বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এরপর ন্যায়বিচার পেতে ইজিয়াস তখন এলেন থিসিয়াসের কাছে । দাবি করলেন,ওই নিষ্ঠুর আইনটি প্রয়োগ করা হোক তার মেয়ের উপর । আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে হার্মিয়া জানালো,ডিমেট্রিয়াস তার সই হেলেনাকে ভালবাসত । হেলেনা এখনও ডিমেট্রিয়াসকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালবাসে । কিন্তু বাপের আদেশ অমান্য করার এহেন সম্মানজনক কারণও ইজিয়াসকে টলাতে পারল না ।
থিসিয়াস দয়ালূ রাজা ছিলেন । কিন্তু দেশের আইন সংশোধনের ক্ষমতা তার ছিল না । তিনি শুধু হার্মিয়াকে চার দিন সময় দিলেন । তাকে জানিয়ে দেওয়া হল,চার দিন পরেও যদি সে ডিমেট্রিয়াসকে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকে,তাহলে তাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হবে ।
লাইস্যান্ডার এই সব ঝুটঝামেলার কথা শুনে খুবই বিচলিত হয়ে পড়ল । কিন্তু তখনই তার মনে পড়ে গেল,এথেন্স থেকে কিছু দূরে বাস করেন তার এক মাসি। নিষ্ঠুর আইনটা যেহেতু এথেন্সের নগরসীমানার বাইরে খাটে না,সেহেতু সেখানে পালিয়ে যেতে পারলে,কেউ আর হার্মিয়াকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করতে পারবে না।তাই দুজনে ঠিক করল,হার্মিয়া চুপিচুপি তার বাড়ি থেকে পালিয়ে আসবে আর তারপর তারা লাইস্যান্ডারের মাসির বাড়ি গিয়ে তারা বিয়ে করবে ।শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে যে বন রয়েছে,সেখানেই তোমার সঙ্গে দেখা করব.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now