বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের জীবনটাই অন্যরকম নাম্বার টু(পর্ব২)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Jahan (০ পয়েন্ট)

X আমি বের হলাম বিকেল বেলা।বকুল ভাইয়ার বোনের সাথে দেখা করার কথা।তাই যাচ্ছি বকুল ভাইয়ার বাড়িতে।যেতে যেতে দেখলাম ভাবলাম দেখি তো রেহনুমা আপু কি করে।আমি রেহনুমা আপুর রুমের জানালার কাছে যেয়ে বললাম,"রেহনু আপি।রেহনু আপি।ওই আপি।" রেহনুমা আপু আমার কাছে এসে বলল,"কি বলো ইসরাত?" আমি বললাম,"এমনি।কি করছিলে?" "গল্প পড়ছিলাম।" "গল্প পড়তেছিলে নাকি অন্য কিছু করতেছিলে?" "নাগো গল্প পড়ছিলাম গল্পিরঝুড়িতে ঢুকে।" "কইলেই আর হলো?এমনি একটা বলছ।" "এই দেখ।" এটা আমার গল্প।আমি বললাম,"হুমম।আমি বলেছি দেখে গল্প বের করলে।আর আগে কি করছিলে সেটা জানি।" "উফফ ইসরাত।আমি অন্যকিছু করছিলাম না।" "হ্যা।আমি জানি।ইয়ার্কি করছিলাম।" "কই যাচ্ছিলে?" "বকুল ভাইয়ার বাড়িতে।বকুল ভাইয়ার বোনের সাথে দেখা করতে।" "আচ্ছা যাও।" আমি বকুল ভাইয়ার বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়ালাম।ডাকতে থাকলাম,"ঐশী।ঐশী।এই ঐশী।" দেখোতো তালে শুনে না কেন?আরেকটু জোরে বলতে হবে।আরেকটু জোরে বললাম।না শুনে না কেউ।গেটও খোলা নাই।এবার সেইরকম জোরে ডাক দিবো।আমি চোখ বন্ধ করলাম।তারপর যত শক্তি আছে ডাকতে থাকলাম। "ঐশী।ঐশী।ওই .....শীইইই।ঐশী।ওই..শী।" কে যেন গেট খুলে দিল?আমি চোখ খুলে দেখি বকুল ভাইয়া।মনে হয় ঘুম থেকে উঠে এসেছে।বকুল ভাইয়া ঘুম ঘুম ভাব ধরে বলল,"কি হয়েছে।এত চিল্লাইতেছ কেন?এত চিল্লাইতেছ যে আমার কাঁচা ঘুম ভেঙে গেল।আমি এই ঘরেই ঘুমাইছিলাম।তারপর তুমি জানালার কাছে এত জোরে ডাকতে থাকলে যে আমার ঘুমই ভেঙে গেলো।" "সরি ভাইয়া।আসলে কেউ শুনছিল না তো তাই।ঐশী কই?" "ঐশী তো এক আন্টির বাড়িতে গেসে।" "ও।ওতো বলল এখন আসতে আবার এখন নাই।" "ভেতরে আসো।" "না ভাইয়া।আপনার বোনের জন্য এসেছিলাম।" "ইভা কিছু খাবে?" "না ভাইয়া।" এই বলে যাওয়ার জন্য পিছন ঘুরেছি তখনই বকুল ভাইয়া বলল,"তেঁতুল খাবে?" আমি তেঁতুল শোনার সাথে সাথে বকুল ভাইয়ার দিকে ঘুরে বললাম,"তেঁতুল।দেন দেন তাড়াতাড়ি।জিহ্বা দিয়ে পানি পড়তেছে।" বকুল ভাইয়া তেঁতুল এনে আমার হাতে দিল।আমি খেতে থাকলাম।বকুল ভাইয়া বলল,"আচার খাবে?" আমি বকুল ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম,"আচার?আবার জিহ্বা দিয়ে পানি পড়তেছে।আচার খেতে হলে ভেতরে যেতে হবে।" "এসো।তুমি আমার ছোট বোনের মত।না বলেই আসতে পার।" আমি ভেতরে গেলাম।বসে আছি।বকুল ভাইয়া আচার নিয়ে এলো।আমি খেতে থাকলাম।এবং খুব দ্রুত।বকুল ভাইয়া বলল,"কেমন লাগে?" আমি আচার মুখে দিয়ে বললাম,"নাইস।এর আগেও খাইছিলাম।ঐশী খাওয়াছিল।" বলেই আবার মুখে দিলাম।বকুল ভাইয়া বলল,"আস্তে আস্তে খাও।এতো দ্রুত খাচ্ছ কেন?" আমি বললাম,"ঠিক আছে।" "তুমি আচার খেতে খুব ভালবাস তাই না।" "হুমম ভাইয়া।খুব।টক জিনিস খেতে খুব ভালো লাগে।" "তোমার মুখ দেখেই বোঝা যায় তুমি আচার খেতে পছন্দ করো।" "সেই টেস্টি।" আমার খাওয়া শেষ হলো।খেয়ে বের হলাম।বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম সাইদ।আমাকে দেখে সাইকেল থামালো।আমি বললাম,"হুমম।আমাকে নিয়ে যাও তোমার সাইকেলে।" "ঠিক আছে।আসো।" আমি কাছে যেয়ে বললাম,"দুই সাইড হয়ে বসবো নাকি এক সাইড হয়ে বসবো?" "দুই সাইড গিয়ে বসো।" "এক সাইড বসলে কি হবে?" "ভয় পাবা।" "কি? ভয় পাবো?আমি ভয় পাবো না।" "না তুমি দুই সাইড হয়ে বসো।" আমি দুই সাইড হয়ে পিছনে বসলাম।চালানো শুরু করলো।খুব সুন্দর চালাতেছে।বললাম,"তুমি খুব সুন্দর চালাতে পারো।" "হ্যা এখন আরো সুন্দর চালাবো দেখো।" এই বলে সাইদ আঁকাবাঁকা ভাবে যেতে থাকলো।আমার ভয় করছে।এর কি ভয় করে না?"আমি বললাম,"এরকম করে চালাচ্ছ কেন? ভালো করে চালাও।" কিন্তু সাইদ কথা শুনছে না।আর দ্রুত চালাতে থাকলো।মনে হচ্ছে একটা মার দেই।বললাম ,"আমার ভয় করছে ভালো করে চালাও।সাইদ।সাইদ আমার ভয় করছে।" "কি হয়েছে?" "ভয় করছে।" "সমস্যা নাই ফাঁকা রাস্তা।" না এ তো কথা শুনে না।কোথায় যেন থামাল।জায়গাটা চেনা চেনা লাগে না।বললাম,"এটা কোনো জায়গায় নিয়ে এলে?আমি বাসায় যাবো।" সাইদ হাসছে।তারপর আবার উঠলাম।আবার ঐরকম ভাবে চালাতে থাকল।দেখতো কেমন লাগে?ভয় করে। "সাইদ ভালো করে চালাও।", না কথা শুনে না।আমার বাড়ির সামনে সাইকেল থামাল।থামার সঙ্গে সঙ্গেই আমি নামলাম


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now