বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রোজকার যোগাযোগে আমরা কতবার ‘হ্যালো’
শব্দটি ব্যবহার করি সেটার কি কোনো ইয়ত্তা
আছে! ফোনে কিংবা ইন্টারনেটে সামাজিক
যোগাযোগের মাধ্যমে কথার শুরুতেই তো বলি,
হ্যালো। শুধু যে আমি আর আপনিই এ শব্দটি ব্যবহার
করি ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয়। দুনিয়াজুড়েই
রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে সাধারণ লোকজনও
তাঁদের দৈনন্দিন সম্ভাষণে হ্যালো শব্দটি ব্যবহার
করে থাকেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, শব্দটির
প্রচলনের পেছনে রয়েছে দুই বিজ্ঞানীর
প্রতিযোগিতার গল্প।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিন কলেজের অধ্যাপক ও
গবেষক অ্যালেন কোয়েইনিগসবার্গের মতে,
টেলিফোনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম
বেল হলেও যন্ত্রটির আধুনিকায়ন এবং একে
সহজলভ্য করে তোলার কৃতিত্বের অংশীদার টমাস
আলভা এডিসন। অধ্যাপক অ্যালেন তথ্য হাজির
করেছেন, এডিসনই হ্যালো শব্দটির
প্রচলনকারী। ১৮৭৮ সালে যখন বিজ্ঞানী এডিসন
ও তাঁর বন্ধু ডেভিড নিউ হ্যাভেনে ইতিহাসের
প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি প্রতিষ্ঠা
করছিলেন, তখন তাঁরা টেলিফোনে সম্ভাষণের
জন্য টেলিফোন ম্যানুয়ালে হ্যালো শব্দটি
অন্তর্ভুক্ত করেন।
অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে টেলিফোনের
আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল
টেলিফোনে সম্ভাষণের জন্যে ‘আহয়’ শব্দটি
প্রচলনের চেষ্টা করছিলেন। অবশ্য তাঁর সে
প্রচেষ্টা হালে পানি পায়নি। মাত্র দুই বছরের মাথায়
১৮৮০ সালে ‘হ্যালো’ শব্দটি সারা পৃথিবীতে
জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সেই বহুল ব্যবহারের সূত্র
ধরেই ১৮৮৩ সালে শব্দটি স্থান করে নেয়
অক্সফোর্ড ডিকশনারির পাতায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে
আকিব মো. সাতিল
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now