বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গজনীর সুলতান মাহমুদ একদিন সমরখন্দেরখারকান গ্রামে গেলেন। শেখ আবুল হাসান নামেএকজন বুজুর্গ ব্যক্তিকে অনুরোধ করে পাঠালেনতাঁর তাঁবুতে আসার জন্য। সুলতানের বেয়ারা যখনসুলতানের বার্তাটি ঐ বুজুর্গ ব্যক্তিকে দিলেন,তখন তিনি বললেন, ‘আমি উপরের মহারাজাধিরাজেরহুকুম পালনে এতই ব্যস্ত যে, অধঃস্তন এই রাজারহুকুম পালনের জন্য আমার সময় নেই বলে আমিদুঃখিত।’সুলতান মাহমুদ যখন এই খবর শুনলেন তিনিঅভিভূত হয়ে পড়লেন এবং বললেন, ‘উঠ তোমরা,আমরাই তাঁর কাছে যাব। তিনি এখানে আসবেন এমনমানুষ তিনি নন।’সুলতান শেখ আবুল হাসানের কাছে গেলেন এবং তাঁকেঅভিনন্দন জানালেন। শেখ স্বাগত জানালেনসুলতানকে। কিন্তু আসন থেকে উঠলেন না। সুলতানতাঁর কাছে কিছু উপদেশ চাইলেন। শেখ বললেন,‘মসজিদে নামায পড়বে, দান করবে এবং নিজজনগণকে ভালবাসবে।’সুলতান তাঁর আশীর্বাদ চাইলেন। শেখ বললেন, ‘তুমিসর্বশেষ মাহমুদের (প্রসংসিতের) সাথে থাক।’সুলতান এক থলে টাকা শেখের সামনে রাখলেন। শেখএক খণ্ড বার্লির রুটি তুলে নিয়ে সুলতানকেবললেন, ‘খাও।’ সুলতান মুখ ভরে রুটি চিবালেনকিন্তু গিলতে পারলেন না। শেখ বললেন, ‘এইবার্লির রুটি যেমন তোমার গলায় বাধছে, তোমারস্বর্ণ মুদ্রাগুলো তেমনি আমার গলায় বাধবে। এইস্বর্ণ মুদ্রাগুলো নিয়ে যাও এবং দরিদ্রের মধ্যেবিলি করে দাও।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now