর্থ এই নয় যে একজন মুমিনের জীবনে আর কোনো দুঃখ থাকবে না। নবী-রাসূলরাও কষ্ট পেয়েছেন। তাঁদের চোখে পানি এসেছে। তাঁরা প্রিয়জন হারিয়েছেন। তাঁরা প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তাঁরা ক্ষুধার্ত হয়েছেন। তাঁরা ভয় পেয়েছেন। কিন্তু পার্থক্য হলো তাঁদের দুঃখের মাঝেও হৃদয়ের ঠিকানা ছিল আল্লাহর কাছে। শান্তি মানে জীবনে ঝড় থাকবে না, এমন নয়। শান্তি কখনো কখনো হলো, ঝড়ের মধ্যেও আপনি জানেন আপনার নৌকার মালিক কে। আপনি কাঁদবেন। কিন্তু ভেঙে পড়বেন না। আপনি কষ্ট পাবেন। কিন্তু আল্লাহকে ছেড়ে দেবেন না। আপনি মানুষের আচরণে আহত হবেন। কিন্তু প্রতিশোধের আগুনে নিজের হৃদয় পুড়িয়ে ফেলবেন না। আপনি ব্যর্থ হবেন। কিন্তু ভাববেন না “সব শেষ।” কারণ একজন মুমিনের কাছে “সব শেষ” কথাটা আসলে খুব সহজে বলা যায় না। কারণ সে জানে যতক্ষণ আল্লাহ আছেন, ততক্ষণ ফিরে যাওয়ার দরজা আছে। হয়তো আজ আপনার জীবনেও এমন কিছু আছে, যেটা আপনাকে ভেতর থেকে অস্থির করে রেখেছে। কেউ জানে না। আপনি কাউকে বলেন না। হয়তো বাইরে থেকে আপনি খুব স্বাভাবিক।মানুষ আপনার হাসি দেখে। আপনার কাজ দেখে। আপনার সাফল্য দেখে। কিন্তু রাতের নির্জনতায় আপনি জানেন আপনার ভেতরে কিছু একটা ক্লান্ত। তাহলে আজ সবকিছুর উত্তর খুঁজতে যাবেন না। আজ শুধু একটু থামুন। ফোনটা পাশে রাখুন। নিজের ঘরে একটু নীরব হয়ে বসুন। তারপর নিজেকে জিজ্ঞেস করুন “আমার হৃদয়টা আসলে কী খুঁজছে?” হয়তো উত্তর আসবে না। তাড়াহুড়ো করবেন না। তারপর ধীরে ধীরে বলুন সুবহানাল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। তারপর নিজের ভাষায় আল্লাহর সঙ্গে কথা বলুন। বলুন “ইয়া আল্লাহ, আমি জানি না আমার হৃদয় কেন এত অস্থির। আমি জানি না কীভাবে নিজেকে ঠিক করব। কিন্তু আপনি জানেন। আমাকে আপনার দিকে ফিরিয়ে নিন।” হয়তো আপনার জীবনের সব সমস্যা সেদিনই শেষ হবে না। হয়তো আপনার ঋণ থাকবে। আপনার কাজের সমস্যা থাকবে। আপনার সম্পর্কের সমস্যা থাকবে। আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়ও থাকবে। কিন্তু হয়তো আপনার ভেতরে একটা নতুন জিনিস জন্ম নেবে। ফিরে যাওয়ার অনুভূতি। আর একজন মানুষ যখন সত্যিকার অর্থে তার রবের দিকে ফিরতে শুরু করে, তখন তার জীবন একদিনে বদলায় না। কিন্তু তার জীবনের দিক বদলে যায়। আর কখনো কখনো জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো সমস্যা চলে যাওয়া নয়। বরং সমস্যার মাঝেও আপনি বুঝতে শেখেন “আমার রব আমার সঙ্গে আছেন।” কুরআনের এই ছোট্ট আয়াতটি তাই শুধু মুখস্থ করার জন্য নয়। এটা হয়তো আমাদের প্রতিদিনের জীবনের জন্য একটি আয়না। আমরা বাইরে শান্তি খুঁজতে খুঁজতে এত দূর চলে গেছি যে, ভুলেই গেছি, যে হৃদয়টাকে আমরা পৃথিবীর হাজার জিনিস দিয়ে ভরাট করতে চাইছি, সেই হৃদয়ের প্রকৃত প্রশান্তির কথা তার সৃষ্টিকর্তাই সবচেয়ে ভালো জানেন। “জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।” আজ রাতে ঘুমানোর আগে একবার আয়াতটা পড়বেন। তারপর নিজেকে একটা প্রশ্ন করবেন, আমি কি আল্লাহকে স্মরণ করছি শুধু যখন আমার কিছু প্রয়োজন হয়, নাকি আমার প্রয়োজন না থাকলেও আমি তাঁকে ভালোবাসি? হয়তো এই প্রশ্নের উত্তরটাই আপনার পরবর্তী যাত্রার শুরু। আর পরেরবার আমরা আরও কঠিন একটি প্রশ্নের সামনে দাঁড়াব। মানুষের জন্য ভালো কাজ করতে করতে, আমরা কি কখনো মানুষের প্রশংসার দাস হয়ে যাই? কারণ এমন কিছু আমল আছে, যেগুলো বাইরে থেকে খুব সুন্দর… কিন্তু মানুষের চোখ থেকে লুকিয়ে রাখাই হয়তো সেগুলোর সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য। ইনশাআল্লাহ "আয়াতের আয়নায়" সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করবো “তুমি আসলে কার জন্য দৌড়াচ্ছ?”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আয়াতের আয়নায় — (পর্ব ১) হৃদয়টা এত অস্থির কেন?

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now