বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বাড়িওয়ালার মেয়েটি এবং তার সাথে সেলফি তোলার সম্ভাব্য গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X বাড়িওয়ালারা যে ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া দিতে চায় না তার পেছনে বেশ কয়েকটা যুক্তি যুক্ত কারন আছে । তার উপর যদি বাড়িওয়ালার যদি একটা অবিবাহিত মেয়ে থাকে তাহলে তো কথাই নেই । কিন্তু আশ্চার্য ভাবে আমাদের বাড়িওয়ালার সুন্দরী একটা মেয়ে থাকা সত্ত্বেও সে আমাদের ঠিকই বাড়ি ভাড়া দিয়ে দিল । অবশ্য এর পেছনে একটা কারন আছে অবশ্য । ফ্যামিলি বাসা এতো টাকা দিয়ে এই সাত তলার উপর বাসা ভাড়া নিতে চায় না খুব একটা ঠ্যাকায় না পড়লে । আর আমাদের বাড়িওালা সম্ভবত সেই ঠ্যাকা ভাড়াটিয়া খুজে পায় নি । এই জন্য আমাদের ভাড়া দিয়েছে । আসলে আমরা যে বাসাতে ভারা এসেছি সেটার দুইজন মালিক, দুইভাই । শুনেছি দুইভাইয়ের নাকি মুখ দেখা-দেখি বন্ধ ! বাবার জমির উপর দুইজন মিলে এক সময় বাড়ি করেছিল । দুইজন ভাগ করে নিয়েছে ফ্ল্যাট গুলো ! নিচের বাড়িওয়ালা আমাদের বাড়ি ভাড়া দিতে রাজি না হলেও উপরের জন ঠিকই রাজি হয়ে গেল । বিশেষ করে বাড়ি ভাড়াটা অন্যান্য ফ্ল্যাটের তুলনায় একটু বেশিই ছিল ! এখন ভাড়া যখন দিয়েই ফেলেছে তখন এর সুযোগের সৎ ব্যবহার তো করা উচিৎ ! আমাদের কাছ থেকে এতো টাকা বাড়ি ভাড়া নিবে আর আমরা এমনি এমনি ছেড়ে দিবো ? অবশ্য আমাদেরকে একার দোষ সেই কথা কিছুতেই বলা যাবে না ! মেয়ের নিজেও একটু দোষ আছে ! না, দোষ শব্দটা ব্যবহার করা উচিৎ নয় ! আমার যেমন আগ্রহ আছে ঠিক তেমনি মেয়েটারও আগ্রহ আছে । নয়তো এমন হবে কেন ? আরে কেবল মেয়েটা কেন বলছি ? বাড়িওয়ালার মেয়ে বলে কথ! প্রথম সপ্তাহে মেয়েটার সাথে দেখা হয়ে গেল ছাদে । আমি বিকেল হলে ছাদে চলে আসি ! আমার রূম মেট সুমন ছাড়া অবশ্য আর কেউ ছাদে আসে না, তাও কম আসে ! অন্য কারো হাতে আমাদের দুজনের মত সময় নেই কারন ফ্ল্যাটে কেবল আমরা দুজনই ছাত্র বাকীরা সবাই চাকুরীজীবী । আমার হাতে অসম্ভব অবসর তাই ছাদে কাটাই বেশ ভাল সময় ! ছাদেই বসে বই বই পড়ি ! ক্লাসের বই না, গল্পের বই ! প্রথম দিন মেয়েটাকে দেখলাম বিকেল বেলা ছাদে উঠতে । তখন কেউ ছিল না বাসায় ! আমি একাই ছিলাম বলতে গেলে ! আমি ছাদে একটা প্লাস্টিকের চেয়ার পেতে বসে বসে গল্পের বই পড়ছিলাম ! মেয়েটা এল, এদিক ওদিক একটু ঘোরাফেরা করলো তারপর চলে গেল ! মেয়েটার আসা দেখে আমি ছাদে যাওয়া একটু বাড়িয়ে দিলাম । কদিন পরে লক্ষ্য করলাম যে মেয়েটাও ছাদে আসছে । একদিন বিকেল বেলা দাড়িয়ে আছে ছাদের এক কোনায় আমি মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত । মাঝে মাঝে আড় চোখ তাকিয়ে দেখছি । এমন সময় মেয়েটা আমার দিকে এগিয়ে এল । সরাসরি বলল -কি দেখো এইভাবে ? খাইছে ! এক মুহর্ত ভাবলাম কি বলবো ! কি বলতে গিয়ে আবার কি না হয় ! উল্টাপাল্ট কিছু বললেন না আবার বাড়ি ছাড়তে হয় ! আমি খুব সহজ কগায় বললাম -কেন ? কিভাবে দেখছি ? -আড় চোখে ! -এমন কিছু ব্যবস্থা