বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি অজানা রহস্য

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মিশকাত রায়হান (০ পয়েন্ট)



X এটা কোন গল্প না। এটা আমাদের এলাকায় মাস দুয়েক আগে ঘটে যাওয়া একটা দুঃখ জনক ঘটনা। আমাদের এলাকার পুর্ব প্রান্ত গিয়ে শেষ হয়েছে ধোপাছড়ি নামক জায়গায় গিয়ে।ধোপাছড়ির একটু পশ্চিমে জায়গার নাম লট এলাহাবাদ। ওখানে সবই বনজঙ্গল। এর ফাকে ফাকে অনেক মানুষ বসবাস করে। সেদিন ছিলো ছুটির দিন। ওই এলাকায় একটা ১৪-১৫ বছরের মেয়ে একদিন সকালে তার বান্ধবী দের সাথে খেলতে বের হয়েছে। বেলা গড়িয়ে দুপুর শেষ হয়ে গেলো। মেয়েটা এখনো বাসায় ফিরেনি। ওর মা-বাবা টেনশনে অস্থির হয়ে পড়লো। সেই সময় তাকে আসতে দেখা গেলো। মা রাগের মাথায় ইচ্ছামত বকা আর পিটুনি দিলো। মেয়েটা অনেক্ষন বসে বসে কাদলো। তারপর ধীরে ধীরে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসলো। আগেই বলেছি তাদের বাড়িঘর জঙ্গলের ফাকে ফাকে। কাজেই তাদের চারপাশে ঘন জঙ্গল। সে একদিকে চলে গেলো। তার মা ভাবলো হয়তো একটু অভিমান করেছে।, কিছুক্ষন পর ঠিক হয়ে যাবে। কেউ দেখেনি কোথায় গেছে। সন্ধার পেরিয়ে যাচ্ছে মেয়েটা বাসায় ফেরার নাম নেই। চারিদিকে খোঁজাখুঁজি করতে লাগলো। তার মা পাগলপ্রায় হয়ে গেলো। এভাবে ২দিন গেলো। ৩ দিনের দিন ৪জন প্রতিবেশী তাকে জঙ্গলের ভেতর খুজতে বের হলো। অল্পদুর যেতেই একটা অদ্ভুত গন্ধ তাদের নাকে ঠেকলো। সেই গন্ধ শুকে শুকে কিছুদুর যাওয়ার পর তারা দেখলো কে যেন পায়ের পাতার উপর ভর করে পেয়ারা গাছের নিচে বসে আছে। তারা কাছে গিয়ে দেখলো সে হারানো মেয়েটা। মৃত, চোখ দুটা উল্টানো। আরো বেশি রহস্য হলো, তার পিঠে এবং মুখে আচরের দাগ এবং তার শরীরের মাংস পচতে শুরু করেছে। মেয়েটা সুইসাইড করার মত কোন লক্ষন পাওয়া গেলো না। মেয়েটা অনাহারে মারা যাবার কথাও না কারন আশে পাশের গাছে বেশকিছু ফলফলাদি আছে। মেয়েটাকে কেউ মেরে ফেললেও তার পায়ের পাতায় ভর করে বসে থাকার কথা না, অবশ্যই শুয়ে থাকার কথা। তাছাড়া যেই গাছের নিচে তাকে পাওয়া গেছে সে গাছের সাথে সে হেলান দেয়াও ছিলোনা। তাহলে একজন স্বাভাবিকভাবে মৃত মানুষ কিভাবে নিজের ভারসাম্য রক্ষা করে বসে থাকতে পারে???? এই কথা কোন উত্তর কেউ এখনো পায়নি। তাছাড়া মরার ২ দিনের ভেতর মাংসে পচন ধরে না। আমি ভুতে বিশ্বাস করিনা। কিন্তু এ ঘটনার পর আমি কোন সমাধানে আসতে পারিনাই। মেয়েটির মৃত্যু সারা এলাকা জুড়ে একটা অমিমাংসিত রহস্য। আমার পাড়ার কয়েকজন লোক তারা নিজ চোখে দেখেছে মেয়েটিকে। সে এলাকার মানুষগুলা বর্তমানে বিশাল আতঙ্ক মনে নিয়ে বসবাস করছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৪০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...