বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আত্মত্যাগী জমিদার কন্যা

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Raz Khan (০ পয়েন্ট)

X খোরাসান প্রদেশের জুরজান নামক স্থানে বাস করতেন একজন আলিম যুবক।যিনি ছিলেন অত্যন্ত খোদাভিরু। যিনি ছিলেন খোদার প্রিয় বান্দা।যিনি ছিলেন মুস্তাজাবুত দাওয়া অর্থ্যাৎ যার দুআ খোদার কাছে তাড়াতাড়ি ক্ববুল হয়ে যায়।তবে তার ছিল কোষ্ট রোগ।ওই এলাকায় ছিল এক জমিদার সে আলেমদের কে ভালবাসতনা। তার ছিল একটি মেয়ে।সে ছিল অপরুপা সুন্দরী।অত্যন্ত মায়াবতী। যার সৌন্দর্যের কথা সবাই জানত।কারন তাকে খোরাসানের হুর বলা হত।মেয়েটি যখন বিয়ের বয়সে উপনিত হয়ে যায়।তখন আসতে থাকে পৃথিবীর আনাচ-কানাচ থেকে ধনীর দুলালদের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব। বাদ যায়নি রাজকুমাররাও।কিন্তু মেয়েটি গ্রহন করেনা কারও প্রস্থাব।তার এই কার্যতা দেখে জমিদার বাবা পেরেশান।তিনি তাকে অনেক ভালবাসেন। মেয়েটি যেন তার হৃদয়ের একটুকরা।তাই তিনি বাধ্য হয়ে তাকে জিজ্ঞাস করলেন মেয়েটিকে "মা "তোমার বিয়ে কোথায় ঠিক করব তুমিই বলো।তখন মেয়েটি বলে দিল ওই আলিমের কথা।তখন বাবার আর কি করার। বাধ্য হয়ে চলে গেলেন ওই আলিমের কাছে। তখন ওই আল্লাহর ওলি প্রথমত রাজী না হলেও জমিদারের কাকুতি মিনতি আর মেয়েটির সুন্দর ভবিষ্যত জীবনের প্রতি চেয়ে রাজি হয়ে গেলেন।বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়ে গেল।ধীরে ধীরে ঘনিয়ে আসতে থাকে বিয়ের দিন।এদিকে আল্লাহর ওলী খোদার দরবারে ক্রন্দন করে ভিবোর। তিনি বলতে থাকেন "মাওলাগো' আমার ঘরে আসতেছে তোমার প্রিয় একজন বান্দি।যে হবে আমার নববধু। আমার জীবন সঙ্গিনী। আর আমার অবস্হাতো তুমি জানো। আমি হলাম কোষ্টরোগি।আমার কোন দুঃখ নেই তোমার এ খুশির উপর।কিন্তু আজ যে তোমার এই বান্দি আসবে যখন আমার ঘরে।দেখবে আমার এ অবস্হা তখন সে অনেক কষ্ট পাবে। তার কষ্ট যে আমি সইতে পারবোনা।মাওলাগো তুমি আমার এই রোগটা কমিয়ে দাও।ওই আলিমের দুআটি শেষ হতে না হতেই। মাওলা তার প্রিয় বান্দাকে সম্পুর্ন সুস্হ করে দেন।অতঃপর চলে আসল বিবাহের দিন।উভয়ের বিয়ে হয়ে গেল।রাতে যখন বাসর ঘরে প্রবেশ করলেন খোদার ওই প্রিয় বান্দা। দেখতে পেলেন তার বিছানায় বসে আছেন শাড়ি পরিহিতা এক রমনী। তিনি সাথে সাথ তাকে সালাম দিলেন। কিন্তু ওপাশ থেকে আসলনা কোন জবাব।তিনি হতবম্ব হয়ে দাড়িয়ে আবারও সালাম করলেন কিন্তু এবার ও একি অবস্হা। কিছুক্ষন পর মেয়েটি বলে উটল আপনি কে?আপনি এখানে কেন? তখন আল্লাহর ওলী উত্তর দিলেন আমি তোমার স্বামী। তখন মেয়েটি যেন একটু উচু স্বরে বলতে লাগল না না আপনি আমার স্বামী হতে পারেননা কারন আমার প্রিয়তম স্বামী তো কোষ্টরোগি আর আপনি হচ্ছেন সুস্থ মানুষ।তখন তিনি তাকে বলে যেতে লাগলেন তার ঘটে যাওয়া সমস্থ ঘটনা।অতঃপর আল্লাহর এই বান্দি খোদার দেওয়া এই হুর রমনী বলতে লাগলেন, প্রিয় স্বামী হে আমার আমি চাই আপনার খোদমতে আমার জীবনটিকে কোরবান করতে।আমি চাই জান্নাতে আপনার রানী হতে। তাই আজ যদি আপনি সুস্হ হয়ে যান তাহলে আমি খেদমত করব কিসের। তাই প্রিয় স্বামী আমার আপনি দুআ করুন খোদার কাছে যে তিনি যেন আপনাকে পুর্বের ন্যায় বানিয়ে দিতে। যাতে আমি নিজেকে পেশ করতে পারি তার প্রিয় সাথির খাদিম রুপে।অতঃপর আল্লাহর ওলী আল্লাহর কাছে দুআ করলেন, তিনি হয়ে গেলেন পুর্বের ন্যায়।মেয়েটি তার সমস্থ জীবন বিসর্জন দেয় তার প্রিয়তম স্বামীর খেদমতে। হয়ে ঊটে তাদের এক সুখের পরিবার। যাতে নেই কোন হিংসা কিংবা কেহ কার প্রতি অসন্তুষ্টির চিন্হ মাত্র। রয়েছে শুধু ভালবাসা আর খোদার প্রেমে সর্বদা নিমগ্ন।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আত্মত্যাগী জমিদার কন্যা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now