বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
----বউ কই তুমি? ( আমি)
----এইতো রান্না ঘরে আছি বাবু। ( মিষ্টি )
----খুদা পেয়েছে তো খুব?
----একটু দাড়াও এইতো হয়ে গেছে।
----জলদি করো সোনা ?
----আজ কি পেটে কুঁমির গিয়েছে হুহ?
----কেনো?
----অন্য দিন বলে বলে খাওয়াতে পারি না, আজ এমন
করছো।
----পেঁটে ছুচো ডাকছে খিদেতে আজ কি করবো?
----এখানে আসোতো একটু বাবু?
----না থাক তুমি রান্না করো।
----আহ্ আসো তো?
----কিছু করবে না তো?
----একটা মার দিবো কিন্তু?
----আচ্ছা আসছি,,
হুমম বলো?
----দূরে কেনো কাছে আসো?
----হুমম বলো।
----আরেক টু?
----বলো এবার।
----ধূর আরো, কানে কানে?
----এবার হয়েছে?
----হুম হয়েছে।
----বলো কি বলবে?
----উমমমমমমম্মাহ
----চোয়ালে দিলে হবে না?
----তাহলে কোথায় দিতে হবে আমার বাবু টার?
----ঠোটে দিতে কে মানা করেছে?
----কেও করেনি তো।
----তাহলে দেও।
----এই সরো তরকারি পুড়ে গেলো?
----হয়েছে এবার দেও।
----রান্না তো হয়ে গেছে।
----তো
----হি হি হি,, এখন আর হবে না,
যাও টেবিলে বসো আমি খাবার নিয়ে আসছি।
----এটা কিন্তু ঠিক না।
----যাও একদম দুস্টামি না।
----যাও খাবো না ভাত?
----আচ্ছা ঠিক আছে।
----গেলাম আমি ঘরে তুমি খাও?
----হুমম,, যাও।
----সত্যি চলে যাচ্ছি কিন্তু?
----যাও না বাবু।
----তহলে গেলাম এবার সত্যি?
----বাই বাই।
মনে মনে ভাবতে লাগলাম কি মেয়ে বানিছে আমার শশুর
মসাই।
আমি একটু অভিমান করে বললাম খাবো না, ভাবলাম আদর করে
আটকাবে, তা না।
সেই বরং উবজে বললো যাও?
এখন এমনি খুদাতে পেট টা চুঁই চুঁই করে ডাকছে উফ্ রে.
কেনো যে বলতে গেলাম খাবো না।
এখন নিজের পরেই রাগ হচ্ছে না হলে বসে এখন কতো
আরামে খেতে পারতাম।
সব দোষ এই,, কিস,,, টার।
সময় নেই অসময় নেই যখন তখন মনচাই পেতে।
ধুর ভাললাগে না।
কি আর করা এখন না খেয়ে শুয়ে থাকতে হবে।
আচ্ছা পাগলী টার মনে কি মায়া হচ্ছে না আমার জন্য?
তখন এতো করে খিদে খিদে করে চিল্লাছিলাম তার জন্য?
মনে হয় না,
হলে একবার আটকাতো।
শুয়ে থাকি বিকালে কিছু একটা বাইরে থেকে খেয়ে
আসবো।
৫ মিনিট পর...
----বাবু ঘুমিয়েছো? (মিষ্টি)
----হুমম। (আমি)
----কখন ঘুমিয়েছো বাবু?
----একটু আগে।
----ওহহ, খিদে লেগেছে বাবু?
----হুমম,,
এই না না লাগেনি।
----সত্যি?
----পুরাইমিথ্যা।
----উঠো খেয়ে নেই খাবার এনেছি?
(এইতো এবার একটু ভাব নেওয়া যাবে, খাবার যখন এনেছে
তাহলে একটু ভাব নেওয়া টা মন্দ না কি বলো ফ্রান্স? )
----তুমি খেয়ে নেও আমার খুদা নেই?
----এমন করে না বাবু, প্লিজ উঠো?
----বললাম তো খুদা নেই।
----হুঁ হুঁ হুঁ,, ছরি বাবু প্লিজ খেয়ে নেও?
----আরে আরে আমার মিস্টি বউটা কান্না করে না।
আমি তো মজা করছিলাম পাগলী আমার।
----আমি অনেক কষ্ট দেই তাই না বাবু?
----না মটেই না ( বুকে জড়িয়ে ধরে)
----মিথ্যা বললে একটু আগেইতো দিলাম?
----ধুর পাগলী এটা কস্ট হলো,
এটা আমার প্রতি তোমার ভালেবাসা।
----হয়েছে নেও এখন খেয়ে নেও খুব খিদে
পেয়েছে।
----খিদে আমার পেয়েছে না তোমার?
----তোমার মানে আমার। এখন নেও?
----তাহলে খাইয়ে দেও?
----আচ্ছা ঠিক আছ।
নেও হা করো তো বাবু?
পাগলী টা আমাার খইয়ে দিচ্ছে,
আর আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি।
কতোনা ভালেবাসে আমার।
কি মায়াভরা মুখটা,
এই মুখে কতো মায়া জড়ীয়ে আছে যার মায়াতে আমায়
বেঁধেছে।
আমাকে বাচ্চাদের মতো করে খাইয়ে দিচ্চে পাগলীটা।
আমি তো খেলাম সে তো এখনো না খেয়ে আছে।
আমি না খেলে পাগলী আমার একটু পানিও পান করবে না আমি
জানি।
----আমার এই মিষ্টি বউ টা খেয়েছে?
----পরে খাবে সে।
----কেনো?
