বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
→ Saiman Hasan (শিরোনামহীন কাব্যের কাব্যকার)
↓
↓→এক পরিচিতা বোনকে অনেকদিন পর নক করে বললাম, কেমন আছ??
তিনিঃ আপনি আমাকে চিনেন?
আমিঃ আমিত অবাক! তাই ভদ্র ভাষায় বলে দিলাম 'সরি',
তিনিঃ আপনার মত মানুষ কম দেখছি!
ভুলেও কি একটা মেসেজ দিতে মন চাইনা না!
এইভাবে ভুলে যেতে হয়?
আমিঃ তোমার ও কি কখনো দিতে মন চাইনা?
তিনিঃ উল্টো দোষ এখন আমার উপর চাপানো হচ্ছে না?
আমিঃ কেন তোমার উপর দোষ চাপানো হবে, জিনিসটা লজিক্যলি দেখলে তুমিও ঠিকই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছ।
তিনিঃ ভাইয়া আপনার এইসব বাঁকা প্রশ্নের জন্য হয়তো, আপনার লাইফ থেকে অনেকেই চলে যেতে পারেন।
আমিঃ আসেত নাই কেহ, যাবে কিভাবে?
তিনিঃ আসতে ত পারে,
আমিঃ মে বি,
তিনিঃ তবে চলে যাবে নির্ঘাত!
আমিঃ চলে যাওয়ার মানুষকে ধরে রাখার প্রতি আমি আদৌ অভ্যস্ত না।তাকে সম্মানের সহিত বিধায় জানিয়ে দেব।
তিনিঃ আপনার এই অহমিকার নাশ কবে হবে?
আমিঃ জানিনা, আসলে এটা অহমিকা না, নিজের ক্রেডিট ধরে রাখা।
তিনিঃ এই ক্রেডিট ক্রেডিট করে ত শূন্যতায়য় ভুগছেন!
আমিঃ শূন্যতায় ভুগাটাও একটা ক্রেডিট, কারণ, সবাই শূন্যতাবোধ সহ্য করতে পারেনা বা একা থাকতে পারেনা।
তিনিঃ তবুও হারবেননা না?
কথায় জিতেই ছাড়লেন!
আমিঃ না, আমি এখানে হার-জিত খুঁজিনি, শুধু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি।
তিনিঃ আপনার অহমিকার শেষ দেখতে চাই,
আমিঃ আমার শেষ নিশ্বাস ত্যাগের সাথাসাথেই দেখবা আমার অহমিকা আমার সাথে ব্র্যকাপ করে চলে গেছে।
আমি আর আমি থাকবো না, নিতর দেহটাই পড়ে রবে, তবেই আমার অহমিকার শেষ ইতিহাস দেখতে পাবে।
দেখার দাওয়াত রইল।
তিনিঃ হার কি আপনার জীবনে নেই?
আমিঃ আমি জীবনে হাজারবার হেরেছি, সে হাজার হারের মাঝ থেকে আমি 'লাখো জেদ' বের করে এনেছি,
আরো লাখোবার জিতার জন্য।
তিনিঃ বাহ! আপনিত দেখি খুবি ভারি মানুষ।
ভারি কথা বলেন।
আমিঃ শুনু, পৃথিবীতে সফলতা অর্জন করাটা অনেক কঠিন আবার অনেক সহজ।
তিনিঃ কি অদ্ভুত আপনি! কথাগুলো বুঝাটাই দায়ী হয়ে যাচ্ছে।
কিভাবে সহজ আর কিভাবে কঠিন বলেন ত? একটু শুনি,(মনেমনে খুশি হয়ে গেছে, এইবার হয়তু আটকানো যাবে)
আমিঃ এর একটা সহজ উত্তর হচ্ছে, 'সহজ করলে সহজ, কঠিন করলে জটিল' তুমি সফলতার পন্থা যদি সহজে বের করতে পার, তবে সহজ।
আর যদি বের করতে না পারো তবে কঠিন বা জটিল।
তিনিঃ বাহ! সহজেই উত্তর পেয়ে গেলাম, ধন্যবাদ।
আমিঃ তবে সফলতার স্বাদ পাওয়া সসত্ত্বেও হেরে যাওয়ার স্বাদ কিন্তু আলাদা।
তিনিঃ কিভাবে?
আমিঃ পৃথিবীতে যারা সফল হয় তাদের চোখে শুধু পানি থাকে এমন নয়, যারা নিজে হেরে গিয়ে অন্যকে জিতিয়ে দেয়, তাদের চোখেও কিন্তু নোনাজলের আনাগোনা হয়, একটু খেয়াল করে দেখিও।
তিনিঃ আপনার প্রতিটা উত্তর আমায় নতুন কিছু শেখাচ্ছে।
আমিঃ আমার মত নগণ্যের মুখের ভুলি যদি অন্যের জন্য শিক্ষা হয়ে দাঁড়াই, তবেত নগণ্য হবে ধন্য।
তিনিঃ ভাইয়া........
আরো কিছু বলেন, শিখতে পারি মত।
আমিঃ হারিয়ে যাওয়ার বা ফেলার বেদনা সবাই সহ্য করতে পারেনা।
তবে কিছু মানুষ আছে, যারা 'হারকে হার' না বলে, সেই হার থেকে বিজয়ের পথটা বের করে আনে, জীবনে এমন ব্যক্তিই একমাত্র সফলতালাভ করতে পারে। সফলতার চাবি একমাত্র তাদের হাতেই বন্ধী।
যারা এক তরফিয়া প্রেম ভালবাসা এইসব করেনা, তাদেরকে নির্বোধ মনে করোনা। তাদেরকে কোণা চোখে না তাকিয়ে সোজা চোখে তাকাও, তারা প্রেম ভালবাসা করতে পারেনা বা জানেনা যে এমন নয়, তাদের মাঝে আসলে একাকী আর নির্জনে তাকার মত একটা যোগ্যতাটা আছে, যা সবার মাঝে থাকেনা।
তারা হয়তু জীবন গড়ার প্রতি একটু তৎপর, তাই হয়তু তা থেকে দূরে থাকে, এমনটাও হতে পারে।
সু, ভালবাসা সবার জন্য, ভালবাস সবাইকে, পৃথিবী জয় কর ভালবাসা দিয়ে।
তিনিঃ ভাইয়া, আপনার প্রেমে পড়ে গেছি আমি,
আপনার উম্মুক্ত ভালবাসায় হারিয়ে গেছি আমি।
নির্জনতাপ্রিয় হয়ে উঠার প্রতি সচেষ্ট হতে চলেছি,
সত্যিই আমি আপনার বাণীতে মুগ্ধ হয়ে গেছি।
আমিঃ এই যে, আবেগময়ী কবি সাহেবানি,
আপনি আমার কথায় মুগ্ধা নন,
আপনি আমার ভুলিতে হয়ে গেলেন কবিনী।
তিনিঃ হিহিহি,
এইবারের মত তাহলে আসি,
নিয়ে গেলাম সফলতার চাবিকাঠি।
আমিঃ খুদা হাফেজ...।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now