বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আচ্ছা তুই
কি বাচ্চা মেয়ে ??
রিক্সায়
উঠতে গিয়ে কেউ হাত
কাটে ??
;-
আমি কি ইচ্ছে করে কেটেছি নাকি ??
;
না ইচ্ছে করে কাটিস
নি,
কিন্তু বাচ্চাদের
মতো তো সব সময়
ব্যাথা পাস,
আবার শরীরও
কেটে ফেলিস...
তার উপর বৃদ্ধদের
মতো বাথরুমেও
পড়ে যাস...
;- দেখ কাব্য
ভালো হচ্ছে না কিন্তু,
আমি সেদিন ভুল
করে বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলাম,
আর
তোকে সেটা বলেছি তাই
খোঁচা দিয়ে কথা বলবি ??
; হুম তোদের মেয়েদের
এই একটা সমস্যা,
কিছু
হলো না হলো কান্না শুরু...
;-
আমি কান্না করতেছি না...
......কথাটা বলতে বলতেই
বাচ্চাদের
মতো কান্না শুরু
করে দেয় প্রিয়তা,
আর কাব্য ওর
কান্না দেখে অস্থির
হয়ে যায়,
অনেক ভালো বন্ধুত্ব
কাব্য আর প্রিয়তার
মাঝে__
কাব্য
প্রিয়তাকে বন্ধুর
চেয়েও অনেক
বেশী ভাবে,
না সেটা ভালোবাসা না,
সেটা ভালোবাসার
চেয়েও বেশী কিছু...
একটা নিঃস্বার্থ
বন্ধুত্বের
ভালোবাসা...
সেই ক্লাস ফাইভ এ
থাকতে কাব্যদের
বাসার পাশেই
প্রিয়তারা বাড়ী করে উঠে,
তখন থেকে অনেক
সুন্দর একটা সম্পর্ক
দুজনের মাঝে...
; আচ্ছা বাবা এই কান
ধরেছি,
প্লীজ তুই
কান্না করিস না...
আরেহ
আমি তো মজা করেছি...
;- আমার হাত
কেটে গেছে,
আর তুই শুধু খোঁচাই
দিয়ে যাচ্ছিস...
কান্না করবো না তো কি করবো ??
___স্কুলের
গন্ডি পেরিয়ে যখন
কলেজের ২য়
বর্ষে উঠে তখন
প্রিয়তা রুদ্রের
সাথে সম্পর্ক করে,
কাব্যও
সম্পর্কটাকে অনেক
সহজভাবেই নেয়,
কারন কাব্য
প্রিয়তাকে একজন
ভালো বন্ধুই
ভেবেছে সব সময়,
প্রিয়তাকে নিয়ে কখনো ভালোবাসার
স্বপ্ন দেখেনি কাব্য,
তাই রুদ্রের
সাথে প্রিয়তাকে সুখী দেখে কাব্যও
অনেক খুশী......
...কিন্তু
আমরা অনেকসময়
ভালোবাসার জন্য ভুল
মানুষ বেছে নেই,
আর তাই আমাদের
জীবন
মাঝে মাঝে জটিলতায়
পরিপূর্ন হয়ে যায়__
প্রিয়তাও ভুল মানুষ
বেছে নিয়েছিলো,
রুদ্র
প্রিয়তাকে ভালোবাসেনি,ভালো
বেসেছে প্রিয়তার ঐ
দেহটাকে,
ভালোবাসার
আবেশে জড়িয়ে,
মিথ্যে স্বপ্ন
দেখিয়ে রুদ্র
কয়েকবারই ভোগ
করে নিয়েছে প্রিয়তার
শরীরটাকে...
আর প্রিয়তাও সব
কিছু বিশ্বাস
করে দিয়েছে রুদ্রকে...
আর যখন
প্রিয়তা তার
ভিতরে নতুন
একটা সত্ত্বার
অস্তিত্ব অনুভব
করে রুদ্রকে জানায়,
রুদ্র ছুড়ে ফেলে দেয়
প্রিয়তাকে...
_____প্রায়
সন্ধ্যা হয়ে এসেছে,
কাব্য প্রিয়তাদের
ছাদে দাঁড়িয়ে নিচের
দিকে তাকিয়ে আছে,
কাব্য
অঝরে কান্না করছে...
আজ সকালেই
প্রিয়তা এই
জায়গাটা থেকে লাফিয়ে আত্নহত্যা করেছে,
ভাবতেই
কষ্টে কাব্যের
বুকটা ফেটে যাচ্ছে,
এতো কাছে বন্ধুটা এভাবে হারিয়ে যাবে কখনো কল্পনা করেনি কাব্য...
মেডিকেল
রিপোর্টে ধরা পড়েছে প্রিয়তা অন্তঃসত্ত্বা ছিলো,
কাব্যের
বুঝতে বাকী রইলো না কে এর
জন্য দায়ী...
___লেখকের কথাঃ
==========
......আচ্ছা ভালোবাসার
জন্য কি শারীরিক
সম্পর্কটা খুব
জরুরী ??
এটা যদি কেউ করেই
ফেলে তাহলে দোষ
কার ??
আমার মনে হয়
এক্ষেত্রে দুইজনই
সমানভাবে দোষী...
কারন
মেয়ে না চাইলে ছেলে কখনোই
এটা করতে পারবে না...
আবার মেয়ে আগ্রহ
প্রকাশ
করলে ছেলে না চাইলে এটা কখনোই
হবে না...
অনেকে বলে মেয়েরা যাকে ভালোবাসতে পারে তাকে দেহটা দেওয়াটা তাদের
কাছে কোন ব্যাপার
না,
আসলে দেহটা দেওয়া ব্যাপার
না ঠিকই কিন্তু
এটা চরম বোকামী,
আর কোন
ছেলে সম্পর্ক গভীর
করতে যদি শারীরিক
সম্পর্ক করতে চায়,
তাহলে ১০০% সিওর
থাকেন সেই
ছেলে কখনোই এই
মেয়েকে বিয়ে করবে না...
সম্পর্ক শারীরিক
সম্পর্ক পর্যন্তই
সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে___
__
___ছেলেদের জন্য
একটা কথা,
আপনি একটা মেয়ের
দায়িত্ব
নিতে পারবেন না,
তাহলে কেন শুধু শুধু
মেয়েটার জীবন নষ্ট
করবেন ??
নিজের সামান্য কিছু
মূহুর্তের সুখের জন্য
কারো সারাজীবনের
দুঃখ এনে দেওয়ার কোন
অধিকার আপনার
নেই......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now