কর যাতে আর আড় চোখ না দেখতে হয় ! -মানে ? -মানে……উমউম… মানে তোমার কয়েকটা ছবি তুলতে দাও তাহলে আর আড় চোখে তাকাবো না ! তখন কেবল ফোনের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবো ! বাড়িওয়ালার মেয়ে আমার দিকে অর্থপূর্ন দৃষ্টিতে তাকালো । তাকানোর ধরন দেখেই আমি বুঝে গেলাম এর সাথে আমার কিছু একটা হতে যাচ্ছে ! মানে আগ্রহী মেয়েদের দিকে তাকালেই ঠিকঠাক বোঝা যায় ! সে বলল -কেন ? আমি তোমাকে আমার ছবি তুলতে কেন দেব ? -দেখো, আমি বিশ্বাস করি, উপরওয়ালা সুন্দরকে সৃষ্টিই করেছে দুচোখ ভরে দেখার জন্য ! -আআআচ্ছাআআআআআ ! এমন ভাবে আচ্ছা বলল আমি মনে মনে হাসলাম ! -আমার বাবা জানলে কিভবে তুমি জানো তো ? -জানবে না ! -এতো নিশ্চিত কিভাবে হচ্ছো ? -কারন জানলে এতো দিনে জেনে যেত ! আমার ছাদে আসা বন্ধ হত । তোমারও ! আমার হয়তো এই বাড়িতেই থাকা হত না ! সেটা যেহেতু হয় নাই….. আমি কথাটা শেষ না করে হাসলাম ! মেয়েটাও আর কোন কথা না বলে কেবল হাসলো ! আর সাথে সাথে একটু ছবি তোলার ভঙ্গিতে । যদিও মুখ ফুটে কিছু বলে নাই । তবুও কেন জানি মনে হল মেয়েটা ছবি তোলার একটা নিরব সম্মতি দিল ! প্রথমে একটু দ্বিধা করলেও আমি বেশ কয়েকটা ছবি তুলে ফেললাম আমার মোবাইল দিয়ে ! -আমি এখনও তোমার নাম জানি না ! -আমিও জানি না ! তাতে কি ! -তাও ঠিক ! কাউকে ভাল লাগলেই যে তার নাম জানতে হবে এমন নয় তাই না ! মেয়েটা হাসলো ! তারপর বলল -ইজি বয় ! সব কিছু এক সাথে পাওয়া যায় না ! -একটা অনুরোধ করবো ? -কি ! -আসো একটা সেলফি তুলি ! -কেন ? -আরে ছবি তুলতে দিয়েছে তার মানে পরিস্কারই তুমি আমার প্রতি একটু হলেও ইন্টারেস্টেজ ! তাই না ! আর তুমি তো পরিস্কার বুঝতেই পারছো যে আমি তোমার প্রতি কেমন আগ্রহী ! -হুম ! তোমার চোখ দেখলেই বোঝা যায় ! বড় বেয়াদব চোখ তোমার ! -তাহলে !! প্লিজ !! মেয়েটা যে সত্যি সত্যি রাজি হয়ে যাবে আমি ভাবতে পারি নি ! সেলফিও তুলে ফেললাম ! তবে একটু দুর থেকেই । সেলফি তোলার জন্য যেমন একদম কাছাকাছি আসতে হয় তেমন কাছে না । যাক সমস্যা না, আজকে হয়নি সামনের দিন হবে ! সেলফি টা মোবাইলে দেখতে দেখতে বললাম -ভাবছি এটা প্রোফাইল পিকচার দেব ! -একদম মেরে ফেলবো ! আমার বাবা একেবারে খুন করে ফেলবে তোমাকে ! সাবধান ! -সত্যি নাকি ? -একদম ! সাবধান ! ততক্ষনে সন্ধ্যা নেমে গেছে । মেয়েটা সিড়ি ঘরের দিকে রওনা দিল । একেবারে দরজার কাছে গিয়ে ফিরে তাকালো ! তারপর বলল -বাইদ্যওয়ে আমার নাম নিতু ! -আমি…. নিতু হেসে বলল -আমি জানি তোমার নাম ! এরপর নিচে নেমে গেল ! এরপর নিতুর সাথে কথা হতে লাগলো প্রতি বিকেলে ! মেয়েটা টুকটাক কথা বলতো ! আমার কাছে গল্পের বই নিতে লাগলো ! নিজের বইও আমাকে দিতে লাগলো ! মোটামোটো নিশ্চিত আর মাস খানের ভেতরেই আমাদের সম্পর্ক টা আরওএকটু বাড়বে ! আর সব থেকে মজার ঘটনা ঘটতে লাগলো যে মেয়েটার সাথে প্রতিদিন সেলফি তুলতে লাগলাম ! আগে নিতু আমার থেকে বেশ দুরুত্ব বজায় রেখেই দাড়াতো ! কিন্তু যতই দিন যেতে লাগলো দুরুত্ব ততই কমতে লাগলো ! কেবল যে আমি সেলফি তুলতাম তা