বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মাত্রা (৩য় পর্ব)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উৎস বিশ্বাস (০ পয়েন্ট)



X ‘ওকে ফ্রেন্ডস,’ বাকি দুজনের দিকে তাকিয়ে বললাম আমি, ‘ওপস! সরি। ফ্রেন্ডস বলছি কেন! আমরা তো আমিই। যাই হোক, কাজের কথায় আসি। আরিয়ান শুভ এবং আরিয়ান শুভ, শোন। আর মাত্র একটা দরজা আছে, তাহলেই আমরা এই খেলার প্রথম লেভেল পার করতে পারবো। চলো তিনজনে মিলে শুরু করে দিই। প্রত্যেকে দুটো করে সংখ্যা হিসেব করতে থাকলে সময় লাগবে না বেশীক্ষন।’ দ্রুত কাজে নেমে পড়লাম আমরা, মানে, আমিই আর কি। যাই হোক। আমি বেছে নিলাম মেঝে এবং ছাদের সংখ্যা দুটো। ডায়েরী আর কলমটা বের করে লেগে গেলাম কাজে। প্রথম নাম্বারটি হচ্ছে, 12336919277, এটা নিয়ে বসা যাক। 12336919277/3 = 4112306425.6666666666666667 12336919277/7 = 1762417039.5714285714285714 12336919277/11 = 1121538116.0909090909090909 12336919277/13 = 948993790.5384615384615385 ‘মাথা হ্যাং না হলেই বাঁচি,’ কন্ঠ শুনে ফিরে তাকালাম আমি, ‘এইগুলা কিসু হইলো?’ দুই শুভ’র মধ্যে একজন বলেছে কথাটা। বাকিজন আমার মতোই অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। ‘কি হয়েছে?’ অবাক ভঙ্গিতে প্রশ্ন করলো বাকিজন। ‘কি আর হবে?’ খেঁকিয়ে উঠলো ও, ‘এতো কষ্ট করে সারাকে বানাইলাম, তারপর ফোর ডাইমেনশনাল স্পেশাল আর্টিফিশিয়াল ভার্চুয়াল ইউনিভার্সটা বানাইলাম, আর মাঝখান থেকে পুরো ক্রেডিটটা নিয়ে নিল এই পাবলিকে। আর আমরা নাকি এর মাল্টিপল ক্যারেক্টার। আজিব!’ ‘এক সেকেন্ড,’ দ্রুত বলে উঠলো বাকিজন, ‘তুমি বানাইছো মানে কি? হ্যাঁ? আমি বানাইছি। সারা তো সব ক্রেডিট দিয়ে দিলো এইটারে, আবার তুমি এইখানে আইসা নিজের ঢোল পিটাচ্ছো?’ ‘এহ,’ চোখমুখ বিকৃত করে বললো প্রথমজন, ‘আইছে আমার কুতুব! আমি বানাইছি বস, আমি! আসল আরিয়ান শুভ আমি। আর তোমরা দুইটা হইলা আমার মাল্টিপল ক্যারেক্টার। আমার জেরক্স কপি।’ ‘বললেই হলো?’ উঠে দাঁড়াল দ্বিতীয়জন, ‘পিডামু কইলাম! বেশী ক্যারক্যার করিস না।’ ‘কি করবি?’ উঠে দাঁড়াল বাকিজনও, ‘কি করবি তুই? করবি টা কি? তিন বছর লাগছে আমার! পুরা তিন বছর লাগছে এই প্রোগ্রাম বানাইতে। আর সারারে বানাইছি দুইবছর ধইরা। উইড়া আইসা জুইরা বসবা, এইটা তো হইবো না!’ আমি কিছু বলে উঠার আগেই দড়াম করে একটা ঘুসি বসিয়ে দিল দ্বিতীয়জন। প্রথম শুভ ছিটকে পড়লো মেঝের উপর। অবশ্য প্রায় সাথে সাথেই উঠে দাঁড়াল ও। ‘হচ্ছেটা কি এখানে?’ আমার নিজের কাছেই আশ্চর্য শান্ত শোনালো কন্ঠটা আমার, ‘এভাবে নিজের সাথে মারামারি করছো কেন? আমরা তো আমরাই, মানে আমি। আমরা তিনজনই আরিয়ান শুভ, আমরা তিনজনই একে অন্যের জেরক্স কপি। এভাবে মারামারি করে কিছু হবে না।’ ‘দুরররর বাল,’ খেঁকিয়ে উঠলো প্রথমজন, ‘আমার শরীরে হাত দেয় এই পাবলিক, সাহস তো কম না! আজকে এইটারে সাইজ করমু আমি।’ আমি বাঁধা দেবার আগেই আবারও লেগে যায় দুজন। সমানে একে অন্যের দিকে ঘুসি ছুঁড়ে দিলো তারা, আর ফলস্বরুপ দুজনেই ছিটকে পড়লো দুদিকে। দ্রুত এগিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় শুভর কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম আমি। ওকে ধরে উঠানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু হঠাত করেই ও আমাকেই একটা ঘুসি বসিয়ে দিল। ওর ঘুসি খেয়ে আরেকজনের উপর ছিটকে পড়লাম আমি। দ্রুত উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করলাম আমি, কিন্তু পারলাম না। অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, আমার হাতে ধরা কলমটি কোথায় যেন আটকা পড়ে গেছে। ঘুরে তাকাতেই দেখতে পেলাম, সেটা প্রথম শুভর গলায় বিধে আছে! চমকে গিয়ে দুপা পিছিয়ে এলাম আমি। কলমটা ছেড়ে দিয়েছি আগেই। সেটা শুভ’র গলায় অর্ধেকের বেশী ঢুকে আছে। গলগল করে রক্ত বেরুচ্ছে সেখান দিয়ে। এক মুহূর্ত থমকে দাঁড়ালাম আমি, তারপর দ্বিতীয় শুভর ধাক্কা খেয়ে সম্বিত ফিরে পেলাম। দ্রুত প্রথমজনের কাছে গিয়ে ওর গলায় হাত রাখলো ও। তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো। ‘কি করলে এটা?’ চেঁচিয়ে উঠলো প্রথম শুভ, ‘ওকে মেরে ফেললে?’ ‘আমি, আ-আমি,’ কেঁপে উঠলাম আমি, ‘আমি কিছু করিনি। মানে, আমি ও- ওকে মারতে চাইনি। তুমিই না ধাক্কা দিলে।’ ‘শীট,’ খেঁকিয়ে উঠলো ও, ‘শীট! এটা কোন কাজ হলো? এভাবে আমরা... শীট!’ ‘আমার কোন দোষ নেই,’ মাথা নেড়ে জবাব দিলাম আমি, ‘আমি ইচ্ছে করে এটা করিনি।’ ‘জানি আমি,’ দ্রুত বলে উঠলো ও, ‘এটা একটা এক্সিডেন্ট।’ ‘সারাকে ডাকি আমরা,’ উপরে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে ডাকলাম আমি, ‘সারা, সারা?’ ‘আমি দেখেছি,’ সারা সাড়া দিলো, ‘কিন্তু আমার কিছুই করার নেই।’ ‘মানে কি?’ খেঁকিয়ে উঠলাম আমি, ‘এখানে একটা খুন হয়ে গেছে সারা।’ ‘এটা একটা খেলা,’ একঘেয়ে সুরে বলে উঠলো ও, ‘এখানে এসব অস্বাভাবিক কিছু নয়। এসব নিয়ে ভাবলে চলবে না। এখন তোমাদের একটাই কাজ, শেষ দরজাটা খুলে প্রথম লেভেল কমপ্লিট করা। তারপর দ্বিতীয় লেভেলে যেতে পারবে। আর দ্বিতীয় লেভেল কমপ্লিট করলেই বের হতে পারবে এখান থেকে। তার আগে নয়।’ ‘সারা,’ চেঁচিয়ে উঠলো শুভ, ‘এসব কি করছো আসলে তুমি বলো তো? তুমি নিজেই বলেছিলে যে, প্রথম লেভেল শেষ হবার পর ভেবে দেখবে যে দ্বিতীয় লেভেল চালানো যায় কি না। অথচ এখন বলছো যে, দ্বিতীয় লেভেল শেষ করতে পারলেই মুক্তি মিলবে আমাদের?’ ‘কারন,’ ধীরে ধীরে, শান্তভঙ্গিতে বলে উঠলো সারা, ‘আমি ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে, তোমাদের দুজনকে দ্বিতীয় লেভেলে নতুন একটা চ্যালেঞ্জ দেবো। খেলাটা আসলে চলছে আমার নিজের ইচ্ছেতে। তোমাদের ইচ্ছের এখানে কোন মুল্যই নেই।’ ‘এটা ভুলে যেও না,’ সারার চেয়েও শান্তগলায় বলে উঠলাম আমি, ‘তোমার ইচ্ছেটা ডিপেন্ড করে আমার উপর। আমি যা ইচ্ছে করি, সেটাই তোমার ইচ্ছে হওয়া উচিৎ। কারন, আমি তোমার স্রষ্টা। তোমার জন্য আমিই ইশ্বর।’ ‘সেটা বাস্তব জগতের জন্য প্রযোজ্য,’ ধীরে ধীরে বলে উঠলো সারা, ‘এ জগতে নয়। এখানে তাই হবে, যা আমি চাইবো। সো প্লিজ, এ জগতে এসে আমার উপর ঈশ্বরত্ব ফলাতে এসো না। আমি এটা সহ্য করবো না। এরচেয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করাটাই তোমার জন্য বেটার হবে বলে মনে করি আমি। আর, বাঁচতে চাইলে এই খেলাটা শেষ করতে হবে তোমাদের। নাও, স্টার্ট এগেইন। এই দরজাটা পার হতে পারলেই নতুন লেভেল, নতুন রুলস, নতুন পরিবেশ পাবে তোমরা। হারি আপ বয়েজ।’ ‘তোরে আমি...,’ চ বর্গীয় অকথ্য গালিটা দিতে গিয়েও থেমে গেলাম আমি। জানি, লাভ নেই। অসহায় ভঙ্গিতে তাকালাম আমার জেরক্স কপির দিকে। আমার দিকে তাকিয়ে কাঁধ ঝাকালো ও। ‘ওকে,’ নিজের মনে মাথা নাড়লাম আমি। কাজটা শেষ করা যাক! ******* ‘পেয়ে গেছি,’ চেঁচিয়ে বলে উঠলো শুভ, ‘আমাদের সামনের দরজার নাম্বারটা একটা প্রাইম নাম্বার।’ ‘আর ইউ শিওর?’ ওর দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলাম আমি। ‘আবার জিগায়!’ দুপাটি দাঁত বের করে হাসি দিলো ও। দ্রুত উঠে ওর পাশে গিয়ে বসলাম আমি। ওর ডায়েরীটা টেনে নিয়ে সেটার দিকে তাকালাম। সেখানে একগাদা নাম্বার নিয়ে কাজ করেছে ও। ‘গুড,’ পিঠ চাপড়ে দিলাম আমি ওর। পুরো পাঁচ ঘন্টা কেটে গেছে এদিকে। এক শুভ মারা যাওয়ায় ওর কাজটা ভাগ করে নিতে হয়েছে আমাদের দুজনের। এতোক্ষন ধরে চেষ্টা করার পর বাকিজন কাজটা করতে সক্ষম হয়েছে। ‘চলো,’ নিজের ডায়েরী আর কলমটা পকেটে রাখতে রাখতে বললাম আমি। ‘চলো,’ উঠে দাঁড়ালো শুভ। একসাথে হেটে দরজার কাছে পৌছলাম আমরা। একে অপরের মুখের দিকে তাকালাম। তারপর একসাথে হাত দিলাম দেয়ালের প্যানেলটিতে। প্রায় সাথে সাথেই আগেরমতোই একটা দরজা খুলে গেলো সেখানে। দরজা দিয়ে পাশের রুমটি স্পষ্টভাবেই দেখা যাচ্ছে। পেছনের দিকে তাকালাম আমি। আমার নিজের জেরক্স কপি, আরিয়ান শুভ’র মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। চোখদুটো অপলকভাবে তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। সেখানে কোন দৃষ্টি নেই। ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে এলো আমার। কাঁধ ঝাঁকিয়ে বাকিজনের দিকে তাকালাম। তার দুটো চোখেও একপ্রকার আকুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আবারও ফিরে তাকালাম আমি পেছনে পড়ে থাকা মৃত শুভর দিকে। হঠাত করেই আমার পা দুটো মাটি থেকে যেন উঁচুতে উঠে গেলো। কি হচ্ছে বুঝতে পারার আগেই মেঝেতে উল্টে পড়ে গেলাম আমি। পর পর তিনটে গড়ান দিয়ে উঠে সোজা হলাম। অবাক হয়ে তাকালাম দেয়ালের দিকে। শুভ চলে গেছে দেয়ালের উপারে! দ্রুত ছুটে এলাম আমি দেয়ালটার দিকে। কিন্তু ততক্ষনে আবার বন্ধ হয়ে গেছে দরজাটা। সেখানে দরজার বদলে নিরেট দেয়াল দেখা যাচ্ছে। ‘শীট,’ খেঁকিয়ে উঠলাম আমি, ‘শীট, শীট, শীট!’ দ্রুত চাপ দিলাম আমি আবার প্যানেলটাতে। কিন্তু কিছুই ঘটলো না। খুললো না দরজা। ভাল করে প্যানেলের পাশে থাকা নাম্বারটার দিকে তাকালাম আমি। নাম্বারটা বদলে গেছে! আগের নাম্বারটার বদলে নতুন এগারো ডিজিটের নাম্বার ফুটে উঠেছে সেখানে। বাকি দেয়ালগুলোর কাছে গিয়ে পরীক্ষা করলাম আমি। একই কাহিনী সব জায়গায়। সবগুলোতেই নতুন এগারো ডিজিটের নাম্বার দেখা যাচ্ছে। হতাশ হয়ে মেঝেতে বসে পড়লাম আমি। ইচ্ছে করছে দেয়ালে মাথা ঠুকরে মাথাটা ফাটিয়ে ফেলি। এরকমটা যে হতে পারে, তা আমার ধারণাতেও ছিল না। ‘টাইম টু ওয়ার্ক,’ রিনরিনে গলায় বলে উঠলো সারা, ‘নতুন ছয়টি নাম্বার দেয়া হয়েছে তোমাকে। এবার তোমার কাজ হচ্ছে, নাম্বারগুলো থেকে প্রাইম নাম্বার খুঁজে বের করে এই লেভেল কমপ্লিট করা।’ ‘তুই মর,’ খেঁকিয়ে উঠলাম আমি ওকে লক্ষ্য করে। ‘দেখো শুভ,’ শান্তকন্ঠে বলে উঠলো ও, ‘খেলার মধ্যে হার- জিত থাকবেই। এটাও একটা খেলা। তুমি এখনো পেছনে পড়ে আছো, এর মানে এই নয় যে তুমি হেরে গেছো। এখনো অনেক পথ বাকি। তুমি নিজেই তো দেখলে যে একটা লেভেল কমপ্লিট করা কতোটা কঠিন। তোমার কি মনে হয়, এখনো তোমার কোন চান্স নেই?’ ধীরে ধীরে শান্ত হলাম আমি। কথাটা মিথ্যে নয়। এখনো হয়তো চান্স আছে। আর সেজন্য নিজের মাথাটাকে ঠান্ডা রাখতে হবে আমাকে। বরফের মতো ঠান্ডা! দ্রুত উঠে দাঁড়ালাম আমি। কাজে নামতে হবে। পকেট থেকে ডায়েরী আর কলমটা বের করে নাম্বারগুলো টুকে নিতে থাকলাম। 19236583627, 69824376901, 93500175337, 34568671237, 479615402111, 89786520195। আবারও শুরু করতে হবে। প্রথম নাম্বারটা নিয়ে শুরু করি। পুরো আট ঘন্টার মতো লাগলো কাজটা শেষ হতে। প্রথম নাম্বারটা 1559 দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য। দ্বিতীয়টা 283 দিয়ে, তৃতীয়টা 5693 দিয়ে এবং চতুর্থটা 31 দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য। পঞ্চম নাম্বারটাই হচ্ছে কাঙ্ক্ষিত সেই প্রাইম নাম্বার, কারন, ষষ্ট নাম্বারটা 3 দিয়ে বিভাজ্য। দ্রুত উঠে দাঁড়ালাম আমি। পঞ্চম নাম্বারটি ছিল মেঝের উপরে লেখা। দ্রুত মেঝের নাম্বারের পাশের প্যানেলটাতে হাত রাখলাম আমি। সেখানে একটা দরজামতো সৃষ্টি হলো। ডায়েরী আর কলমটা পকেটে ভরে তৈরী হলাম আমি। আমাকে নিচের রুমটাতে নামতে হবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মাত্রা (বর্ণনা-১)
→ ভিন্নমাত্রা
→ মাত্রা (শেষ পর্ব)
→ মাত্রা (২য় পর্ব)
→ মাত্রা (১ম পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...