বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আজ পবিত্র হজ

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X আজ পবিত্র হজ। আজ কাবা শরিফে পরানো হবে স্বর্ণখচিত নতুন গিলাফ আনোয়ার আলদীন ৩১ আগষ্ট, ২০১৭ ইং ১০:৪০ মিঃ গোটা দুনিয়ার মুসলমানদের কিবলা পবিত্র কাবা ঘরের গায়ে আজ বৃহস্পতিবার পরানো হবে নতুন স্বর্নখচিত গিলাফ। প্রতিবছর ৯ জিলহজ পবিত্র হজের দিন সব হাজিগণ যখন আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করেন এবং মসজিদুল হারামে মুসল্লির সংখ্যাও থাকে কম তখন পরানো হয় এই বিশেষ বহুমূল্যবান গিলাফ। আরবরা কাবাকে আবৃত করে রাখা কাপড়টিকে বলে কিসওয়া আর আমরা বলি গিলাফ। হাজিরা আরাফাত থেকে ফিরে এসে কাবা শরিফের গায়ে নতুন গিলাফ দেখে রোমাঞ্চিত হন। নতুন গিলাফ পরানোর সময় পুরনো গিলাফটি সরিয়ে ফেলা হয়। পুরনো গিলাফ কেটে মুসলিম দেশের সরকারপ্রধানদের উপহার দেওয়া হয়। মূলত কাবা শরীফের গিলাফ তৈরি হয় মক্কার ‘উম্মুদ জুদ’ নামক এলাকায় বিশেষ কারখানায়। গিলাফ তৈরির জন্য আট থেকে দশ মাস দেড় শতাধিক বিশেষজ্ঞ ওই কারখানায় কাজ করেন। প্রতি গিলাফ তৈরিতে ব্যয় হয় ২২ মিলিয়ন রিয়াল (প্রায় ৬ মিলিয়ন ডলার)। গিলাফের কাপড় বুননে প্রায় ৭০০ কিলোগ্রাম কাঁচা রেশম ব্যবহার করা হয় এবং ১২০ কিলোগ্রাম পরিমাণ খাঁটি স্বর্ণ-রুপার প্রলেপ দেয়া হয়। গিলাফের এক অংশে বিভিন্ন ইসলামী কারুকার্য খচিত থাকে। আরেক অংশে থাকে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত। গিলাফ পরিবর্তনের কাজে মসজিদুল হারামের দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক নেতৃত্ব দেন। এ সময় সৌদি বাদশার প্রতিনিধিসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।কাবা শরীফের দরজা ও বাইরের গিলাফ দুটোই মজবুত রেশমি কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়। গিলাফের মোট পাঁচটি টুকরো বানানো হয়। চারটি টুকরো চারদিকে এবং পঞ্চম টুকরোটি দরজায় লাগানো হয়। টুকরোগুলো পরস্পর সেলাইযুক্ত। ইতিহাস বলছে, ১৯৬২ সাল পর্যন্ত কাবা ঘরের গিলাফ মিসর থেকে তৈরি হয়ে আসতো। তবে মাঝখানে ১৯২৮ সাল থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত কাবার গিলাফ সৌদি আরবের মক্কায় তৈরি হয়েছিল। ১৯৩৯ থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত পুনরায় মিসর সে দায়িত্ব পালন করেছে। বর্তমানে সৌদি আরবে তৈরি হওয়া এ গিলাফও মিশরের অনুকরণে তৈরি হচ্ছে। কাবার গিলাফে এক তৃতীয়াংশের উপর দিকে ৯৫ সেন্টিমিটার প্রস্থের বন্ধনীতে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত খচিত থাকে। তবে উত্তরদিকের অংশে লেখা থাকে, ‘খাদেমুল হারামাইন শরীফাইনের বাদশাহর নির্দেশে এ গিলাফ পবিত্র নগরী মক্কায় তৈরি করা হয়েছে’। ১৯৭৭ সালে নতুন ভাবে স্থাপিত মক্কা নগরীর উম্মে জাওদ নামক জায়গায় অবস্থিত এ অত্যাধুনিক কারখানায় কাবা ঘরের বাইরের গিলাফ এবং ভেতরের গিলাফও তৈরি হয়। একই কারখানা থেকে মদিনায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রওজা মোবারকের কামরায় ব্যবহৃত অভ্যন্তরীণ গিলাফও তৈরি হয়। যা প্রতি চার বছর পর পর পরিবর্তন করা হয়। সারা বছরে পবিত্র কাবা ঘর দু’বার পরিষ্কার করা হয়। আরবি হিজরির শাবান মাসে এবং যিলহজ মাসে। জমজমের পবিত্র পানি, মূল্যবান উদ আতর, গোলাপ নিংড়ানো পানি দিয়ে কাবার ভেতর ও বাহির ধোয়া হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, কাবার প্রথম গিলাফ কে জড়িয়েছিলেন, তা নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও এটা সর্বস্বীকৃত যে, হিজরতের ২২০ বছর আগে বাদশাহ তুব্বা আবি কারব আসাদ এ গিলাফের প্রথম প্রচলন করেছিলেন। মক্কা বিজয়ের পর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আবু বকর কাবা শরীফে গিলাফ পরিয়ে দেন। এর পর থেকে মুসলিম খলীফা এবং শাসকরা এ ধারা অব্যাহত রেখেছেন। (collected)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দুই বন্ধুর পবিত্র ভালোবাসা
→ ভাই বোনের পবিত্র ভালোবাসা
→ পবিত্র সম্পর্ক ❤️ (২য় পর্ব এবং শেষ পর্ব)
→ পবিত্র সম্পর্ক ❤️ ( ১ম পর্ব)
→ পবিত্র ঈদুল আজহা
→ পবিত্র ভালবাসা
→ ভাই বোনের পবিত্র ভালোবাসা
→ ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল পবিত্র ভালোবাসা
→ পবিত্র নগরী জেরুজালেম
→ পবিত্র ঈদ উল ফিতর
→ পবিত্র ভালবাসা
→ পবিত্র ভালোবাসার
→ পবিত্র ভালোবাসা
→ আজ পবিত্র হজ
→ পবিত্র ভালবাসা♦♦♦♦♦♦♦♠♠♠♠©♦♦♦______^_^______

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now