কিন্তু না ! নিতু নিজেও ওর মোবাইলে আমাদের ছবি তুলতো ! সত্যি বলতে কি দিন বেশ ভালই যাচ্ছিলো ! ঠিক তখনই একটা ঘটনা ঘটলো ! আমার রূমমেট হঠাৎই কথার ছলে বলে ফেলল যে বাড়ি ওয়ালার মেয়ের সাথে ওর কিছু চলছে । মেয়েটা নাকি প্রায় সকাল বেলা ছাদে আসে ! আমি তখন ক্যাম্পাসে থাকি ! ওর সাথে কিছু চলছে ! আমার মাথার ভেতরে কেমন যেন করে উঠলো ! তাহলে এতো দিন ঐ নিতু আমাদের দুজনের সাথেই টাংকি মেরেছে । সকালে ওর সাথে আর বিকেলে আমার সাথে ! পরদিন প্রচন্ড মেজাজ খারাপ নিয়ে দেখা করতে গেলাম ওর সাথে । বেশ খারাপ ব্যবহারও করলাম ! বলে দিলাম যে আমার সাথে আর যেন কথা না বলে ! নিতু কেবল অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো কয়েক মুহুর্ত । তারপর ওর চোখের কোনে আমি অশ্রু দেখতে পেলাম ! আমার কোন কথার কোন জবাব না দিয়েও সিড়ির দিকে দৌড়ে চলে গেল ! আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলাম ! মন টা এতো খারাপ হল ! মেয়েটাকে সত্যিই বেশ পছন্দ করতে শুরু করেছিলাম ! দুদিন চলে গেলেও তেমন কিছু হল না ! নিতু গত দুইদিন ছাদে না আসলেও তিন দিনের দিন ঠিকই ছাদে এল তবে আমার কাছে এল না ! ছাদের এক কোনে দাড়িয়ে রইলো মন খারাপ করে ! ওর মন খারাপ দেখে কেন জানি আমার নিজেরও খারাপ লাগল ! আমি আর না দাড়িয়ে ঘরের ভেতরে চলে গেলাম ! আমাদের মাঝে মনে হয় আর কোন ঘটনা নেই ঘটার ! কিন্তু ঘটনা আরও ঘটার বাকি ছিল ! রাতের বেলায় বাড়িওয়ালার হুংকার শুনতে পেলাম ! আমাদের দরজা দিয়ে সোজা ঢুকে চিৎকার করতে লাগলো -এতো বড় সাহস আমার মেয়ের সাথে সেলফি তোলে ? আমার মেয়ের সাথে ! আমি রুম থেকেই শুনে আমার বুক শুকিয়ে গেল ! ঐ বদ মেয়ে নিশ্চয়ই সব বাবার কাছে গিয়ে বলেছে । এসবের মানে কি ! সেলফি তো আর আমি একা তুলি নাই তার মেয়েও তুলছে ! কিন্তু বাড়িওয়ালা তো নিজে আর নিজের মেয়ের দোষ দেখবে না ! আমাকে বানাবে বলির পাঠা ! যদি সাথে করে আবার কয়েকজন কে নিয়ে আসে পেদানী দেওয়ার জন্য ? তখন কি হবে ? এখন উপায় ? মেয়েটা ওর বাবাকে আর কি কি বলেছে ? কে জানে ! ফ্ল্যাটের অন্যান্য বড় ভাইয়েরা এগিয়ে গেল কি হয়েছে জানার জন্য ! আমি একবার ভাবলাম গিয়ে বাড়িওয়ালাকে সরি বলে ফেলি ! একবার ক্ষমা চাইলে নিশ্চয়ই আর কিছু বলবে না ! আমি যখন এই সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না যে আগে থেকেই ক্ষমা চাইবো কি চাইবো না ঠিক তখনই দেখলাম রূমমেট সুমন দৌড়ে চলে গেল দরজা খুলে ! কি হয়েছে দেখার জন্য একটু মুখ বাড়িয়েছি দেখি সুমন বাড়িওয়ালার পায়ে পড়ে বলছে আর বলছে -আঙ্কেল আমার ভুল হয়েছে । আমাকে মাফ করে দেন ! আর করবো না ! বাড়িওয়ালর পা সে ছাড়বে না কোন ভাবেই না, যতক্ষন না সে তাকে ক্ষমা না করে । আমার বুকের উপর থেকে কত বড় পাথর নেমে গেল ! যাক এইবারের মত ঝড়টা সুমনের উপর দিয়েই গেছে । যাক আমি তো বেচে গেলাম ! বাড়িওয়ালা বলল ঠিক আছে তবে তাকে তার মেয়ের সব ছবি মুছে ফেলতে হবে আর সুমনকে বাসা ছেড়ে দিতে হবে ! সবাই তাতেই রাজি ! কিন্ত ছবি মুছবে কে ? ফ্ল্যাটের সবাই