বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একদম প্রাথমিক পর্যায়ে যারা ইসলাম
গ্রহণ করেছেন, খাববার তাঁদের মধ্যে
একজন। বোধ হয় ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে
পাঁচ ছয় জনের পরই তাঁর স্থান হবে।
তিনি এক জন মহিলার ক্রীতদাস
ছিলেন। মহিলাটি ছিল নিষ্ঠুরতার
জ্বলন্ত প্রতিমূর্তি। যখন সে জানতে
পারল খাববার ইসলাম গ্রহন করেছেন,
তখন তাঁর উপর নির্মম অত্যাচার শুরু
হলো। অধিকাংশ সময় তাঁকে নগ্নদেহে
তপ্ত বালুর উপর শুইয়ে রাখা হতো। যার
ফলে তাঁর কোমরের গোশত গলে পড়ে
গিয়েছিল। ঐ নিষ্ঠুর রমণী মাঝে মাঝে
লোহা গরম করে তাঁর মাথায় দাগ দিত।
অনেকদিন পর হযরত উমারের
রাজত্বকালে হয্রত উমার একদিন তাঁর
উপর নির্যাতনের বিস্তৃত বিবরণ জানতে
চাইলেন। খাববার তখন বললেন, “আমার
কোমর দেখুন।” হযরত উমার কোমর দেখে
আঁৎকে উঠে বললেন, “এমন কোমর তো
কোথাও দেখিনি?” উত্তরে খাববাব
খলীফাকে জানালেন, “আমাকে জ্বলন্ত
অঙ্গারের উপর শুইয়ে চেপে ধরে রাখা
হতো, ফলে আমার চর্বি ও রক্তে আগুন
নিভে যেত।”
এই নির্মম শাস্তি ভোগ করা সত্ত্বেও
ইসলামের যখন শক্তি বৃদ্ধি হল এবং
মুসলমানদের বিজয় সূচিত হলো, তখন
খাববাব রোদন করে বলতেন, “খোদা না
করুন আমার কষ্টের পুরষ্কার দুনিয়াতেই
যেন লাভ না হয়।”
মাত্র ৩৬ বছর বয়সে হযঅরত খাববারের
মৃত্যু হয় এবং সাহাবাদের মধ্যে সর্ব
প্রথম তিনিই কুবায় কবরস্থ হন। তাঁর
মৃত্যুর পর হযরত আলী (রা) একদিন তাঁর
কবরের পাশ দিয়ে যাবার সময়
বলেছিলেন, “আল্লাহ খাববাবের উপর
রহম করুন। তিনি নিজের খুশীতেই
মুসলিম হয়েছিল। নিজ খুশীতেই হিজরত
করেছিলেন। তিনি সমস্ত জীবন
জিহাদে কাটিয়ে দিয়েছিলেন এবং
অশেষ নির্যাতন ভোগ করেছিলেন।”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now