বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
--আইরিন, এই আইরিন....
প্রতিত্তর হিসেবে কোন টু শব্দ মাত্র নেই। ওয়াশরুম ছেড়ে হাটা ধরলাম বেডরুমের দিকে।
একি! রুমটা সকাল সকাল এত বাষ্পীভূত হয়ে আছে কেন? আইরিন বেডের উপর বসে আছে সেই বাসর রাতে যেরকম করে ছিল ঠিক সেরকম!
--জান্টা....
এবারও কোন উত্তর মেলেনি বরং পাশ ফিরিয়ে একটু তাঁকানো তারপর আবার রাগে সাপের মত ফুঁসফাস। ওর রাগটা এমনই।
--কি হইছে? না বললে বুঝবো কিভাবে?
--কই যাবে?
--এই টাইমে কই যাই জানো তো!
--হুম জানি অফিসে! আজও যেতে হবে?
রাগ জড়ানো কন্ঠঠা একটু ভারীই হয় কিন্তু ওরটা আরো গিটারের শেষটার মত চিকন হয়। ভাল লাগে আমার এই কন্ঠঠা শুনতে...
--কেন আজ কি?
আরেকবার পাশ ফিরে তাকালো ও তারপর উত্তর কাটলো
--চৌদ্দ
--ও..
না এটা তো ওর জন্মতারিখ বা আমাদেরই তেমন কিছু একটা বলে মনে হচ্ছে না! তাহলে...
--আজ অফিসে যাবা না হু সারাদিন দুজন একসাথে থাকবো আজ
--ওহ! এটা ফেব্রুয়ারি?
আইরিনকে দেখলাম মুখে ভেংচি কাটলো, মেয়েদের এটা একটা বিশেষ গুন! আমার বেশ ভালই লাগে এটা!অনেকবার ওর থেকে শিখতে চেয়েছি কিন্তু ও শেখায়নি।
সব ভাবাভাবী ছেড়ে চলে আসলাম পাশের রুমে। ফোনটা হাতে তুলে নিলাম তারপর কয়েকটা শব্দ টাইপিং 'Sorry sir, Aj office a aste parbo na. Bojen e to Notun Bow bole Kotha' সেন্ড করলাম অফিসের বসের নাম্বারে অতঃপর ফোনটা অফ করে রেখে দিলাম।
"একজন বিবাহিতই বোঝে বিবাহিত জীবন কি?"
আমার বিশ্বাস স্যারও বুঝছে!
চলে এলাম বেড রুমে! ঢুকতেই আমি অভাব!
ও ধুকে ধুকে কাঁদছে! দৌড়ে পাশে গিয়ে বসলাম
--এই আইরিন কি হইছে?
কোন উত্তর না দিয়ে আমাকে জড়িয়ে উচ্চ কান্না শুরু করলো।
--কি হইছে বলবা তো প্লিজ
--প্লিজ তুমি আজ অফিসে যেও না..
কান্না মিশ্রত গম্ভীর গলায় কথা স্পষ্ট হয়না কাঁদো কাঁদোময়ই রয়।
--এটার জন্য এত কান্নার কি আছে!যাব না আজ
--সত্যি?
--হু
--আমিতো ভাবছি তুমি চলে গেছো তাই অনেক কষ্ট হচ্ছিল
--আরে আমি তো পাশের রুমে স্যারকে এটাই জানাতে গিয়েছিলাম যে আজ অফিসে যাব না..
আইরিনের কান্না মিশ্রত কন্ঠটার থেকেও কান্না জড়ানো চেহারাটা শতহ্র মায়াবী আরো ভয়ঙ্করী সুন্দর ওর মুখে এক তীব্র হাসি বিশেষ করে কান্নার পরের হাসিটা
যেমনটা মেঘের পরের রংধনু।
ও জড়িয়ে ধরছে আমায়!
অনেক শক্ত করেই জড়িয়ে ধরে আছে!
এ যেন কোন বর্ষায় খড়কুটাকে জড়িয়ে ধরে বাঁচতে যাচ্ছে জীবন্ত এক পিপিলীকা!
আমিও জড়িয়ে ধরলাম। ও কাঁদতে কাদঁতে আমার বুকটা ভিজিয়ে দিয়েছে লবনাক্ত অশ্রু কনা দিয়ে
এবার সেখানেই ওকে চেপে রেখেছি সকল লবনাক্ততা দূরে করে ভালবাসার মিষ্টি ফলাতে।
জানি ওর মত এত খুশী এখন আর কেউ না তাইতো আমার পুরোটা দিন আজ ওকে দিয়ে দিলাম শুধু রাত্রিটা আমার করে নিলাম......
------FiRoz MaHmud SanVi (মধ্যবিত্তের রাজপুত্র)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now