বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কাফিরগণ যখন আমাদের নূর নবীর উপর অকথ্য অত্যাচারউৎপীড়নে তৎপর, এমন কি শত্রুগণ যখন তাঁহাকে হত্যারষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তখন সতরজন বিশিষ্ট পাহলোয়ানতরবারি হস্তে তাঁহার গৃহ পরিবেষ্টন করিয়ারাখিয়াছিল। আল্লাহর অপার মহিমা! ঐ রাত্রেই আল্লাহতায়ালার হুকুম হইল- মক্কা হইতে মদীনায় হিজরত করিতে।তিনি আল্লাহর হুকুম পালনে বিলম্ব করিলেন না,করিতেও পারেন না। কাফিরদের অনেক টাকা-পয়সাতাঁহার নিকট আমানত ছিল। তিনি বালক আলীকেবলিলেন, প্রিয় বৎস! এই রাত্রে আমার বিছানায় শুইয়াথাকিবে। প্রাতে যাহার যে আমানত আছে, তাহাতাঁহাকে দিয়া দিবে। পারিবে তো? হযরত আলী নির্ভীকচিত্তে বলিলেন, আল্লাহ চাহেন ত পারিব।হযরত আলী (রাঃ) হযরতের বিছানায় চাদর মুড়ি দিয়াশুইয়া পড়িলেন। এইদিকে হযরত (সাঃ) শত্রুর বেড়াজালভেদ করিয়া গৃহ হইতে বাহির হইয়া গেলেন। তাঁহারাবিন্দুমাত্রও টের পাইল না। প্রত্যুষে কাফির দল গৃহেপ্রবেশ করিয়া ফেলে। তাহারা চাদর আবৃত আলী (রাঃ)কে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মনে করিয়া কেহ কেহ বলিল, এককোপেই শেষ করিয়া ফেল। কেহ কেহ বাধা দিয়া বলিল,না না, নিদ্রাবস্থায় হত্যা করা কাপুরুষতার পরিচায়ক।এরূপ বলাবলি করিতে করিতে একজন চাদর টান দিয়াদেখিল, এ তো তাহাদের শিকার (হযরত) মুহাম্মদ (সাঃ)নয়, এ যে আলী শুইয়া আছে! তাঁহারা বিস্মিত হইল। হযরতআলী দেখাইলেন, গচ্ছিত দ্রব্যসমূহ ফেরত দিবার জন্য,আমানতের হেফাযতের জন্য তিনি প্রাণ দিতেও প্রস্তুত।ইহাকেই বলে আমানতদারী, ইহার নাম বিশ্বস্ততা।উৎসঃ বেহেস্তি যেওর, মাওলানা আশরাফ আলী থানবী(রহঃ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now