বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মক্কা। সুবহে সাদিক। উমার (রা.) তখন
ইসলামের খলীফা। তিনি ঘুম থেকে
উঠলেন। ফজরের নামাজের জন্য তিনি সব
মুসলিমদের জাগানো শুরু করলেন। সবাই
মসজিদে আসলে তিনি ইমাম হিসেবে
নামাজ শুরু করলেন।
নামাজ হচ্ছে। একজন ইহুদি কৃতদাস
দৌড়ে এসে একটি ধারালো চাকু দিয়ে
তাঁকে কয়েকবার আঘাত করল। তিনি
মাটিতে পড়ে গেলেন। হতভম্ব,
আতঙ্কিত মুসলিমরা তাঁকে দুধ এনে
দিলেন পান করা জন্য । তিনি দুধে চুমুক
দিলে দুধ ও রক্ত তার ফুটো হয়ে যাওয়া
পাকস্থলী দিয়ে বের হয়ে আসতে
লাগল। সবাই বুঝতে পারছিল, উমার (রা)
চলে যাচ্ছেন আল্লাহর কাছে। উমার
(রা), সারা জীবন যা কিছু করেছেন
ইসলামের জন্য, তিনি এভাবে মারা
যাচ্ছেন সবার চোখের সামনে।
তিনি জ্ঞান হারালেন। উঠলেন।
জিজ্ঞেস করলেন-”আমি কি ফজরের
সালাত পড়েছি ?
তারা বললেন- না উমার । তিনি
সংজ্ঞা হারালেন। আবার উঠলেন।
”আমি কি ফজরের সালাত পড়েছি ? ” ”
না উমার ”
তৃতীয়বার তিনি জ্ঞান হারালেন।
আবার উঠলেন।
আবার জিজ্ঞেস করলেন- ”আমি কি
ফজরের সালাত পড়েছি ? ” “না উমার।
আপনি পড়ে গিয়েছিলেন নামায পড়া
অবস্থায়।”
তারঁ ছেলে তাঁর মাথার নিচে একটি
বালিশ দিল। তিনি চিৎকার করে
বললেন- ”বালিশ সরাও ! আর আমার
মাথা ধূলাবালির মধ্যে রাখ। হয়ত
আল্লাহ আমার ধূলা-ময়লাওয়ালা মাথা
দেখে আমাকে করুনা করবেন”
কারন ?কারন তিনি একটিমাত্র সালাত
মিস করেছিলেন।
এমনকি তাঁর দোষ-ও ছিলনা, তিনি
নামাযের মধ্যেই ছিলেন।
দেখুন তাঁর মর্যাদা, দেখুন তিনি
আল্লাহকে কতটা ভালবাসতেন।
আপনি চাইলে নিজেই পরীক্ষা করে
দেখতে পারেন।আপনি নামাজ মিস
করেছেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now