বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একসময় আকাশকে মনে করা হতো মানুষের মাথার উপর বিশাল একটা ঢাকনা বলে । আসলে আকাশ কোনো ঢাকনা নয় । এ হচ্ছে বায়ুর স্তর । এখানে প্রায় বিশটি বর্ণহীন গ্যাস মিশে আছে । বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে আকাশ নীল দেখায় । সকাল বা সন্ধায় মেঘ ও বাতাসের ধুলোকণার মধ্যে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে পারে শুধু সূর্যের লাল। তাই এসময় মেঘ লাল দেখায় । ঘন বৃষ্টি ও মেঘ ছেয়ে ফেললে আকাশ দেখায় কালো । শূন্যে মহাকাশযান পাঠিয়ে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন । পৃথিবীর অন্তত কয়েকশ মাইল ওপর দিয়ে পাঠানো মহাকাশযান থেকে প্রেরিত অসংখ্য ফটো বা ভিডিও থেকে মানুষ আবহাওয়ার খবর পাচ্ছে । একই কারনে টেলিভিশন , ফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে সংকেত পাঠিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্হাকে বিশ্ব ব্যাপি বিস্তৃত করা সম্ভব হয়েছে ।
আকাশ পথে মানুষ চলাচল করবে-- এটা একসময় হাস্যকর কথা ছিল । তখনকার দিনে মানুষ ভাবতো -- আকাশ দিয়ে পাখি ছাড়া শুধু জিন- পরিরাই চলাচল করতে পারে । ধীরে ধীরে মানুষের চিন্তার পরিরর্তন এলো । পাখির মতো ভঙ্গি করে, পাখির মতো পিঠে মোমের বিশাল ডানা লাগিয়ে , গ্যাস বেলুনে চেপে মানুষ আকাশে ওড়ার প্রচেষ্টা চালালো । অবশেষে মানুষ সফল হলো । আবিষ্কার করলো উড়োজাহাজ । সময়ের আবর্তনে উড়োজাহাজেরও পরিরর্তন এসেছে । এখন বহু রকমের উড়োজাহাজ রয়েছে । আবিষ্কার হয়েছে মহাকাশযান । আকাশকে জয় করে মানুষ এখন স্বাধীনভাবে উড়াল দিচ্ছে ।
,,,,
গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now