বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
""""""""""""""""""""'""""""""
আমাদের মা খালাদের ফ্যামিলিতে তিন জন গাধা পাওয়া গেছে।এর মধ্যে আমার বড় খালা,আমার বড় ভাই আর ছোট খালার মেজ ছেলে এই গাধা গাধীর উপাধিতে ভূষিত হয়েছে।আজও পর্যন্ত তারা এই উপাধি নিয়েই ঘোরা ফেরা করেন।এই উপাধি পাওয়ার কারন হলো এরা তিন জনই ছোট বেলায় গরুর রচনায় লিখেছিলেন গরুর দুটি হাত ও দুটি পা আছে।
*আমার বড় খালা বরাবরই ভালো ছাত্রী ছিলেন।সেই যুগে খুব ঘটা করে মেট্রিক পাশ করেছিলেন।দুর দুরান্তের গ্রাম থেকে আমার খালাকে দেখতে আসত।এত ভালো রেজাল্ট করেছিল সেই সময়।আমার নানী লেখাপড়া জানতেন না।আমার নানী খুব খুশি হয়েছিলেন আমার খালার রেজাল্টে।একদিন নাকি আমার নানী আমার বড় খালা কে বলেছিল "অই মাসুদা তুই এত বড় পাশ দিলি,কত মানুষ তোরে দেকতে আইলো।আমার একটা কতা রাকবি?
খালা বলল" কি কতা?
নানী বলল"আমারে একটু ইংরাজী হোনা।
খালা বলল"যাও মা আমার শরম লাগে।
অনেক দিন পর আমার বড় খালা আর নানী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।রাস্তায় কাঁদা পানি জমে আছে।
নানী হঠাৎ করে সেই কাঁদা আর পানিতে পা দিতেই আমার বড় খালা চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো"ও মা অই দিকে পা দিওনা রাস্তাটা বড়ই ডেন্ডারাস (ডেন্জারাস)।
নানী কে শোনানো প্রথম ইংলিশ তাও ভুল।
এই আফসোস আজও বড়খালাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়।আজ বড় খালা কত সেমিনারে ইংলিশে বক্তৃতা দেয় কিন্তু খালার মনে মাকে শোনানো ভুল ইংলিশ আজও স্মৃতির পাতায় অমলিন হয়ে আছে।আজ নানী নেই কিন্তু সেই"ডেন্ডারাস"শব্দটি আজও বেঁচে আছে।
আমরাও কম যাইনা মাঝে মাঝেই খালাকে এই ডেন্ডারাস শব্দটা নিয়ে ক্ষেপাই।
খালা শুধু বলে তোরা বুঝবিনা রে বুঝবিনা।
আসলেই আমরা খালার কষ্ট টা কে বুঝিনা।
"(বড় খালার ডায়েরী থেকে নেয়া)""""""
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now