----সে তার বাবুকে খাইয়ে সে খাবে।
----না এখনি খেতে হবে?
----আগে তুমি খেয়ে নেও তার পর খাবো।
----না এখনি, দেখি হা করো আমি খাইয়ে দিচ্ছি?
----বলছি তো খেয়ে নেবো বাবু?
----হা,,, করতে বলেছি?
----হুমম.
পাগলীকে এক গাল খাইয়ে দেওয়াতে দেখি তার
চোখে জলে পরি পরি পূর্ন হয়ে আছে।
আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে অপলক চোখে অশ্রু
নিয়ে।
কিছু বলতে যাবো এমনি আমার বুকে এসে জড়িয়ে
ধরলো।
এক হাতে খাবার এর পাএ আরেক হাতে ভাত মাখানো।
পাএ টা রেখে বাম হাত দিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছি।
----কি হয়েছে সোনা কান্না করো কেনো?
----আমাকে এতো ভালোবাসো কেনো বাবু?
----তুমি ছারা তো আমার ভালোবাসার কেও নেই।
----আমার জীবন অপূর্নতা থাকতো তোমাকে না পেলে।
----তোমাকে না পেলে হৃদয়ের জীবন বৃথা হয়ে
যেতো।
----খুব ভালোবাসি বাবু খুব ভালোবাসি।
----জানি তো আমার থেকেও বেশী ভালোবাসো তুমি।
----কখনো না, তোমার ভালোবাসার কাছে এটা কিছুই না।
আমার মতো পাথরের মনটাও গলিয়ে দিতে পেরেছিলে?
----ভালোবাসতাম বলে হয়তো।
----এখন বাসো না বুঝি?
----এখন একটু কম বাসি।
---- .
----হা হা হা মজা করছিলাম সোনা।
----হুম হয়েছে এখন ছাড়ো কাজ করতে হবে?
----এতো কাজ কিসের, আজ একটু ছুটি পেলাম অফিসের
আর সারাদিন কাজ কাজ করে ব্যাস্ত।
----করতে তো হবে,
না করলে কে করবে, আমারা তো বাড়িতে না।
----জানি,,, এখানে একা কষ্ট হয় তোমার তাই না?
----একদমি না, আমার বাবু আছে কি করতে সে আমার
কখনো কষ্টে থাকতে দেবে না।
----উমমমম্মাহ।
----আচ্ছা কাজ গুলো গুছায় আসি তুমি ঘুমাও।
----আমিও আসি সাথে?
----না,, ঘুমতে বলেছিনা?
----আচ্ছা যাও।
----এইতো লক্ষী বাবু আমার।
মিষ্টি চলে গেলো কাজ গোছাতে আমি শুয়ে আছি।
দেড় বছর বিয়ে হলো আমাদের।
ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম দুইজন। পরিববার এ প্রথমে
অমত ছিলো কিন্তু পরে ঠিক হয়ে গেলো সব।
একটা জব করি তাই বাসা থেকে ঢাকা তে থাকতে
হয়,কোম্পানি থেকে বাসা দিয়েছে সেখানে আমার সুবিধা
তে মা পাগলীও পাঠিয়ে দিলো।
যাক মনে মনে এটাই চাইছিলাম আমি।
যাকে এতো ভালোবাসি তাকে ছেড়ে কি করে
থাকবো।
মা হয়তো ছেলের মনের কথা বুঝতে পেরেছে ।
আমাদের এই দেড় বছরে কখনো কোনো ঝামেলা
করিনি,
কিছু হওয়ার আগেই কেও না কেও একজন নত হতাম আবার
দুইজন এক সাথে ছরি বলতাম।
ভালোবাসার মধ্য একটু মিষ্টি রাগ,
অভিমান না থাকলে
সম্পর্কটা লবন বিহীন তরকারির মতো হয়ে যায়।
আমার পাগলীটা একটু অভিমান বেশী করে কারন,
আমার আদর টা পাওয়ার জন্য,
সে অভিমান করলে তার অভিমান ভাঙ্গানোর জন্য কতো কিছু
করি যে ।
ঠিক তেমনি পাগলীটাও এমন করে আমি যখন করি অভিমান করি।
আমাদের মাঝে সব থেকে বেশী আছে একে অপর
এর প্রতি গভীর থেকেও গভীরতম বিশ্বাস ও ভালোবাসা।
আর বিশ্বাস হলো সব সম্পর্কে ঠিকিয়ে রাখার এক অস্ত্র।
আর সে টা আমাদের মাঝে মজুদ আছে।
পাগলীর টার নামের সাথেই সব কিছু মিলিয়ে দিয়েছে
আল্লাহ।
মিষ্টি তার সবককিছুতেই মিস্টি ময় হয়ে আছে.
আমার মিষ্টি বউ,
এই মিস্টি বউকে ছাড়া একটা মূহুর্ত যেনো কাঁটতে চাইনা।
ভালোবাসি খুব আমার মিস্টি বউ কে।
সারাজীবন এভাবে যেনো বেসে যেতে সক্ষম হয়
গো আল্লাহ।
এবাবে মিস্টিময় হয়ে কেটে যাবে আমাদের জীবন টা।
এখন যায় ঘুমায়,
নাহলে এসে দেখলে আমি ঘুমাই নি তো আমার খরব
আছে।
আপনারও ঘুমালে ঘুমান,
না ঘুমলে না ঘুমান আমি গেলাম।
হায় হায় বউ আমার এসে পড়েছে।
টা টা বাই বই
:
******* মিষ্টি বউ ******
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now