বয়সে আমাদের থেকে বড় আমি আর সুমনই কেবল সম বয়সী ! বড়রা মোবাইল হাতে ছবি মুছলে কেমন লাগবে ! আর বাড়িওয়ালা নিজেও ছবি দেখবে এটাও একটু অস্বস্থির ব্যাপার তার জন্য ! এক বড় ভাই বলল আমি যেন ওর মোবাইল থেকে ছবি গুলো মুছে দেই । তাই করতে লাগলাম ! ছবি একের পর পর উল্টাতে লাগলাম গ্যালারি থেকে । হঠাৎই সুমনের সাথে একটা মেয়ের সেলফি দেখতে পেলাম । তারপর বেশ কয়েকটা ! ছবি গুলো দেখেই আমার বুকের ভেতরে কেমন করে উঠলো ! আমি কেবল সুমন কে দেখালাম এগুলো কি না ! সুমন বলল হ্যা ! আমি কাঁপা হাতে ছবি গুলো মুছে দিতে লাগলাম ! ছবি গুলোতে যে মেয়েটিকে দেখা যাচ্ছে সে নিতু নয় ! অন্য কেউ ! তাহলে কে ? তারপরই আস্তে করে সব পরিস্কার হয়ে উঠলো ! আগেই বলেছিলাম যে এই বাসাটার মালিক দুই ভাই ! নীচ তলা বাদ দিয়ে দুতলা থেকে চার তলা মালিক একজন আর পাঁচ থেকে সাত তলার মালিক আরেকজন ! আমাদের বাড়ির মালিকের মেয়েটা সুমনে সাথে সেলফি তুলেছে আর দুইতলার মালিকের মেয়ে আমার সাথে !! হায় হায় আমি কিই না ভুল করেছি ! কিন্তু এই কথা আমি নিতুকে কিভাবে বলবো ? আর নিতুই বা শুনবে কেন ? পরদিন বিকেলে নিতু যথারীতি ছাদে এসে হাটাহাটি করতে লাগলো ! মুখ গতদিনের মতই গম্ভীর ! আমি আবারও আগের মত আড়চোখে ওর দিকে তাকাতে লাগলাম ! নিতু নিজেও মনে হল ও খানিকটা বুঝতে পেরেছে যে আমার ভেতরে কিছু একটা পরিবর্তন হয়েছে । কিন্তু নিতু কোন কথা বলল না ! অভিমান ভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে নিচে চলে গেল ! এই ভাবে কাটলো কয়েকটা দিন ! নিতু মন খারাপ করে ছাদে আসে । মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকায় তারপর চলে যায় ! একদিন নিতুর ছাদের আসার আগেই একটা কাজ করলাম ! সিড়ি ঘরের ছাদের দেওয়া বড় রঙিন কাগজে বড় করে লিখলাম “সরি” । এমন ভাবে কাগজটা আঠা মারলাম যে নিতু যখন ফিরে যাবে তখনই চোখ পড়বে ! ছাদে আসার পরই ও যথরীতি যখন ফিরে যাচ্ছে তখনই ওর চোখটা কাগজের উপর গেল । ওর পা আটকে গেল । বেশ কিছু মুহুর্ত লেখাটার দিকে তাকিয়ে রইলো নিতু ! তারপর আমার দিকে ফিরে তাকালো ! ওর চোখ দেখেই মনে হচ্ছিলো আমি যেমন ওর সাথে কথা বলার জন্য অপেক্ষা করে আছি ঠিক তেমনই নিতুও অপেক্ষা করছে ! নিতু আরও কিছুটা সময় আমার দিকে তাকিয়ে রইলো ! তারপর নিতু মুখটা আরও গম্ভীর করে কি চাও ? -অনেক দিন সেলফি তুলি না ? -শুধু সেলফি ? -নাআআআআ ! মানে….. আজকের সেলফিটা যেন একটু স্বাভাবিক হয় এই আর কি ! -স্বাভাবিক ? -না মানে সেলফি তোমার সময় তোমার আর আমার ভেতরকার লম্ব দুরুত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে থাকি ১ আজকে …… -তোমার চোখের সাথে সাথে তোমার মুকখটাও বড় বেয়াদব ! আমি হাসলাম ! নিতু যদিও হাসলো না তবে মোটামুটি বুঝতে পারলাম যে বিপদ কেটে গেছে । আমি পকেট থেকে মোবাইল বের করে একটি স্বাভাবিক ফেলফি তোলার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম !


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৬৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now