বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার বান্ধবী পারেও বটে। একটা ডায়রি এনে আমার হাতে ধরিয়ে দিল।
নে এই বোঝা তুই সামলা। আমি বাবা মুক্তি পেলাম।
কেনরে কী হয়েছে?
আজ তোর বার্থডে না তোর বার্থডে গিফট। বা বা এতদিন নিজের কাছে রেখেছি আর সামলাতে পারছি না।
কিন্তু এত রাতে।! রাত বারো টা বাজে। আরে আমার বোকা রে। আমি তোর বেস্ট ফ্রেন্ড না। আমি এত আগে না দিলে তোকে কে দিবে।
আচ্ছা এত রাতে যখন চলে এসেছিস এত রাতে যখন চলে এসেছিস তুই এখন আর বাসায় যেতে পারবিনা বলে দিলাম তোতে আজ আমার সাথে থাকতে হবে বলেদিলাম।
আরে তুই না বললেও আমি এখানে থেকে যেতাম। আব্বু আম্মুর অনুমতি নিয়ে এসেছি।
আরে আমার খুব ঘুম পাচ্ছে। নে শুয়ে পর।
মরন। আমি তোমার কাছে শুতে এসেছি নাকি গো।
তো?
গল্প করতে এসেছি।
আচ্ছা
এভাবে আমাদের সারারাত গল্প চলল। তার পরেরদিন ভাবছি ডায়রিটি তে আমান সুখ দুঃখের সব হথা লিখে রাখব। তাই করলাম। এভাবে ডায়রিটির পাতা একদিন শেষ হয়ে গেলো। আমার কতো সুখ দুঃখের কথা সব লেখা আছে ডায়রিটিতে। একদিন ডায়রিটি হারিয়ে গেলো। আমার মনে হতে লাগল জীবনে কতো কী যে আমি হারিয়ে ফেলেছিলি। তারপর তিন চার বছর কেটে গেছে। একদিন আমাদের আলমারির এক ড্রয়ার খুলে দেখি একটা ডায়রি। বুঝতে পারলাম আমার ডায়রিটি। আমি যেন আকাশের চাদ হাতে পেলাম। আমি খুশি মনে ডায়রিটিকে আমার ঘরে এনে সাবধান ভাবে রাখলাম। পরে জানতে পারলাম যে আমাদের বাসায় এক প্রতিবেশী এসেছিল। তার সন্তান নাকি আমার ডায়রিটা নিয়ে আলমারিটির নিচে খেলা করছিল। ভুল করে সে এটি কে রেখে আলমারির ভেতরে ডায়রিটিকে লক করে দেয়। সেই ড্রয়ার টা সাধারনত কেউ খোলেনা। তাই কারো খুব একটা চোখে পরেনি।আমি ভাবলাম আমার ডায়রিটি এতো দিন তেপান্তরের বালুকায় পরেছিল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now