বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘটানা আমাদের গ্রামে ঘটে ২০০৯ সালে।ঘটনাটা আমি একজন প্রতক্ষ্যদশী।ঘটনায় চলে যায়।ঘটানাটা একটি পুকুর নিয়ে।পুকুরটি আগে শ্মশান ছিল।১৯৯৮ সালের ভূমিকম্পে শ্মশানটি ভেঙে যায়।তারপর একলোক জায়গাটি কিনে পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করে।তিনি মাছের পোনা পুকুরে ছাড়েন।মাছ ধরার সময় হলে তিনি জাল ফেলেন।কিন্ত মাছ পাননি।লোকে বলে জিন বা ভুতেরা নাকি সব মাছ খেয়ে ফেলেছে।তিনি এসব কথায় কান দেন নি।তিনি পুকুরের পানি সড়িয়ে দেখেন শুধুমাত্র কিছু পোনা মাছ।রয়েছে।মাঝেমাঝে পুকুরে নাকি মরা মানুষের মাথা ভেসে ওঠে।তারপর থেকে এই পুকুরে কেউ গোসল পর্যন্ত করে না দীর্ঘ কাল পুকুরটি পরিতক্ত ছিল।আবার কেউ বলে দিনের বলে পুকুরের পানিতে নাকি কুকুরের ছায়া দেখা যায়।কিন্ত পুকুেরর আশেপাশে কোনো কুকুর নেই।আমাদের হোসেন চৌধুরি পুকুরটি কিনে নেন।তিনি২০০৮ সালে পুকুরটি ভরাট করে বাড়ি বানানোর পরিকল্পনা করেন।তিনি যখন এটি ভরাটের সিধান্ত নেন। তখন একরাতে তিনি সপ্ন দেখেন কতগুলো কুকুর তাকে বলছে পুকুরটি ভরাট না করতে।তিনি মনে করতেন এসব এমনিই দেখছেন।তিনি পুকুর ভরাট করার জন্য বালু ফেলেন। কিন্ত যতই বালু কিন্ত পুকুর ভরাট হচ্ছে না। তিনি তখন ডেজ্রারে ভরাট করেন।যেইদিন বাড়ি নির্মাণ করবেন সেদিন আবার সপ্ন দেখেন কুকুর গুলো বলেছে তুই এই বাড়ি বানাতে পারবি না। কারণ এই জায়গা আমাদের বসবাসস্থল।তিনি মনে করতেন সারাদিন বাড়ির বানানোর কাজে ব্যস্ত বলে এসব দেখেছেন।তিনি যখন বাড়ির দুতলা কাজ সমপন্ন করেন তখন সেদিন রাতে তিনি শুনেন কে যেন দুতলার উপর যে ইট রেখেছেন সেগুলো নিচে ফেলছে তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন কেউ নেই কিন্ত ভাঙা ইট গুলো নিচে পড়ে আছে।তাছাড়া একদিন দেখেন দুতলার লাইট কে যেন জ্বলাচ্ছে আর নিভাচ্ছে।তিনিবলেন কে রে তখন দুতলা থেকে কুকুরের ঘেউ ঘেউ আওয়াজ এলো।একদিন তিনি দেখেন দুতলার থাই গ্লাসে কুকুরের ছায়া তিনি তখন নতুন বাড়িতে উঠেন নি।তার পাশে ১ তলা পাকা ঘরে তিনি থাকতেন।তিনি ভাবলেন মনে সেদিনের কুকুরগুলো মনে হয় আবার এসেছে।তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন কেউ নেই শুধু কতগুলো কুকুরের ছায়া দেয়ালে দেখাযাচ্ছে।তিনি ভয় পেয়ে যান।হঠাৎ তিনি দেখেন একটি কুকুরের ছায়া তার পায়ে কামড়াচ্ছে যেন কোন রাক্ষসী তার পায়ে কচমড়াচ্ছে।তিনি বেহুশ হয়ে যান।তাকে কেউ না পাওয়ায় নতুন বাড়িতে এসে দেখেন তিনি এখানে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছেন।জ্ঞান ফেরার পর তিনি তার বউকে পূর্বের সব ঘটনা বলেন।তার সপ্তাহ খানেক পরে তাকে মৃত অবস্থায় তাদের বাড়ির পেছনে পাওয়া যায়।তার শরীরে যেন কে কামড়েছে এমন দাগ।তার পরিবার সব বুঝতে পেরে ব্যাংকের কাছে জায়গাটা বাড়ি সহ বিক্রী করে দেন।তারাও এখানে কিছু করতে।এখন জায়গাটা জনমানবহিন।ঘটনাটা ভালো লাগলে পড়বেন।আর কেমন হল কমেন্ট করে জানাবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now