বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আঁধার রাতের অালো

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:ভৌতিক MH2 অাজ সকালেই ট্রেনে উঠল রনি ভাই,মফিজুল ভাই,কাব্য ভাই, সাঈম ভাই।এবার অামি তাদের সাথে পরে দেখা করব ঠিক করলাম।অামরা ইদানিং প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাই।তবে অামি খুব ব্যাস্ত,তাই একটু দেরীতেই যাব। তারা ট্রেনে উঠল।লক্ষ্য উত্তরবঙ্গের একটা নিরব নির্জন এলাকা।অামরা এই জায়গাটা অামাদের ছুটি কাটাবার জন্য ঠিক করলাম।অামরা যেই জায়গায় যাব তার নাম নিচিনপুর।জায়গাটা অনেক সুন্দর,সাথে ঐতিহাসিক জায়গা এটা। অনেক বকবক করছি,বাদ দিলাম।ট্রেনে বসে তারা পাশের এলাকার সুন্দর দৃশ্য দেখছিল।দেখতে দেখতে বিকেল হয়ে গেল,কাব্য ভাই মাঝে কবিতা অাবৃত্তি করে শুনাল,সাইম ভাইয়া হুমায়ুন ভাইয়ের একটা গল্প পড়ল।রনি ভাইয়া একটু ওই জায়গা সম্পর্কে বলল,মফি মজা করল।দেখতে দেখতে লক্ষ্য নিকটে চলে অাসল। সবাই ট্রেন থেকে নামল।লোকদের জিজ্ঞেস করে জানল,এই পথে কোনো গাড়ি পাওয়া যাবে না,হেটেই যেতে হবে।কী অার করা,অগত্যা হাটতেই হলো।দূরত্ব প্রায় ৫ কি.মি.।হাটতে হাটতে রাত হয়ে অাসল।অাজ শুক্লাদ্বাদশীর রাত।তাই মোটামোটি চারপাশ ফর্সাই থাকল।হাটতে হাটতে তারা কাহিল হয়ে গেল।তাই বিশ্রামের জন্য একটা জায়গায় বসল,খুউউউব পানি পিপাসা পেয়েছিল তাদের, পানি খাওয়া দরকার।চারপাশে তাকাচ্ছিল ওরা,দেখতে পেল দূরে অালো দেখা যাচ্ছে।ওইদিক লক্ষ্য করে হাটতে লাগল,হঠাৎ কয়েকটা কুকুরের অাভির্ভাব হলো,তাদের তাড়া করল,তারাও কাহিল শরীর নিয়ে দৌড় শুরু করল।বাড়িটাতে পৌছাল,দেখল হালকা অালো জ্বলছে কোথায়, তারা ডাকতে শুরু করল,কেউ সাড়া দিচ্ছে না,তবে কী এখানে কেউ নেই,তাহলে এখানে অাধার রাতে অালো জ্বলছে কী করে?কেও না থাকলে অালো জ্বলবে কী করে।তারা ঠিক করল,পানি পিপাসায় দাড়িয়ে থাকার চেয়ে ঘরে ঢুকা ভালো হবে।তাই তারা ঘরে ঢুকল।ঢুকেই বুঝতে পারল,এটা কোনো পুরনো বাড়ি,হয়ত এটাই সেই জমিদার বাড়ি যার কথা তারা ম্যাপে পেয়েছে।তারা টর্চ জ্বেলে পানি খুঁজল,কিন্তু পানি নেই।তারা ওই অালোর দিকে যাচ্ছে,অালো সরে যাচ্ছে যেন,কেমন যেন একটা শিড়শিড়ে ভাব কাজ করছে।সেখানে দেখল একটা হালকা অালো জ্বলছে,কিন্তু তার উৎসের কাছে কেউ নেই।কী অার করা,দরজা দিয়ে বেরিয়ে এল ওরা।অাবার বেরোনোর সময় একঝাঁক বাদুর মাথার উপর দিয়ে চলে গেল,কী ভুতুরে কান্ডরে বাবা।ভূত না থাকলেও এখানে বাদুড়গুলো পরিবেশটাকে ভৌতিক করে তুলল। তারা খুব পরিশ্রম করে নিচিনপুরে পৌছুল।তারা বাড়ি ঠিক করে রেখেছিল,সেখানে থাকল রাতে।সকাল বেলাই অামি ওইখানে পৌছলাম।রাতের ট্রেনেই এসেছি।কিছুক্ষণ পর সামির ভাই,শুভ,ফারহান,অানিস ভাই,ইভা,রামিশা,রুবাইয়্যা অাপু,তুবা,পুষ্প,তাহিরা অাপু চলে অাসল। অামরা জিজের অনেক সদস্যই অাসলাম।অামরা কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর সবাই মিলে ঘুরতে বের হলাম।অামরা ওই গ্রামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।গ্রাম থেকে বাইরে অাসার পর ওই জমিদার বাড়ি দেখতে পেলাম,মফিজুল গত রাতের কথা অামাদের বলল।অামরা ভিতরে ঢুকলাম।দেখলাম জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ,ভিতরে ময়লা জমে অাছে,ওই জায়গায় গেলাম যেখানে গত রাতে অালো জ্বলেছিল,সেখানে কিছুই পেলাম না।যাইহোক অাবার বাড়ি চলে অাসলাম।সবাই নিজেদের কক্ষে ঘুমালাম রাতে।সকালে উঠে দেখি কাব্য ভাই,রনি ভাই,সাঈম ভাই অার মফিজুল ভাই যেন হাওয়া হয়ে গেছে। চলবে,,, অাল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আঁধার রাতের অালো

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now